ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে অসহায় পরিবারকে ১০ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান।। পঞ্চগড়ের কৃতী সন্তান খুকৃবি শিক্ষার্থী মারুফের বিস্ময়কর উদ্ভাবন : CGPA Tracker App  বিআইডব্লিউটিএর আরিফ উদ্দিনের অবৈধ সিন্ডিকেট, হাজার কোটি টাকার লুটপাটের মহোৎসব। অবৈধ দখল-বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের ভয়াবহ চিত্র। আদিতমারীতে নারীকে গণধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ, এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। আমতলীতে এতিম মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, পাষণ্ড খালু গ্রেপ্তার। বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত। নিহতের চারজন একই পরিবারের। চট্টগ্রামের বায়েজীদে দেয়াল ধসে শিশুমৃত্যু: অবৈধ পলিথিন কারখানা ঘিরে ক্ষোভ ও আতঙ্ক। হয়রানি মামলার অভিযোগে,ভুক্তভোগীর সংবাদ সম্মেলন।। বাঁশখালীর শীলকূপে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ও জুয়ার সাথে জড়িত ১৩ জন আটক। ঠাকুরগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক গুম সপ্তাহ পালিত// ন্যায়বিচার,ক্ষতিপূরণ এবং পুনরাবৃত্তিহীনতার নিশ্চয়তা নিশ্চিত সহ ৫ দফা দাবিতে মানববন্ধন।

অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করেছেন মাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার।

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭০ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করে মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা নিজ একাউন্টে রেখে প্রধান শিক্ষকদের হয়রানি, বদলি বানিজ্যেসহ বিভিন্ন অনিয়মে লিপ্ত রয়েছেন রমাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত। তার অনিয়ম গুলো হলো-

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে মাদারীপুরে ৩৯ টি নির্বাচন কেন্দ্র মেরামতের জন্য ১ কোটির ও অধিক টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় যা ১০ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু বড়ই পরিতাপের বিষয় তিনি টাকা গুলো প্রধান শিক্ষকদের পরিশোধ না করে নিজের একাউন্টেই রেখে প্রধান শিক্ষকদের বিল পাশের জন্য প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে উল্টো ঘুষ চাচ্ছেন। চাকুরির ভয়ে প্রধান শিক্ষকরা মুখ খুলছেননা।

এছাড়াও ব্রড-ব্যান্ড/ ওয়াইফাই বাবদ প্রতিমাসে ১০০০/টাকা করে প্রধান শিক্ষকদের এ্যাকাউন্টে দেয়ার কথা থাকলেও সেই টাকাও তার একাউন্টেই রেখেছেন। বিল দিচ্ছেন না প্রধান শিক্ষকদের।

যদিও রাজৈর,কালকিনি,ডাসার এবং শিবচরে সমস্ত বিল প্রধান শিক্ষকদের একাউন্ট ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে।শুধু তাই নয়, মাদারীপুর সদর উপজেলার উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসাবে যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ লেগেই আছে যার মধ্যে ১৮৭ নং দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। ফলে সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার পাল সাবিনা ইয়াসমিনকে দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর থেকে পূর্বরাস্তি সঃপ্রাবি এ প্রশাসনিক বদলি করেন। বদলি নীতিমালায় বলা আছে,একজন ব্যক্তি প্রশাসনিক বদলি হলে ২ বছরের মধ্যে অন্যত্র বদলি হতে পারবে না। কিন্তু বর্তমান উপজেলা শিক্ষা অফিসার কোন নীতিমালার তোয়াক্কা না করে বদলি বানিজ্য করে তাকে পূর্বের স্কুলেই পুনরায় পাঠিয়ে দেন যা নিয়ে জনমনে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত হোসেন বলেন বিল তৈরি করতে একটু সময় লাগছে। ওয়াইফাই বিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষকরা এখনো প্রতিবেদন জমা দেননি। অনৈকভাবে সহকারী শিক্ষিকাকে বদলির ব্যাপারে তিনি বলেন বিষয়টি আমার মনে নেই। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াদিয়া সাবাব বলেন ওকে আমি বিষয়গুলো দেখবো।

 

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ফজলে এলাহি বলেন কেন্দ্র মেরামতের বিলতো নির্বাচনের আগেই দেওয়ার কথা এখনো দেয়নি কেন আমি তাকে বলবো। অন্যান্য বিষয় গুলো নিয়েও আমি তাকে অবশ্যই জিজ্ঞেস করবো।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে অসহায় পরিবারকে ১০ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান।।

অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করেছেন মাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার।

আপডেট সময় : ১২:০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

 

কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করে মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা নিজ একাউন্টে রেখে প্রধান শিক্ষকদের হয়রানি, বদলি বানিজ্যেসহ বিভিন্ন অনিয়মে লিপ্ত রয়েছেন রমাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত। তার অনিয়ম গুলো হলো-

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে মাদারীপুরে ৩৯ টি নির্বাচন কেন্দ্র মেরামতের জন্য ১ কোটির ও অধিক টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় যা ১০ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু বড়ই পরিতাপের বিষয় তিনি টাকা গুলো প্রধান শিক্ষকদের পরিশোধ না করে নিজের একাউন্টেই রেখে প্রধান শিক্ষকদের বিল পাশের জন্য প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে উল্টো ঘুষ চাচ্ছেন। চাকুরির ভয়ে প্রধান শিক্ষকরা মুখ খুলছেননা।

এছাড়াও ব্রড-ব্যান্ড/ ওয়াইফাই বাবদ প্রতিমাসে ১০০০/টাকা করে প্রধান শিক্ষকদের এ্যাকাউন্টে দেয়ার কথা থাকলেও সেই টাকাও তার একাউন্টেই রেখেছেন। বিল দিচ্ছেন না প্রধান শিক্ষকদের।

যদিও রাজৈর,কালকিনি,ডাসার এবং শিবচরে সমস্ত বিল প্রধান শিক্ষকদের একাউন্ট ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে।শুধু তাই নয়, মাদারীপুর সদর উপজেলার উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসাবে যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ লেগেই আছে যার মধ্যে ১৮৭ নং দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। ফলে সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার পাল সাবিনা ইয়াসমিনকে দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর থেকে পূর্বরাস্তি সঃপ্রাবি এ প্রশাসনিক বদলি করেন। বদলি নীতিমালায় বলা আছে,একজন ব্যক্তি প্রশাসনিক বদলি হলে ২ বছরের মধ্যে অন্যত্র বদলি হতে পারবে না। কিন্তু বর্তমান উপজেলা শিক্ষা অফিসার কোন নীতিমালার তোয়াক্কা না করে বদলি বানিজ্য করে তাকে পূর্বের স্কুলেই পুনরায় পাঠিয়ে দেন যা নিয়ে জনমনে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত হোসেন বলেন বিল তৈরি করতে একটু সময় লাগছে। ওয়াইফাই বিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষকরা এখনো প্রতিবেদন জমা দেননি। অনৈকভাবে সহকারী শিক্ষিকাকে বদলির ব্যাপারে তিনি বলেন বিষয়টি আমার মনে নেই। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াদিয়া সাবাব বলেন ওকে আমি বিষয়গুলো দেখবো।

 

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ফজলে এলাহি বলেন কেন্দ্র মেরামতের বিলতো নির্বাচনের আগেই দেওয়ার কথা এখনো দেয়নি কেন আমি তাকে বলবো। অন্যান্য বিষয় গুলো নিয়েও আমি তাকে অবশ্যই জিজ্ঞেস করবো।