ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাঁধে দুর্নীতির ভুত: চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পের টেন্ডারের ফাইল! নিকরাইল বেগম মমতাজ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভাষা কর্মশালা ও মুক্ত পাঠাগার উদ্বোধন। নড়াইলের লোহাগড়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাছ কর্তন। প্রায় ২০ কোটি টাকার স্থাপনার হদিস নেই, রামেবি ক্যাম্পাসে লুটপাটের অভিযোগ। লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং প্রগ্রেসিভ ওয়েস্ট’র উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু শিবির ও মেডিক্যাল ক্যাম্প সম্পন্ন। আখাউড়ায় বিশেষ অভিযানে উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেপ্তার একটি স্বপ্নের নাম মর্ম মাধুর্য বসু (তাথৈ) শুভ জন্মদিন, আমাদের প্রাণের আলো। হাওর ভ্রমণ মুহূর্তেই রূপ নিল আজীবনের শোকে। যে বাবা পরিবারের সঙ্গে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়েছিলেন, শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন দিয়েই বাঁচিয়ে গেলেন মেয়েকে! কালিগঞ্জ উপজেলাস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সহকর্মীর হামলায় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আহত একজন শিক্ষকের হাতজোড়, একদল শিক্ষার্থীর কান্না—আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য এক নির্মম প্রশ্ন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাঁধে দুর্নীতির ভুত: চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পের টেন্ডারের ফাইল!

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়় স্থাপন প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ টেন্ডার প্রক্রিয়া চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমান টেন্ডার বাতিল করে পুনরায় টেন্ডারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আর এই অপকান্ডের নেপথ্যে রয়েছে ১০ কোটি টাকার কমিশন চুক্তি।

 

অভিযোগ উঠে়ছে যে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বহুল আলোচিত বালিশ কান্ডের নায়ক মজিদ অ্যান্ড সন্স বর্তমান টেন্ডারে নন-রেসপনসিভ হওয়়ায়় প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পডছে়। এরপরও প্রতিষ্ঠানটিকে নতুন করে সুযোগ করে দিতে পুনঃটেন্ডারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে ।

 

এদিকে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী বর্তমান টেন্ডার বাতিলের লক্ষ্যে চার মাস ধরে প্রকল্পের ফাইল আটকে রেখেছেন। একই সঙ্গে সচিবের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস)-এর মাধ্যমে একটি বড় অঙ্কের আর্থিক সমঝোতার অভিযোগও উঠেছে। তবে এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

 

প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কারণে সরকারি অর্থায়়নে নির্মাণকাজ বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেন্ডার মূল্যায়ন শেষ হওয়ার পরও যদি অস্বাভাবিকভাবে ফাইল আটকে থাকে, তবে বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।

 

এ বিষয়ে সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী এবং মজিদ অ্যান্ড সন্সের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাঁধে দুর্নীতির ভুত: চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পের টেন্ডারের ফাইল!

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাঁধে দুর্নীতির ভুত: চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পের টেন্ডারের ফাইল!

আপডেট সময় : ১১:৩৯:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়় স্থাপন প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ টেন্ডার প্রক্রিয়া চার মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, বর্তমান টেন্ডার বাতিল করে পুনরায় টেন্ডারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আর এই অপকান্ডের নেপথ্যে রয়েছে ১০ কোটি টাকার কমিশন চুক্তি।

 

অভিযোগ উঠে়ছে যে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বহুল আলোচিত বালিশ কান্ডের নায়ক মজিদ অ্যান্ড সন্স বর্তমান টেন্ডারে নন-রেসপনসিভ হওয়়ায়় প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পডছে়। এরপরও প্রতিষ্ঠানটিকে নতুন করে সুযোগ করে দিতে পুনঃটেন্ডারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে ।

 

এদিকে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী বর্তমান টেন্ডার বাতিলের লক্ষ্যে চার মাস ধরে প্রকল্পের ফাইল আটকে রেখেছেন। একই সঙ্গে সচিবের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস)-এর মাধ্যমে একটি বড় অঙ্কের আর্থিক সমঝোতার অভিযোগও উঠেছে। তবে এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

 

প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতার কারণে সরকারি অর্থায়়নে নির্মাণকাজ বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেন্ডার মূল্যায়ন শেষ হওয়ার পরও যদি অস্বাভাবিকভাবে ফাইল আটকে থাকে, তবে বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।

 

এ বিষয়ে সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী এবং মজিদ অ্যান্ড সন্সের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহল।