ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করেছেন মাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার। নদী ও পরিবেশ রক্ষায় ২০ দফা দাবি, রাজশাহীতে মানববন্ধন। সুনামগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে নব যোগদানকৃত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানের মত বিনিময়। ইতালি পাঠানোর নামে লিবিয়ায় জিম্মি ও ২২ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ সুনামগঞ্জে মানব পাচার ট্রাইব্যুনালে মামলা মোঃরফিকুল ইসলাম সোহাগ। চট্টগ্রামে ওয়াসার লাইন খননের সময় মাটি চাপায় ২ শ্রমিক নিহত। আগামী ২৫ এপ্রিল,২৬ শুরু চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা জাত- পাত বিলোপ জোটের প্রথম সাংগঠনিক কনভেনশন অনুষ্ঠিত। রাজশাহী সরকারি কলেজের নারী শিক্ষককে পেটালেন বিএনপি নেতা! রূপগঞ্জে পেটে লাথি মেরে গর্ভের সন্তান হত্যার অভিযোগ। বিসিকের টেন্ডার সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাশেদ।

অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করেছেন মাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার।

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩২ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করে মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা নিজ একাউন্টে রেখে প্রধান শিক্ষকদের হয়রানি, বদলি বানিজ্যেসহ বিভিন্ন অনিয়মে লিপ্ত রয়েছেন রমাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত। তার অনিয়ম গুলো হলো-

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে মাদারীপুরে ৩৯ টি নির্বাচন কেন্দ্র মেরামতের জন্য ১ কোটির ও অধিক টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় যা ১০ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু বড়ই পরিতাপের বিষয় তিনি টাকা গুলো প্রধান শিক্ষকদের পরিশোধ না করে নিজের একাউন্টেই রেখে প্রধান শিক্ষকদের বিল পাশের জন্য প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে উল্টো ঘুষ চাচ্ছেন। চাকুরির ভয়ে প্রধান শিক্ষকরা মুখ খুলছেননা।

এছাড়াও ব্রড-ব্যান্ড/ ওয়াইফাই বাবদ প্রতিমাসে ১০০০/টাকা করে প্রধান শিক্ষকদের এ্যাকাউন্টে দেয়ার কথা থাকলেও সেই টাকাও তার একাউন্টেই রেখেছেন। বিল দিচ্ছেন না প্রধান শিক্ষকদের।

যদিও রাজৈর,কালকিনি,ডাসার এবং শিবচরে সমস্ত বিল প্রধান শিক্ষকদের একাউন্ট ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে।শুধু তাই নয়, মাদারীপুর সদর উপজেলার উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসাবে যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ লেগেই আছে যার মধ্যে ১৮৭ নং দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। ফলে সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার পাল সাবিনা ইয়াসমিনকে দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর থেকে পূর্বরাস্তি সঃপ্রাবি এ প্রশাসনিক বদলি করেন। বদলি নীতিমালায় বলা আছে,একজন ব্যক্তি প্রশাসনিক বদলি হলে ২ বছরের মধ্যে অন্যত্র বদলি হতে পারবে না। কিন্তু বর্তমান উপজেলা শিক্ষা অফিসার কোন নীতিমালার তোয়াক্কা না করে বদলি বানিজ্য করে তাকে পূর্বের স্কুলেই পুনরায় পাঠিয়ে দেন যা নিয়ে জনমনে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত হোসেন বলেন বিল তৈরি করতে একটু সময় লাগছে। ওয়াইফাই বিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষকরা এখনো প্রতিবেদন জমা দেননি। অনৈকভাবে সহকারী শিক্ষিকাকে বদলির ব্যাপারে তিনি বলেন বিষয়টি আমার মনে নেই। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াদিয়া সাবাব বলেন ওকে আমি বিষয়গুলো দেখবো।

 

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ফজলে এলাহি বলেন কেন্দ্র মেরামতের বিলতো নির্বাচনের আগেই দেওয়ার কথা এখনো দেয়নি কেন আমি তাকে বলবো। অন্যান্য বিষয় গুলো নিয়েও আমি তাকে অবশ্যই জিজ্ঞেস করবো।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করেছেন মাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার।

অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করেছেন মাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার।

আপডেট সময় : ১২:০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

 

কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অনিয়মকেই নিয়মে পরিনত করে মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা নিজ একাউন্টে রেখে প্রধান শিক্ষকদের হয়রানি, বদলি বানিজ্যেসহ বিভিন্ন অনিয়মে লিপ্ত রয়েছেন রমাদারীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত। তার অনিয়ম গুলো হলো-

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে মাদারীপুরে ৩৯ টি নির্বাচন কেন্দ্র মেরামতের জন্য ১ কোটির ও অধিক টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয় যা ১০ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু বড়ই পরিতাপের বিষয় তিনি টাকা গুলো প্রধান শিক্ষকদের পরিশোধ না করে নিজের একাউন্টেই রেখে প্রধান শিক্ষকদের বিল পাশের জন্য প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে উল্টো ঘুষ চাচ্ছেন। চাকুরির ভয়ে প্রধান শিক্ষকরা মুখ খুলছেননা।

এছাড়াও ব্রড-ব্যান্ড/ ওয়াইফাই বাবদ প্রতিমাসে ১০০০/টাকা করে প্রধান শিক্ষকদের এ্যাকাউন্টে দেয়ার কথা থাকলেও সেই টাকাও তার একাউন্টেই রেখেছেন। বিল দিচ্ছেন না প্রধান শিক্ষকদের।

যদিও রাজৈর,কালকিনি,ডাসার এবং শিবচরে সমস্ত বিল প্রধান শিক্ষকদের একাউন্ট ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে।শুধু তাই নয়, মাদারীপুর সদর উপজেলার উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসাবে যোগদানের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ লেগেই আছে যার মধ্যে ১৮৭ নং দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। ফলে সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার তাপস কুমার পাল সাবিনা ইয়াসমিনকে দক্ষিণ পূর্ব মহিষেরচর থেকে পূর্বরাস্তি সঃপ্রাবি এ প্রশাসনিক বদলি করেন। বদলি নীতিমালায় বলা আছে,একজন ব্যক্তি প্রশাসনিক বদলি হলে ২ বছরের মধ্যে অন্যত্র বদলি হতে পারবে না। কিন্তু বর্তমান উপজেলা শিক্ষা অফিসার কোন নীতিমালার তোয়াক্কা না করে বদলি বানিজ্য করে তাকে পূর্বের স্কুলেই পুনরায় পাঠিয়ে দেন যা নিয়ে জনমনে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার শরীফ মুহাম্মদ ইমারত হোসেন বলেন বিল তৈরি করতে একটু সময় লাগছে। ওয়াইফাই বিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষকরা এখনো প্রতিবেদন জমা দেননি। অনৈকভাবে সহকারী শিক্ষিকাকে বদলির ব্যাপারে তিনি বলেন বিষয়টি আমার মনে নেই। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াদিয়া সাবাব বলেন ওকে আমি বিষয়গুলো দেখবো।

 

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার ফজলে এলাহি বলেন কেন্দ্র মেরামতের বিলতো নির্বাচনের আগেই দেওয়ার কথা এখনো দেয়নি কেন আমি তাকে বলবো। অন্যান্য বিষয় গুলো নিয়েও আমি তাকে অবশ্যই জিজ্ঞেস করবো।