ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
নির্বাচন কমিশনের সতর্কবার্তা। সাবধান থাকার পরামর্শ। স্বৈরাচারের দোসরেরা ভোট বানচালের চেষ্টা করবে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা প্রতি বছর বিলম্বে পাঠ্যবই ছাপার নেপথ্যে  ৫ হাজার কোটি টাকার গাইড বাণিজ্য ! নিরপরাধ আ. লীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হলে থানা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি বিএনপি নেতা হারুনের। মুক্তচিন্তা, মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ঘোর বিরোধী দাপুটে তিন বুদ্ধিজীবী। ইয়াবাসহ সুমন নামে এক মাদক কারবারি ডিবির হাতে গ্রেফতার। সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের সাথে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। খুলনা গণপূর্তে দুর্নীতির অদৃশ্য সাম্রাজ্য : উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুরের সাত বছরের অপ্রতিরোধ্য সিন্ডিকেট ! তিনিই স্বঘোষিত সম্রাট! শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশ ফাউন্ডেশনের শিক্ষা প্রণোদনা বিতরণ। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় ১৫টি বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে সবার শীর্ষে শহীদ সরদার সাজাহান গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ।

গাইবান্ধায় এসপি, ওসির বিরুদ্ধে এসআইয়ের স্ত্রীর মামলা।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:০৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ৯০ জন সংবাদটি পড়েছেন
6

গাইবান্ধায় ডেকে নিয়ে উপ পরিদর্শক (এসআই) এর ব্যক্তিগত মোবাইল ও ল্যাপটপ আটকে রাখার অভিযোগে পুলিশ সুপার , সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান।

বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে গাইবান্ধা সদর আমলী আদালতে ভুক্তভোগী এস আই মনিরুজ্জামানের স্ত্রী কাজলী খাতুন বাদী হয়ে এই মামলা করেন।

মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ আরও তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন গাইবান্ধা পুলিশ সুপার  নিশাত এ্যঞ্জেলা, গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  শাহিনুর ইসলাম তালুকদার, লালমনিরহাট জেলার তারেকুজ্জামান তুহিন (২৩)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বাদীর স্বামী এসআই মনিরুজ্জামান তখন গাইবান্ধা সদর থানায় কর্মরত ছিলেন। মনিরুজ্জামানের আত্নীয় আসামি তারেকুজ্জামান তুহিন পারিবারিক শক্রতার জেরে এসআই মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা এসপি কার্যালয়ে একটি মৌখিক অভিযোগ দেন। সেই অভিযোগে চলতি বছরের ২৫ মার্চ পুলিশ সুপার ও ওসি, এসআই মনিরুজ্জামানকে এসপি কার্যালয়ে ডেকে পাঠান। মনিরুজ্জামান এসপি কার্যালয়ে প্রবেশ করা মাত্রই গাইবান্ধার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব জ্যোর্তিময় গোপ মনিরুজ্জামানের কাছ থেকে তার মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ও ১৩ হাজার টাকা জোরপূর্বক কেড়ে নেয়। পরে মোবাইল ও ল্যাপটপ যাচাই-বাচাই শেষে ডিভাইসগুলো সদর থানার ওসির কাছে জমা রাখে।

এ সময় বিষয়টি বাহিরে প্রকাশ করলে চাকরির ক্ষতি হবে বলে ভয় দেখানো হয়। ভাড়াটিয়া গুণ্ডা দিয়ে গুম করার হুমকি দেয়া হয়। এক পর্যায়ে উদ্দেশ্যমূলক ভাবে তাকে গাইবান্ধা থেকে রাজশাহী রেঞ্জে বদলি করা হয়। পরে মনিরুজ্জামান উধ্বর্তন কতৃর্পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে মোবাইল ও ল্যাপটপ উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। বিষয়টি তিনি তার পরিবারকে জানান। পরে অভিযুক্তদের ভয়ভীতি ও চাপে নিরুপায় হয়ে প্রাণ বাঁচাতে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমলী আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর আলম মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে  তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন কমিশনের সতর্কবার্তা। সাবধান থাকার পরামর্শ।

গাইবান্ধায় এসপি, ওসির বিরুদ্ধে এসআইয়ের স্ত্রীর মামলা।

আপডেট সময় : ১১:০৪:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
6

গাইবান্ধায় ডেকে নিয়ে উপ পরিদর্শক (এসআই) এর ব্যক্তিগত মোবাইল ও ল্যাপটপ আটকে রাখার অভিযোগে পুলিশ সুপার , সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান।

বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে গাইবান্ধা সদর আমলী আদালতে ভুক্তভোগী এস আই মনিরুজ্জামানের স্ত্রী কাজলী খাতুন বাদী হয়ে এই মামলা করেন।

মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ আরও তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। আসামিরা হলেন গাইবান্ধা পুলিশ সুপার  নিশাত এ্যঞ্জেলা, গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  শাহিনুর ইসলাম তালুকদার, লালমনিরহাট জেলার তারেকুজ্জামান তুহিন (২৩)।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বাদীর স্বামী এসআই মনিরুজ্জামান তখন গাইবান্ধা সদর থানায় কর্মরত ছিলেন। মনিরুজ্জামানের আত্নীয় আসামি তারেকুজ্জামান তুহিন পারিবারিক শক্রতার জেরে এসআই মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা এসপি কার্যালয়ে একটি মৌখিক অভিযোগ দেন। সেই অভিযোগে চলতি বছরের ২৫ মার্চ পুলিশ সুপার ও ওসি, এসআই মনিরুজ্জামানকে এসপি কার্যালয়ে ডেকে পাঠান। মনিরুজ্জামান এসপি কার্যালয়ে প্রবেশ করা মাত্রই গাইবান্ধার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ধ্রুব জ্যোর্তিময় গোপ মনিরুজ্জামানের কাছ থেকে তার মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ও ১৩ হাজার টাকা জোরপূর্বক কেড়ে নেয়। পরে মোবাইল ও ল্যাপটপ যাচাই-বাচাই শেষে ডিভাইসগুলো সদর থানার ওসির কাছে জমা রাখে।

এ সময় বিষয়টি বাহিরে প্রকাশ করলে চাকরির ক্ষতি হবে বলে ভয় দেখানো হয়। ভাড়াটিয়া গুণ্ডা দিয়ে গুম করার হুমকি দেয়া হয়। এক পর্যায়ে উদ্দেশ্যমূলক ভাবে তাকে গাইবান্ধা থেকে রাজশাহী রেঞ্জে বদলি করা হয়। পরে মনিরুজ্জামান উধ্বর্তন কতৃর্পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে মোবাইল ও ল্যাপটপ উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। বিষয়টি তিনি তার পরিবারকে জানান। পরে অভিযুক্তদের ভয়ভীতি ও চাপে নিরুপায় হয়ে প্রাণ বাঁচাতে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমলী আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর আলম মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে  তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।