ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
বিসিক এর জিএম,পিডি মোঃ হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন? মোহনা টিভির চেয়ারম্যান,এমডি কারাগারে, মব গোষ্ঠির দখলে মোহনা টিভি!  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মহিলা সংরক্ষিত আসনে এমপি মনোনীত হলেন হেলেন জেরিন খান। মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! অসীম ক্ষমতাধর মাসুদুল ইসলাম একসাথে পাঁচ পদের দায়িত্বে।  বিআইডব্লিউটিএ’ র বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। দেশের জ্বালানী ও অর্থনীতি সংকটেও বিআইডব্লিউটিএতে বিলাসী বনভোজনের নামে অর্থ ও জ্বালানি অপচয়ে মনোরঞ্জন।  বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির ফ্যামিলি ডে ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন। “যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত”—মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্বাধীনতা পদক–২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা প্রদান। চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া রসুলবাগ ‘চাক্তাই ডাইভারশন খালটি’ সংস্কার জরুরী। আমতলীতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকারে, বিপাকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকরা।

মাগুরায় বিশ্বজিৎ মহুরীর এতো টাকা ও সম্পদের উৎস কোথায়?

নাম বিশ্বজিৎ ওরফে বিশ্ব মহুরি। বাড়ি মাগুরা সদর উপজেলার ইছাখাদা গ্রামে। মাগুরা জেলা জজ কোর্টের একজন আইনজীবী সহকারী ( মহুরী) হিসেবে কর্মরত।

ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের আমলে তার বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক অর্থ সম্পদের মালিক হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

কথিত আছে যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে মাগুরার বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা অবৈধ অর্থ সম্পদ এই বিশ্বজিৎ মহুরীর কাছে গচ্ছিত রাখেন।

বিশেষ করে মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বাবু পঙ্কজ কুমার কুন্ডুর ক্যাশিয়ার কাম ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন এই বিশ্বজিত মহুরী।

ততসময়ে পঙ্কজ কুমার কুন্ডুর যাবতীয় ব্যবসা বাণিজ্য ও কমিশনের টাকা বিশ্বজিৎ এর কাছে জমা হতো। এ ছাড়া নিয়োগ ও তদবির বাণিজ্য করতেন।

কথিত আছে আওয়ামী লীগ আমলের অবৈধ টাকা দিয়ে বিশ্বজিৎ তার গ্রামের বাড়িতে পাকা বাড়ি নির্মাণ করেছেন।

মাগুরা শহরের জজ কোর্টের সামনে কলেজ পাড়ায় ৫ তলা একটি বাড়ি ক্রয় করেছেন।

একাধিক বাস ক্রয় করে পরিবহন ব্যবসা করছেন। তার শ্বশুর বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার কালিগন্জে ৫০/৬০ কোটি টাকার জমি ক্রয় করেছেন। কিছুদিন আগে একটি সরকারী দপ্তর থেকে এক বিএনপি নেতার সহযোগীতায় ৫৫ লাখ টাকার ঠিকাদারি বিল তুলে নিয়েছেন।

কিছুদিন পুর্বে ইছাখাদা নতুন বাজারে ২ কোটি টাকা দিয়ে একটি দোতলা একটি মার্কেট ক্রয় করেছেন। মাগুরা শহর ও ইছাখাদায় আরো কয়েক একর জমিও ক্রয় করেছেন।

গত বছর জুন মাসে শক্রজিৎপুরে ২৬ শতক জমি কিনেছেন যার মুল্য ২ কোটি ২১ লক্ষ টাকা।

মাগুরার অনেক পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের টাকা তার নিকট রক্ষিত আছে বলে শোনা যাচ্ছে।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে বিশ্বজিৎ ও মাগুরা থেকে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে প্রায় এক বছর পালিয়ে থেকে জেলা বিএনপির একজন নেতাকে মোটা অংকের টাকা নজরানা দিয়ে মাগুরায় ফিরে এসে এখন আবার জেলা জজ আদালতে মহুরীর কাজ করছেন।

প্রশ্ন হলোঃ জেলা জজ কোর্টের একজন আইনজীবী সহকারী ( মহুরী) হয়ে তিনি এতে টাকা ও সম্পদ কিভাবে অর্জন করলেন?

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বিশ্বজিৎ এর মোবাইল ফোনে কল করলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।

বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য গোয়েন্দা সংস্থা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের পদক্ষেপ কামনা করেছেন মাগুরাবাসী।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

বিসিক এর জিএম,পিডি মোঃ হাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন?

মাগুরায় বিশ্বজিৎ মহুরীর এতো টাকা ও সম্পদের উৎস কোথায়?

আপডেট সময় : ১০:১৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নাম বিশ্বজিৎ ওরফে বিশ্ব মহুরি। বাড়ি মাগুরা সদর উপজেলার ইছাখাদা গ্রামে। মাগুরা জেলা জজ কোর্টের একজন আইনজীবী সহকারী ( মহুরী) হিসেবে কর্মরত।

ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের আমলে তার বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক অর্থ সম্পদের মালিক হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

কথিত আছে যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে মাগুরার বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা অবৈধ অর্থ সম্পদ এই বিশ্বজিৎ মহুরীর কাছে গচ্ছিত রাখেন।

বিশেষ করে মাগুরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বাবু পঙ্কজ কুমার কুন্ডুর ক্যাশিয়ার কাম ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন এই বিশ্বজিত মহুরী।

ততসময়ে পঙ্কজ কুমার কুন্ডুর যাবতীয় ব্যবসা বাণিজ্য ও কমিশনের টাকা বিশ্বজিৎ এর কাছে জমা হতো। এ ছাড়া নিয়োগ ও তদবির বাণিজ্য করতেন।

কথিত আছে আওয়ামী লীগ আমলের অবৈধ টাকা দিয়ে বিশ্বজিৎ তার গ্রামের বাড়িতে পাকা বাড়ি নির্মাণ করেছেন।

মাগুরা শহরের জজ কোর্টের সামনে কলেজ পাড়ায় ৫ তলা একটি বাড়ি ক্রয় করেছেন।

একাধিক বাস ক্রয় করে পরিবহন ব্যবসা করছেন। তার শ্বশুর বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার কালিগন্জে ৫০/৬০ কোটি টাকার জমি ক্রয় করেছেন। কিছুদিন আগে একটি সরকারী দপ্তর থেকে এক বিএনপি নেতার সহযোগীতায় ৫৫ লাখ টাকার ঠিকাদারি বিল তুলে নিয়েছেন।

কিছুদিন পুর্বে ইছাখাদা নতুন বাজারে ২ কোটি টাকা দিয়ে একটি দোতলা একটি মার্কেট ক্রয় করেছেন। মাগুরা শহর ও ইছাখাদায় আরো কয়েক একর জমিও ক্রয় করেছেন।

গত বছর জুন মাসে শক্রজিৎপুরে ২৬ শতক জমি কিনেছেন যার মুল্য ২ কোটি ২১ লক্ষ টাকা।

মাগুরার অনেক পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের টাকা তার নিকট রক্ষিত আছে বলে শোনা যাচ্ছে।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে বিশ্বজিৎ ও মাগুরা থেকে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে প্রায় এক বছর পালিয়ে থেকে জেলা বিএনপির একজন নেতাকে মোটা অংকের টাকা নজরানা দিয়ে মাগুরায় ফিরে এসে এখন আবার জেলা জজ আদালতে মহুরীর কাজ করছেন।

প্রশ্ন হলোঃ জেলা জজ কোর্টের একজন আইনজীবী সহকারী ( মহুরী) হয়ে তিনি এতে টাকা ও সম্পদ কিভাবে অর্জন করলেন?

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বিশ্বজিৎ এর মোবাইল ফোনে কল করলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।

বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য গোয়েন্দা সংস্থা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের পদক্ষেপ কামনা করেছেন মাগুরাবাসী।