ঢাকা ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
‘ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদী মব সন্ত্রাসীদের উৎখাতেই সব মানুষের নিরাপদ রাষ্ট্র সম্ভব’ পাহাড়তলী গ্রীনভিউ ঈদে আজম মাহফিলে আল্লামা রেজাউল কাউসার নবীনগরে তিতাস পাড়ের অবৈধ বালু অপসারণ শুরু: শেষ পর্যন্ত কি রক্ষা পাবে নদী? অলি আহমদের বক্তব্য ঘিরে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ, রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক জাকের মঞ্জিল দরবার শরীফে আসন্ন মহা পবিত্র উরস শরীফ ২০২৭ দাওয়াতী জলসা ভোটারের কাছে যার গ্রহণযোগ্যতা বেশি দল তাকেই মনোনয়ন দেবে : আইনমন্ত্রী ধামইরহাটে ট্যাপন্ডাডল সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার  টেকনাফে নাফ নদীতে বস্তা ফেলে পালাল পাচারকারীরা, মিলল ১৪ হাজার ইয়াবা আজমুল হত্যার বিচারের দাবিতে সোনাডাঙ্গায় শিক্ষার্থীদের অবরোধ ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির বিক্ষোভ সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে নদীতে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন 

অলি আহমদের বক্তব্য ঘিরে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ, রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২ জন সংবাদটি পড়েছেন

তারিখ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

অলি আহমদের বক্তব্য ঘিরে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ, রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক

 

নিজস্ব প্রতিবেদক |

 

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ১৯৭১ সালের মার্চের ঘটনাবলি নিয়ে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তাঁর বক্তব্যের বিভিন্ন অংশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

 

সম্প্রতি এক বক্তব্যে অলি আহমদ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের ঘটনাবলি প্রসঙ্গে নিজের ভূমিকা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তৎকালীন সামরিক কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের ভূমিকা নিয়েও তিনি নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। রাষ্ট্র পতি হতে পাগল হয়ে তারেক রহমান কে নিয়ে কথা বলেন। কাল আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা কে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন।

এবং পাকিস্তান পন্থী রাজাকার দের সাথে নিয়ে সে ১৯৭১ এর চেতনা কে কলংকিত করেছেন।

তাঁর বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।

 

অলি আহমদের বক্তব্যের পর সমালোচকদের একটি অংশের অভিযোগ, মুক্তিযুদ্ধের মতো জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে ব্যক্তিগত বক্তব্য বা রাজনৈতিক বর্ণনার মাধ্যমে উপস্থাপন করলে ঐতিহাসিক তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। তাঁদের কেউ কেউ বক্তব্যগুলোকে ইতিহাস বিকৃতির প্রচেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।

 

অন্যদিকে, অলি আহমদের সমর্থকদের দাবি, ১৯৭১ সালের মার্চে চট্টগ্রামে সংঘটিত সামরিক বিদ্রোহ এবং মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে তাঁকে মুক্তিযুদ্ধের সাবসেক্টর কমান্ডার এবং বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

ঐতিহাসিক কোনো ঘটনার সত্যতা নির্ধারণে ব্যক্তিগত বক্তব্যের পাশাপাশি সমসাময়িক দলিল, সরকারি নথি, প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ এবং স্বীকৃত ঐতিহাসিক গবেষণা পর্যালোচনা গুরুত্বপূর্ণ। ফলে অলি আহমদের বক্তব্যের কোন অংশ ঐতিহাসিক নথির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং কোন অংশ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে—তা প্রামাণ্য দলিলের ভিত্তিতে যাচাই করা প্রয়োজন।

 

রাজনৈতিক মহলের অনেকে মনে করছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও বিষয়টি ব্যক্তিগত আক্রমণের পরিবর্তে প্রামাণ্য দলিল, ঐতিহাসিক তথ্য ও গবেষণার আলোকে আলোচনা হওয়া উচিত।

 

মুহাম্মদ রাওফুল বরাত বাঁধন ঢালী।

Tag :
About Author Information

Ahad Staff

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদী মব সন্ত্রাসীদের উৎখাতেই সব মানুষের নিরাপদ রাষ্ট্র সম্ভব’ পাহাড়তলী গ্রীনভিউ ঈদে আজম মাহফিলে আল্লামা রেজাউল কাউসার

অলি আহমদের বক্তব্য ঘিরে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ, রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তারিখ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

অলি আহমদের বক্তব্য ঘিরে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ, রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক

 

নিজস্ব প্রতিবেদক |

 

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ১৯৭১ সালের মার্চের ঘটনাবলি নিয়ে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তাঁর বক্তব্যের বিভিন্ন অংশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

 

সম্প্রতি এক বক্তব্যে অলি আহমদ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের ঘটনাবলি প্রসঙ্গে নিজের ভূমিকা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তৎকালীন সামরিক কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের ভূমিকা নিয়েও তিনি নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। রাষ্ট্র পতি হতে পাগল হয়ে তারেক রহমান কে নিয়ে কথা বলেন। কাল আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা কে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন।

এবং পাকিস্তান পন্থী রাজাকার দের সাথে নিয়ে সে ১৯৭১ এর চেতনা কে কলংকিত করেছেন।

তাঁর বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।

 

অলি আহমদের বক্তব্যের পর সমালোচকদের একটি অংশের অভিযোগ, মুক্তিযুদ্ধের মতো জাতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে ব্যক্তিগত বক্তব্য বা রাজনৈতিক বর্ণনার মাধ্যমে উপস্থাপন করলে ঐতিহাসিক তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। তাঁদের কেউ কেউ বক্তব্যগুলোকে ইতিহাস বিকৃতির প্রচেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।

 

অন্যদিকে, অলি আহমদের সমর্থকদের দাবি, ১৯৭১ সালের মার্চে চট্টগ্রামে সংঘটিত সামরিক বিদ্রোহ এবং মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে তাঁকে মুক্তিযুদ্ধের সাবসেক্টর কমান্ডার এবং বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

ঐতিহাসিক কোনো ঘটনার সত্যতা নির্ধারণে ব্যক্তিগত বক্তব্যের পাশাপাশি সমসাময়িক দলিল, সরকারি নথি, প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ এবং স্বীকৃত ঐতিহাসিক গবেষণা পর্যালোচনা গুরুত্বপূর্ণ। ফলে অলি আহমদের বক্তব্যের কোন অংশ ঐতিহাসিক নথির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং কোন অংশ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে—তা প্রামাণ্য দলিলের ভিত্তিতে যাচাই করা প্রয়োজন।

 

রাজনৈতিক মহলের অনেকে মনে করছেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও বিষয়টি ব্যক্তিগত আক্রমণের পরিবর্তে প্রামাণ্য দলিল, ঐতিহাসিক তথ্য ও গবেষণার আলোকে আলোচনা হওয়া উচিত।

 

মুহাম্মদ রাওফুল বরাত বাঁধন ঢালী।