ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: আনন্দ-উচ্ছ্বাসে কাহারোলবাসী। রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে ঠাকুরগাঁওয়ের আউয়াল আহমেদ। প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তরে ৫৭১ কোটি টাকার অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও নানা অনিয়মের অভিযোগ।  নওগাঁয় পিকআপ-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১। গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে দুই শিশু ধর্ষণেরর অভিযোগ।  বঙ্গোপসাগরে পানামার পতাকাবাহী জাহাজ ডুবি, নিখোঁজ ২২ নাবিক।   শার্শায় সাংবাদিক হত্যাসহ ১৮ মামলার আসামি উকিল মল্লিক আটক। খুলনা মেডিকেলের সামনে অস্ত্র-গুলিসহ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার। ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে ইলিশই যেন সোনার হরিণ: ২হাজার থেকে ২,৫০০ টাকা কেজি, ক্ষুব্ধ ক্রেতারা নাভিশ্বাস, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। সাগরের নীল জলে নিজেকে খোঁজার নিরন্তর চেষ্টা।

বাবা মায়ের পৈশাচিকতার শিকার ৮ বছরের নাঈম।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৭৬ জন সংবাদটি পড়েছেন

এটা আর কোনো “দুঃখজনক ঘটনা” না—এটা বর্বরতা, পৈশাচিকতা আর মানবতার চরম লজ্জা!

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর গিলাকুড়ি গ্রামে সৎমা জাহানারা বেগম (৩২) যে কাজটা করেছে—এটা কোনো মানুষের কাজ না, এটা যেন এক হিংস্র জানোয়ারের রূপ!

 

৪ বছরের নিষ্পাপ নাঈমকে মাথায় কুপ দাগ, বুক-কপালে আঘাত করে বাথরুমে ফেলে রাখা—এটা “নির্যাতন” না, এটা ঠান্ডা মাথায় শিশু হত্যা! এ ধরনের অপরাধীর এক বিন্দু সহানুভূতিরও কোনো প্রয়োজন নেই।

 

এরপর নির্লজ্জের মতো আবার বলছে—“কীভাবে মারা গেছে জানি না।”

মুখে এমন মিথ্যার বিষ ঢেলে এই মহিলা আরও বড় অপরাধ করেছে! নারী নিজের সৎছেলেকেও নিস্তার দেয় না, তার মানবিকতার স্থানে কী আছে?—পশুত্বও লজ্জা পাবে।

 

প্রতিবেশীরা তাকে ধরে পিটিয়ে পুলিশে দিয়েছে—ভালোই করেছে। এমন নৃশংস অপরাধী সমাজে ঘুরে বেড়ানোর যোগ্যই না। এখন দরকার কঠোরতম আইনি শাস্তি—যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো নাঈমের জীবন এভাবে নিভে না যায়।

 

শিশুকে হত্যা করার মতো জঘন্য কাজ যারা করে—তাদের জন্য সমাজে জায়গা থাকা মানেই আরও অপরাধ বাড়ার সুযোগ তৈরি করা।

 

এবার বিচার চাই—দ্রুত, নির্মম অপরাধের বিরুদ্ধে নির্দয় আইনগত ব্যবস্থা।

 

 

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: আনন্দ-উচ্ছ্বাসে কাহারোলবাসী।

বাবা মায়ের পৈশাচিকতার শিকার ৮ বছরের নাঈম।

আপডেট সময় : ১২:২৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

এটা আর কোনো “দুঃখজনক ঘটনা” না—এটা বর্বরতা, পৈশাচিকতা আর মানবতার চরম লজ্জা!

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর গিলাকুড়ি গ্রামে সৎমা জাহানারা বেগম (৩২) যে কাজটা করেছে—এটা কোনো মানুষের কাজ না, এটা যেন এক হিংস্র জানোয়ারের রূপ!

 

৪ বছরের নিষ্পাপ নাঈমকে মাথায় কুপ দাগ, বুক-কপালে আঘাত করে বাথরুমে ফেলে রাখা—এটা “নির্যাতন” না, এটা ঠান্ডা মাথায় শিশু হত্যা! এ ধরনের অপরাধীর এক বিন্দু সহানুভূতিরও কোনো প্রয়োজন নেই।

 

এরপর নির্লজ্জের মতো আবার বলছে—“কীভাবে মারা গেছে জানি না।”

মুখে এমন মিথ্যার বিষ ঢেলে এই মহিলা আরও বড় অপরাধ করেছে! নারী নিজের সৎছেলেকেও নিস্তার দেয় না, তার মানবিকতার স্থানে কী আছে?—পশুত্বও লজ্জা পাবে।

 

প্রতিবেশীরা তাকে ধরে পিটিয়ে পুলিশে দিয়েছে—ভালোই করেছে। এমন নৃশংস অপরাধী সমাজে ঘুরে বেড়ানোর যোগ্যই না। এখন দরকার কঠোরতম আইনি শাস্তি—যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো নাঈমের জীবন এভাবে নিভে না যায়।

 

শিশুকে হত্যা করার মতো জঘন্য কাজ যারা করে—তাদের জন্য সমাজে জায়গা থাকা মানেই আরও অপরাধ বাড়ার সুযোগ তৈরি করা।

 

এবার বিচার চাই—দ্রুত, নির্মম অপরাধের বিরুদ্ধে নির্দয় আইনগত ব্যবস্থা।