ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
নির্বাচন কমিশনের সতর্কবার্তা। সাবধান থাকার পরামর্শ। স্বৈরাচারের দোসরেরা ভোট বানচালের চেষ্টা করবে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত: প্রধান উপদেষ্টা প্রতি বছর বিলম্বে পাঠ্যবই ছাপার নেপথ্যে  ৫ হাজার কোটি টাকার গাইড বাণিজ্য ! নিরপরাধ আ. লীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হলে থানা ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি বিএনপি নেতা হারুনের। মুক্তচিন্তা, মুক্তিযুদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ঘোর বিরোধী দাপুটে তিন বুদ্ধিজীবী। ইয়াবাসহ সুমন নামে এক মাদক কারবারি ডিবির হাতে গ্রেফতার। সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের সাথে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। খুলনা গণপূর্তে দুর্নীতির অদৃশ্য সাম্রাজ্য : উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুরের সাত বছরের অপ্রতিরোধ্য সিন্ডিকেট ! তিনিই স্বঘোষিত সম্রাট! শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশ ফাউন্ডেশনের শিক্ষা প্রণোদনা বিতরণ। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় ১৫টি বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে সবার শীর্ষে শহীদ সরদার সাজাহান গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ।

অপশাসন- শোষণের স্মৃতি চিহ্ন বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে মাদারীপুরের নীল কুঠি।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮৬ জন সংবাদটি পড়েছেন
6
  1. জরাজীর্ন ও ধংসস্তুপ অবস্থায় পড়ে আছে, বাংলার অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী মাদারীপুরের , আউলিয়াপুর “নীলকুঠি “।মাদারীপুর সদর উপজেলার, ছিলারচর ইউনিয়নের,আউলিয়াপুর গ্রামে অবস্থিত।যা আউলিয়াপুর দরগা শরীফের পাশেই অবস্থিত।এটি মাদারীপুর শহর থেকে ১০ কি:মি: দুরে অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে- ১৭৭৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে, নীল চাষের আগমন ঘটে এবং ১৮৩০ সালের মধ্যে বাংলায় প্রায় ১০০০ টির বেশি নীল তৈরির কারখানা স্থাপন করেন, তারই ধারাবাহিকতায়, মাদারীপুরের আউলিয়াপুরে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে এই ” নীলকুঠি “স্থাপিত হয়।ইংরেজ নীলকর ডানলপ এই কুঠি নির্মাণ ও পরিচালনা করেন। এটি ডানলপ সাহেবের নীলকুঠি বা ঢকল সাহেবের কুঠি নামে পরিচিত। এই কুঠি থেকে কৃষকদের নীল চাষের জন্যে বাধ্য করা হতো,চাষ না করতে চাইলে,তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন ও শোষন চালানো হত।অত্যাচার যখন সহনাতীত পর্যায়ে পৌছায়,তখন ফজায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তউল্লা(র) এবং তার পূএ পীর মহসিন উদ্দিন,দুদু মিয়া(র) কুঠিয়ালদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন।এ সময় কৃষকদের উপর নানা নির্যাতন ও জুলুমের সাক্ষী এই নীলকুঠি। বয়স্করা মনে করেন এটি একটি অভিশপ্ত জায়গা,যা বহু অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী। এটি একটি অন্ধকারচ্ছন্ন জীবন্ত ইতিহাস। স্থানীয়রা বলেন প্রতিদিন বহু দর্শনার্থী, জীবন্ত ইতিহাস প্রত্যক্ষ করার জন্য এখানে ছুটে আছেন। বর্তমানে এটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে, যার ১২ কক্ষ বিশিষ্ট ভাঙ্গা দালান ও ৪০ ফুট উচ্চতার একটি চিমনি অবশিষ্ট আছে। ইতিহাসের এই অন্ধকারাচ্ছন্ন, স্বাক্ষটির সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা আবশ্যক। আশাকরি প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর বিষয়টির যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন কমিশনের সতর্কবার্তা। সাবধান থাকার পরামর্শ।

অপশাসন- শোষণের স্মৃতি চিহ্ন বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে মাদারীপুরের নীল কুঠি।

আপডেট সময় : ১০:৩৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
6
  1. জরাজীর্ন ও ধংসস্তুপ অবস্থায় পড়ে আছে, বাংলার অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী মাদারীপুরের , আউলিয়াপুর “নীলকুঠি “।মাদারীপুর সদর উপজেলার, ছিলারচর ইউনিয়নের,আউলিয়াপুর গ্রামে অবস্থিত।যা আউলিয়াপুর দরগা শরীফের পাশেই অবস্থিত।এটি মাদারীপুর শহর থেকে ১০ কি:মি: দুরে অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে- ১৭৭৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে, নীল চাষের আগমন ঘটে এবং ১৮৩০ সালের মধ্যে বাংলায় প্রায় ১০০০ টির বেশি নীল তৈরির কারখানা স্থাপন করেন, তারই ধারাবাহিকতায়, মাদারীপুরের আউলিয়াপুরে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে এই ” নীলকুঠি “স্থাপিত হয়।ইংরেজ নীলকর ডানলপ এই কুঠি নির্মাণ ও পরিচালনা করেন। এটি ডানলপ সাহেবের নীলকুঠি বা ঢকল সাহেবের কুঠি নামে পরিচিত। এই কুঠি থেকে কৃষকদের নীল চাষের জন্যে বাধ্য করা হতো,চাষ না করতে চাইলে,তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন ও শোষন চালানো হত।অত্যাচার যখন সহনাতীত পর্যায়ে পৌছায়,তখন ফজায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তউল্লা(র) এবং তার পূএ পীর মহসিন উদ্দিন,দুদু মিয়া(র) কুঠিয়ালদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন।এ সময় কৃষকদের উপর নানা নির্যাতন ও জুলুমের সাক্ষী এই নীলকুঠি। বয়স্করা মনে করেন এটি একটি অভিশপ্ত জায়গা,যা বহু অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী। এটি একটি অন্ধকারচ্ছন্ন জীবন্ত ইতিহাস। স্থানীয়রা বলেন প্রতিদিন বহু দর্শনার্থী, জীবন্ত ইতিহাস প্রত্যক্ষ করার জন্য এখানে ছুটে আছেন। বর্তমানে এটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে, যার ১২ কক্ষ বিশিষ্ট ভাঙ্গা দালান ও ৪০ ফুট উচ্চতার একটি চিমনি অবশিষ্ট আছে। ইতিহাসের এই অন্ধকারাচ্ছন্ন, স্বাক্ষটির সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা আবশ্যক। আশাকরি প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর বিষয়টির যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।