ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচারের’ অভিযোগ : কর্মকর্তাদের পক্ষে তিন সংগঠনের তীব্র প্রতিবাদ, নরসিংদী কারাগার প্রকল্পের চুক্তি বাতিল ঘিরে নতুন আলোচনা ‎ গোপালগঞ্জের হিন্দু যুবকের প্রেমে টানে কুড়িগ্রামের মুসলিম তরুণী মহারাজপুর হাজির ‎ খুলনায় ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা ‎ যেখানে-সেখানে ময়লা নয়, শহরকে নিজের ঘরের মতো ভালোবাসার আহ্বান সুনামগঞ্জে ব্যাটারী চালিত অটো রিকশায় নতুন নম্বর প্লেট প্রদানের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন মালিক শ্রমিক সমবায় পরিষদ গোপালগঞ্জে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপের ধাক্কা, হেলপার নিহত ফজলুল হক মিলন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ‎নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গাজীপুর-৫ বাসীর অভিনন্দন মুন্সীগঞ্জের হোগলাকান্দিতে ডিবির অভিযানে ৫০০ পিস ইয়াবাসহ ০১ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জের সকল থানা এলাকায় পরিচালিত বিশেষ পুলিশি অভিযানে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যসহ মোট ৭১ জন আসামী গ্রেফতার। নেত্রকোনায় পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের হাতে বাবা খুন

অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করেছেন মাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার।

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৫৯ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করে মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা নিজ একাউন্টে রেখে প্রধান শিক্ষকদের হয়রানি, বদলি বানিজ্যেসহ বিভিন্ন অনিয়মে লিপ্ত রয়েছেন রমাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত। তার অনিয়ম গুলো হলো-

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে মাদারীপুরে ৩৯ টি নির্বাচন কেন্দ্র মেরামতের জন্য ১ কোটির ও অধিক টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় যা ১০ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু বড়ই পরিতাপের বিষয় তিনি টাকা গুলো প্রধান শিক্ষকদের পরিশোধ না করে নিজের একাউন্টেই রেখে প্রধান শিক্ষকদের বিল পাশের জন্য প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে উল্টো ঘুষ চাচ্ছেন। চাকুরির ভয়ে প্রধান শিক্ষকরা মুখ খুলছেননা।

এছাড়াও ব্রড-ব্যান্ড/ ওয়াইফাই বাবদ প্রতিমাসে ১০০০/টাকা করে প্রধান শিক্ষকদের এ্যাকাউন্টে দেয়ার কথা থাকলেও সেই টাকাও তার একাউন্টেই রেখেছেন। বিল দিচ্ছেন না প্রধান শিক্ষকদের।

যদিও রাজৈর,কালকিনি,ডাসার এবং শিবচরে সমস্ত বিল প্রধান শিক্ষকদের একাউন্ট ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে।শুধু তাই নয়, মাদারীপুর সদর উপজেলার উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসাবে যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ লেগেই আছে যার মধ্যে ১৮৭ নং দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। ফলে সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার পাল সাবিনা ইয়াসমিনকে দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর থেকে পূর্বরাস্তি সঃপ্রাবি এ প্রশাসনিক বদলি করেন। বদলি নীতিমালায় বলা আছে,একজন ব্যক্তি প্রশাসনিক বদলি হলে ২ বছরের মধ্যে অন্যত্র বদলি হতে পারবে না। কিন্তু বর্তমান উপজেলা শিক্ষা অফিসার কোন নীতিমালার তোয়াক্কা না করে বদলি বানিজ্য করে তাকে পূর্বের স্কুলেই পুনরায় পাঠিয়ে দেন যা নিয়ে জনমনে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত হোসেন বলেন বিল তৈরি করতে একটু সময় লাগছে। ওয়াইফাই বিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষকরা এখনো প্রতিবেদন জমা দেননি। অনৈকভাবে সহকারী শিক্ষিকাকে বদলির ব্যাপারে তিনি বলেন বিষয়টি আমার মনে নেই। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াদিয়া সাবাব বলেন ওকে আমি বিষয়গুলো দেখবো।

 

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ফজলে এলাহি বলেন কেন্দ্র মেরামতের বিলতো নির্বাচনের আগেই দেওয়ার কথা এখনো দেয়নি কেন আমি তাকে বলবো। অন্যান্য বিষয় গুলো নিয়েও আমি তাকে অবশ্যই জিজ্ঞেস করবো।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচারের’ অভিযোগ : কর্মকর্তাদের পক্ষে তিন সংগঠনের তীব্র প্রতিবাদ, নরসিংদী কারাগার প্রকল্পের চুক্তি বাতিল ঘিরে নতুন আলোচনা ‎

অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করেছেন মাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার।

আপডেট সময় : ১২:০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

 

কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করে মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা নিজ একাউন্টে রেখে প্রধান শিক্ষকদের হয়রানি, বদলি বানিজ্যেসহ বিভিন্ন অনিয়মে লিপ্ত রয়েছেন রমাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত। তার অনিয়ম গুলো হলো-

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে মাদারীপুরে ৩৯ টি নির্বাচন কেন্দ্র মেরামতের জন্য ১ কোটির ও অধিক টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় যা ১০ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু বড়ই পরিতাপের বিষয় তিনি টাকা গুলো প্রধান শিক্ষকদের পরিশোধ না করে নিজের একাউন্টেই রেখে প্রধান শিক্ষকদের বিল পাশের জন্য প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে উল্টো ঘুষ চাচ্ছেন। চাকুরির ভয়ে প্রধান শিক্ষকরা মুখ খুলছেননা।

এছাড়াও ব্রড-ব্যান্ড/ ওয়াইফাই বাবদ প্রতিমাসে ১০০০/টাকা করে প্রধান শিক্ষকদের এ্যাকাউন্টে দেয়ার কথা থাকলেও সেই টাকাও তার একাউন্টেই রেখেছেন। বিল দিচ্ছেন না প্রধান শিক্ষকদের।

যদিও রাজৈর,কালকিনি,ডাসার এবং শিবচরে সমস্ত বিল প্রধান শিক্ষকদের একাউন্ট ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে।শুধু তাই নয়, মাদারীপুর সদর উপজেলার উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসাবে যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ লেগেই আছে যার মধ্যে ১৮৭ নং দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। ফলে সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার পাল সাবিনা ইয়াসমিনকে দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর থেকে পূর্বরাস্তি সঃপ্রাবি এ প্রশাসনিক বদলি করেন। বদলি নীতিমালায় বলা আছে,একজন ব্যক্তি প্রশাসনিক বদলি হলে ২ বছরের মধ্যে অন্যত্র বদলি হতে পারবে না। কিন্তু বর্তমান উপজেলা শিক্ষা অফিসার কোন নীতিমালার তোয়াক্কা না করে বদলি বানিজ্য করে তাকে পূর্বের স্কুলেই পুনরায় পাঠিয়ে দেন যা নিয়ে জনমনে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত হোসেন বলেন বিল তৈরি করতে একটু সময় লাগছে। ওয়াইফাই বিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষকরা এখনো প্রতিবেদন জমা দেননি। অনৈকভাবে সহকারী শিক্ষিকাকে বদলির ব্যাপারে তিনি বলেন বিষয়টি আমার মনে নেই। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াদিয়া সাবাব বলেন ওকে আমি বিষয়গুলো দেখবো।

 

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ফজলে এলাহি বলেন কেন্দ্র মেরামতের বিলতো নির্বাচনের আগেই দেওয়ার কথা এখনো দেয়নি কেন আমি তাকে বলবো। অন্যান্য বিষয় গুলো নিয়েও আমি তাকে অবশ্যই জিজ্ঞেস করবো।