ঢাকা ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯ মোহনা টিভির অনলাইন শাখায় পুনর্বিন্যাস: আটজনকে অব্যাহতি; বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয় (মন্ত্রণালয়) স্থানান্তরের গল্প: ঢাকার বাস্তবতা….. কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ প্রয়াত নন-পুলিশ সদস্যের পরিবারের পাশে কেএমপি, দুর্গাপূজার উপহার দিলেন পুলিশ কমিশনার গণপূর্ত অধিদপ্তরে ১১৬ প্রকৌশলীর  ‎বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ!  ‎ প্রধানমন্ত্রীর খুলনা সফর: জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনে হুইপ বকুল পঞ্চগড়ে সদরে একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির নামে সার ডিলার নিয়োগের আদেশ বাতিল করে : ছোলায়মান আলীকে সার ডিলার নিয়োগের দাবী এলাকাবাসীর জাতীয়তাবাদী ব্যাটারী চালিত থ্রি-হুইলারযান শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন আবুল হাসান খান

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাঁধে দুর্নীতির ভুত: চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পের টেন্ডারের ফাইল!

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়় স্থাপন প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ টেন্ডার প্রক্রিয়া চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমান টেন্ডার বাতিল করে পুনরায় টেন্ডারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আর এই অপকান্ডের নেপথ্যে রয়েছে ১০ কোটি টাকার কমিশন চুক্তি।

 

অভিযোগ উঠে়ছে যে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বহুল আলোচিত বালিশ কান্ডের নায়ক মজিদ অ্যান্ড সন্স বর্তমান টেন্ডারে নন-রেসপনসিভ হওয়়ায়় প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পডছে়। এরপরও প্রতিষ্ঠানটিকে নতুন করে সুযোগ করে দিতে পুনঃটেন্ডারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে ।

 

এদিকে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী বর্তমান টেন্ডার বাতিলের লক্ষ্যে চার মাস ধরে প্রকল্পের ফাইল আটকে রেখেছেন। একই সঙ্গে সচিবের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস)-এর মাধ্যমে একটি বড় অঙ্কের আর্থিক সমঝোতার অভিযোগও উঠেছে। তবে এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

 

প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কারণে সরকারি অর্থায়়নে নির্মাণকাজ বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেন্ডার মূল্যায়ন শেষ হওয়ার পরও যদি অস্বাভাবিকভাবে ফাইল আটকে থাকে, তবে বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।

 

এ বিষয়ে সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী এবং মজিদ অ্যান্ড সন্সের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাঁধে দুর্নীতির ভুত: চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পের টেন্ডারের ফাইল!

আপডেট সময় : ১১:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়় স্থাপন প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ টেন্ডার প্রক্রিয়া চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমান টেন্ডার বাতিল করে পুনরায় টেন্ডারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আর এই অপকান্ডের নেপথ্যে রয়েছে ১০ কোটি টাকার কমিশন চুক্তি।

 

অভিযোগ উঠে়ছে যে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বহুল আলোচিত বালিশ কান্ডের নায়ক মজিদ অ্যান্ড সন্স বর্তমান টেন্ডারে নন-রেসপনসিভ হওয়়ায়় প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পডছে়। এরপরও প্রতিষ্ঠানটিকে নতুন করে সুযোগ করে দিতে পুনঃটেন্ডারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে ।

 

এদিকে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী বর্তমান টেন্ডার বাতিলের লক্ষ্যে চার মাস ধরে প্রকল্পের ফাইল আটকে রেখেছেন। একই সঙ্গে সচিবের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস)-এর মাধ্যমে একটি বড় অঙ্কের আর্থিক সমঝোতার অভিযোগও উঠেছে। তবে এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

 

প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কারণে সরকারি অর্থায়়নে নির্মাণকাজ বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেন্ডার মূল্যায়ন শেষ হওয়ার পরও যদি অস্বাভাবিকভাবে ফাইল আটকে থাকে, তবে বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।

 

এ বিষয়ে সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী এবং মজিদ অ্যান্ড সন্সের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহল।