ঢাকা ০৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
মাগুরার সাবেক এসপি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। রাজৈর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মরিয়ম মুজাহিদার রিটে হাইকোর্টের আদেশ শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক দুই মহা-পরিচালককে তলব। শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে হাড়িভাসা ইউপির উদ্যোগ, ১৭ বিদ্যালয়ে ফ্লোর ম্যাট প্রদান। ডুমুরিয়ার আন্দুলিয়ায় বিনামূল্যে চক্ষু সেবা ছানি রোগী বাছাই। ঠাকুরগাঁওয়ে সারের সিন্ডিকেটের অভিযোগ, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রির দাবি। ফতুল্লায় শামীম ওসমানের আস্থাভাজন আওয়ামীলীগ নেতা রাজ্জাক গ্রেফতারে জনমনে স্বস্তি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাঁধে দুর্নীতির ভুত: চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পের টেন্ডারের ফাইল! নিকরাইল বেগম মমতাজ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভাষা কর্মশালা ও মুক্ত পাঠাগার উদ্বোধন। নড়াইলের লোহাগড়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাছ কর্তন। প্রায় ২০ কোটি টাকার স্থাপনার হদিস নেই, রামেবি ক্যাম্পাসে লুটপাটের অভিযোগ।

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল এখন তত্ত্বাধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের নিয়োগকৃত বহিরাগত স্বেচ্ছাসেবকদের দখলে।

  • রোস্তম মল্লিক
  • আপডেট সময় : ০১:১১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৫০ জন সংবাদটি পড়েছেন

বাংলাদেশের কোন সরকারী প্রতিষ্ঠান বহিরাগত জনবল দ্বারা পরিচালিত না হলেও মাগুরা ২৫০ বেড হাসপাতালটি চলছে স্বেচ্ছাসেবক নামক বহিরাগত জনবল দ্বারা। বেআইনিভাবে এই সব স্বেচ্ছাসেবকদের আইডি কার্ড ( পরিচয়পত্র) প্রদান করেছেন এই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির। আইডি কার্ডে তার স্বাক্ষর রয়েছে।

আর এই বেআইনি আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে কমপক্ষে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নার্স,আয়া বা ওয়ার্ডবয়দের মত ডিউটি করছে। রোগিদের ওষুধ চুরি করছে। বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী পাচার করছে। ভর্তি থাকা রোগীদের কাছ থেকে নানা অজুহাতে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন কি তারা অপারেশন থিয়েটারেও ডিউটি করছে। অপারেশন করে দেবার চুক্তিতে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে । সরকারি ফাইলপত্র নাড়াচাড়া করছে। এক কথায় এই স্বেচ্ছাসেবকরা হাসপাতালটিতে এক অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

আরো শোনা যায়, এই ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবককে আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ দানের শর্তে তাদের কাছ থেকে ওয়ার্ড মাষ্টার নুর আলম ও সদ্য বদলী হওয়া কর্মচারি আফজালের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই টাকার অংক জনপ্রতি ৫ থেকে ১০ লাখ বলে হাসপাতালে গুঞ্জন চলছে।

একাধিক সুত্র জানায়, এইসব স্বেচ্ছাসেবকরা নিজেদের হাসপাতালের স্টাফ হিসাবে দাবী করছে। দিন ও রাতে দুই শিফটে তারা ডিউটি রোস্টার করে দায়িত্ব পালন করছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এলাধিক উর্ধ্বোতন কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তারা জানান যে, সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক নামের জনবল ব্যবহারের সুযোগ নেই। সরকারি বিধান না থাকলেও মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে কিভাবে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তার কোন জবাব মিলছে না। বিষয়টিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এর পদক্ষেপ কামনা করেছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরার সাবেক এসপি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল এখন তত্ত্বাধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকিরের নিয়োগকৃত বহিরাগত স্বেচ্ছাসেবকদের দখলে।

আপডেট সময় : ০১:১১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের কোন সরকারী প্রতিষ্ঠান বহিরাগত জনবল দ্বারা পরিচালিত না হলেও মাগুরা ২৫০ বেড হাসপাতালটি চলছে স্বেচ্ছাসেবক নামক বহিরাগত জনবল দ্বারা। বেআইনিভাবে এই সব স্বেচ্ছাসেবকদের আইডি কার্ড ( পরিচয়পত্র) প্রদান করেছেন এই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোহসিন উদ্দিন ফকির। আইডি কার্ডে তার স্বাক্ষর রয়েছে।

আর এই বেআইনি আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে কমপক্ষে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নার্স,আয়া বা ওয়ার্ডবয়দের মত ডিউটি করছে। রোগিদের ওষুধ চুরি করছে। বেসরকারি ক্লিনিকে রোগী পাচার করছে। ভর্তি থাকা রোগীদের কাছ থেকে নানা অজুহাতে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন কি তারা অপারেশন থিয়েটারেও ডিউটি করছে। অপারেশন করে দেবার চুক্তিতে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে । সরকারি ফাইলপত্র নাড়াচাড়া করছে। এক কথায় এই স্বেচ্ছাসেবকরা হাসপাতালটিতে এক অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

আরো শোনা যায়, এই ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবককে আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ দানের শর্তে তাদের কাছ থেকে ওয়ার্ড মাষ্টার নুর আলম ও সদ্য বদলী হওয়া কর্মচারি আফজালের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই টাকার অংক জনপ্রতি ৫ থেকে ১০ লাখ বলে হাসপাতালে গুঞ্জন চলছে।

একাধিক সুত্র জানায়, এইসব স্বেচ্ছাসেবকরা নিজেদের হাসপাতালের স্টাফ হিসাবে দাবী করছে। দিন ও রাতে দুই শিফটে তারা ডিউটি রোস্টার করে দায়িত্ব পালন করছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এলাধিক উর্ধ্বোতন কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তারা জানান যে, সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক নামের জনবল ব্যবহারের সুযোগ নেই। সরকারি বিধান না থাকলেও মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে কিভাবে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তার কোন জবাব মিলছে না। বিষয়টিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এর পদক্ষেপ কামনা করেছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা।