ঢাকা ১০:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: আনন্দ-উচ্ছ্বাসে কাহারোলবাসী। রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে ঠাকুরগাঁওয়ের আউয়াল আহমেদ। প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তরে ৫৭১ কোটি টাকার অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও নানা অনিয়মের অভিযোগ।  নওগাঁয় পিকআপ-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১। গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে দুই শিশু ধর্ষণেরর অভিযোগ।  বঙ্গোপসাগরে পানামার পতাকাবাহী জাহাজ ডুবি, নিখোঁজ ২২ নাবিক।   শার্শায় সাংবাদিক হত্যাসহ ১৮ মামলার আসামি উকিল মল্লিক আটক। খুলনা মেডিকেলের সামনে অস্ত্র-গুলিসহ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার। ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে ইলিশই যেন সোনার হরিণ: ২হাজার থেকে ২,৫০০ টাকা কেজি, ক্ষুব্ধ ক্রেতারা নাভিশ্বাস, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। সাগরের নীল জলে নিজেকে খোঁজার নিরন্তর চেষ্টা।

বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটির উদ্যোগে সারা দেশে প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক গীতা শিক্ষার্থী বার্ষিক গীতা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৬:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৬৫ জন সংবাদটি পড়েছেন

গীতার আলো ঘরে ঘরে জ্বালো’ স্লোগানকে সামনে রেখে দেশে প্রথমবারের মতো অভিন্ন সিলেবাসে ‘বার্ষিক গীতা ও নৈতিক শিক্ষা পরীক্ষা-২০২৫’ আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক)। আগামী ৯ জানুয়ারি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারাদেশের বিভিন্ন মঠ-মন্দির, বিদ্যালয় ও কলেজসহ নির্ধারিত পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহে এই পরীক্ষা একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। আজ চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লাস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০০৯ সালে চট্টগ্রামের অভয়মিত্র মহাশ্মশানে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে সনাতনী শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলছে। বর্তমানে দেশের ৫৮টি জেলায় ১০ সহস্রাধিক গীতা শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে বাগীশিক তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এবারের পরীক্ষায় সারাদেশে আনুমানিক অর্ধ-লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরের ১১টি থানায় প্রায় আড়াই হাজার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার ৭টি উপজেলায় ৫ হাজার এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার ৮টি উপজেলায় প্রায় সাড়ে ছয় হাজার পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। এছাড়া ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, বরিশাল ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে স্থানীয় সংসদগুলোর সমন্বয়ে এই পরীক্ষা পরিচালিত হবে।

বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি মাদারীপুর জেলা সংসদের উদ্যোগে এফ এইচ কিন্ডারগার্টেন কেন্দ্রে শতাধিক শিক্ষার্থী গীতা ও নৈতিক শিক্ষা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পরীক্ষার সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য একটি বিশেষ শিক্ষা বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা এডভোকেট দিলীপ কুমার ভট্টাচার্য। এছাড়া বোর্ডের সচিব হিসেবে বিশিষ্ট সমাজসেবী ও কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা লায়ন শম্ভু দাশ এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক তপন কান্তি নাথ দায়িত্ব পালন করছেন। এই পরীক্ষার মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও তরুণ সমাজকে গীতায় বর্ণিত নৈতিক শিক্ষায় দীক্ষিত করে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই বাগীশিকের মূল লক্ষ্য।

সংবাদ সম্মেলনে বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ঝন্টু চৌধুরী বলেন, কেবল আধ্যাত্মিকতা নয়, বরং নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে তোলাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রামের তিনটি সংসদ বিগত কয়েক বছর ধরে স্বতন্ত্র পরীক্ষা পদ্ধতি চালু রাখায় এবছর তারা শেষবারের মতো ভিন্ন সিলেবাসে পরীক্ষা দেবে এবং আগামী বছর থেকে সারাদেশের সাথে পূর্ণাঙ্গ অভিন্ন সিলেবাসে যুক্ত হবে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে তিনি প্রশাসন, অভিভাবক ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিবর্গসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: আনন্দ-উচ্ছ্বাসে কাহারোলবাসী।

বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটির উদ্যোগে সারা দেশে প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক গীতা শিক্ষার্থী বার্ষিক গীতা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।

আপডেট সময় : ০৮:৫৬:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

গীতার আলো ঘরে ঘরে জ্বালো’ স্লোগানকে সামনে রেখে দেশে প্রথমবারের মতো অভিন্ন সিলেবাসে ‘বার্ষিক গীতা ও নৈতিক শিক্ষা পরীক্ষা-২০২৫’ আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক)। আগামী ৯ জানুয়ারি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারাদেশের বিভিন্ন মঠ-মন্দির, বিদ্যালয় ও কলেজসহ নির্ধারিত পরীক্ষা কেন্দ্রসমূহে এই পরীক্ষা একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। আজ চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লাস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০০৯ সালে চট্টগ্রামের অভয়মিত্র মহাশ্মশানে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে সনাতনী শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলছে। বর্তমানে দেশের ৫৮টি জেলায় ১০ সহস্রাধিক গীতা শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে বাগীশিক তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এবারের পরীক্ষায় সারাদেশে আনুমানিক অর্ধ-লক্ষাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরের ১১টি থানায় প্রায় আড়াই হাজার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার ৭টি উপজেলায় ৫ হাজার এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার ৮টি উপজেলায় প্রায় সাড়ে ছয় হাজার পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। এছাড়া ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, বরিশাল ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে স্থানীয় সংসদগুলোর সমন্বয়ে এই পরীক্ষা পরিচালিত হবে।

বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি মাদারীপুর জেলা সংসদের উদ্যোগে এফ এইচ কিন্ডারগার্টেন কেন্দ্রে শতাধিক শিক্ষার্থী গীতা ও নৈতিক শিক্ষা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পরীক্ষার সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য একটি বিশেষ শিক্ষা বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা এডভোকেট দিলীপ কুমার ভট্টাচার্য। এছাড়া বোর্ডের সচিব হিসেবে বিশিষ্ট সমাজসেবী ও কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা লায়ন শম্ভু দাশ এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক তপন কান্তি নাথ দায়িত্ব পালন করছেন। এই পরীক্ষার মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও তরুণ সমাজকে গীতায় বর্ণিত নৈতিক শিক্ষায় দীক্ষিত করে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই বাগীশিকের মূল লক্ষ্য।

সংবাদ সম্মেলনে বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ঝন্টু চৌধুরী বলেন, কেবল আধ্যাত্মিকতা নয়, বরং নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে তোলাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রামের তিনটি সংসদ বিগত কয়েক বছর ধরে স্বতন্ত্র পরীক্ষা পদ্ধতি চালু রাখায় এবছর তারা শেষবারের মতো ভিন্ন সিলেবাসে পরীক্ষা দেবে এবং আগামী বছর থেকে সারাদেশের সাথে পূর্ণাঙ্গ অভিন্ন সিলেবাসে যুক্ত হবে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে তিনি প্রশাসন, অভিভাবক ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিবর্গসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।