নিজেকে জাহির করেন নিষিদ্ধ লেখিকা তাসলিমা নাসরিণের অনুসারি হিসেবে। এ কারণে তার ফেসবুক ওয়াল জুড়ে কেবলই যৌনতার সুড়সুড়ি। তিনি আর কেও না, ঝিনাইদহ স্টেডিয়ামপাড়ার চারুগৃহ শিশুস্বর্গের শিক্ষক মাওয়া জান্নাত।
তার ফেসবুক ওয়াল ঘুরে দেখা গেছে তিনি একাধিক কবিতা লেখেন ঈঙ্গিতপুর্ন। আছে যৌনতার সুড়সুড়ি দেওয়া একাধি ছবি। দেখে মুসলিম মনে হরেও ঘোরেন পূজাপার্বনে। ভারতের কামরুখ কামাখ্খার অনেক ছবি তার ওয়ালে শোভা পাচ্ছে। ৯৯% মুসলিম দেশে এবার তিনি সরাসরি যৌনকর্মের ছবি প্রকাশ করেছেন, তাও আবার পবিত্র রমজান মাসে। এ নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঝিনাইদহের তৌহিদী জনতা।
এ ঘটনায় রোববার ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিবের নেতৃত্বে একদল ইমাম পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করেছেন। পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল সদর থানার ওসিকে ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ সুপারের নির্দেশ পেয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার এসআই আসাদুজ্জামান ওই নারীকে তার ফেসবুক ওয়াল থেকে নগ্ন ছবি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন, কিন্তু তিনি পুলিশকে শুনিয়ে দিয়েছেন নিজের স্বাধীনতার বানী। এদিকে চারুগৃহের শিক্ষক মাওয়া জান্নাতের এহেন ইসলাম বিরোধী কর্মকান্ড নজরদারীতে এনেছে সরকারের কয়েটি গোয়েন্দা বিভাগ।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সেন্ট্রাল মসিজেদের খতিব মাওলানা সাইদুর রহমান জানান, সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশে ফেসবুকে এ ধারণের নগ্ন ও যৌনতার ছবি প্রকাশ করে বেহায়াপনা মেনে নেওয়া হবে না। আমরা এঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে এসেছি। আশা করি পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
পূজা উদযাপন ফ্রন্টের জেলা আহবায়ক মিলন ঘোষ জানান, প্রকাশ্য যৌনতা কোন ধর্ম সমর্থন করে না। মাওয়া জান্নাত নামে ওই নারী যেভাবে তার ফেসবুকে ইঙ্গিতপুর্ণ কবিতা ও যৌনকর্মের ছবি প্রকাশ করছে তা সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে পারে।
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি 

















