ঢাকা ০৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন। রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে নতুন সাজে ঠাকুরগাঁও, রাঙিয়ে তোলা হয়েছে শহর। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব: দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন ও সমকালীন পৃথিবীতে কৃষ্ণের প্রাসঙ্গিকতা। ভাঙ্গার আলগীর ঝালডাঙ্গা বিলে শতাধিক নৌকার মহারণ, সেরা রাজৈরের ‘বৈতরণী’। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের বার্তা: অশুভের বিরুদ্ধে শুভবোধের জাগরণ- অপর্ণা রায় দাস। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউট সোর্সিং এর কাজ শতভাগ আওয়ামী প্রতিষ্ঠানের দখলে! এনআরবিসি ব্যাংকে চিহ্নিত লুটেরা চক্রের অপতৎপরতা! শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের বরিশাল শাখার ম্যানেজার হিসেবে যোগ দিলেন আবুল কালাম আজাদ নজরুল বর্ষ ও আমাদের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন: বিদ্রোহী কবির প্রাসঙ্গিকতা ও উত্তরাধিকার। যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা , সংকটের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক অভিযাত্রা।

রাজশাহীর বাঘায় সালিশি সিদ্ধান্ত অমান্য করার প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর মানববন্ধন।

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিরামপুর গ্রামে সালিশি বৈঠক ও দলিলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে জোরপূর্বক জমি দখল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও প্রিন্ট মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভুক্তভোগী বাবর আলী ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে শনিবার সকাল ১০টায় হরিরামপুর গ্রামের বিতর্কিত জমির পাশের রাস্তায় এ মানবন্ধন হয়। এতে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যসহ অর্ধশতাধিক স্থায়ী বাসিন্দা অংশ নেন।

মানবন্ধনে বাবর আলী অভিযোগ করে বলেন, তার পিতা ১৯৭৫ সালে রাজশাহী সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের ২৯৫০ নম্বর দলিল মূলে জায়েদা খাতুন ও দুংখিনী খাতুনের কাছ থেকে দুই দাগে জমি ক্রয় করেন। নামজারি সম্পন্ন হলেও প্রতিপক্ষ মো. আলাম উদ্দিন গত ৫০ বছর ধরে তা অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন।

তিনি জানান, গত ৯ মে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশি বৈঠকে কাগজপত্র দেখে উভয় পক্ষের সম্মতিতে তাকে জমির সীমানা নির্ধারণ ও দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। সীমানা খুঁটি স্থাপনের পর আলাম উদ্দিন ও তার লোকজন তা বলপ্রয়োগ করে তুলে ফেলে দেন। বর্তমানে আলাম উদ্দিন সালিশনামা গোপন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তার ও সালিশকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন বাবর আলী।

বাবর আলী বলেন, ইমান উদ্দিনের ২০.৫০ শতক জমি মকবুল ও নাতনী চেনু বেগমের দখলে এবং চাহার উদ্দিনের ২০.৫ শতক জমি আলাম ও কালামের দখলে রয়েছে। তারা রাস্তার পাশে জমি পেলে এসএ ও আরএস রেকর্ডীয় প্রজা হিসেবে তিনি কেন রাস্তার সাথে জমি পাবেন না। সার্ভেয়ারের মাধ্যমে নির্ধারিত সীমানায় পূর্ব পাশের পিলার থেকে ২৫ ফুট ও পশ্চিম পাশের পিলার থেকে ১৭ ফুট দূরে তাদের বাড়ি রয়েছে, তাই বাড়ি ভাঙার আশঙ্কা ভিত্তিহীন।

৩ নম্বর পাকুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অমল থান্ডার বলেন, সালিশে উভয় পক্ষের সম্মতিতেই জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আলাম উদ্দিন সালিশকারীদের বিরুদ্ধে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা মিথ্যা ও বানোয়াট। এটি উপস্থিত সম্মানিত ব্যক্তিদের মান ক্ষুণ্ণ করেছে।

সালিশে উপস্থিত সাবেক ইউপি সদস্য ছিয়ার উদ্দিন জানান, উভয় পক্ষের উপস্থিতেই সুষ্ঠু বিচার করা হয়েছিল। আলাম উদ্দিনের দেওয়া তথ্য বিভ্রান্তিকর।

মানবন্ধন থেকে বাঘা উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বাবর আলীকে তার ন্যায্য জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়।

এই বিষয়ে আমাল উদ্দিন বলেন,আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ যে কথা বলা হচ্ছে তা পুরোপুরি সত্য না।আমি শুধু আমার বাড়ি সাথে পজিশন সেটা ছেড়ে অন্য কোথাও জমি দিতে চেয়েছি।সে তারা মানতে নারাজ।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন।

রাজশাহীর বাঘায় সালিশি সিদ্ধান্ত অমান্য করার প্রতিবাদে ভুক্তভোগীর মানববন্ধন।

আপডেট সময় : ১১:১৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিরামপুর গ্রামে সালিশি বৈঠক ও দলিলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে জোরপূর্বক জমি দখল এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও প্রিন্ট মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ভুক্তভোগী বাবর আলী ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে শনিবার সকাল ১০টায় হরিরামপুর গ্রামের বিতর্কিত জমির পাশের রাস্তায় এ মানবন্ধন হয়। এতে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যসহ অর্ধশতাধিক স্থায়ী বাসিন্দা অংশ নেন।

মানবন্ধনে বাবর আলী অভিযোগ করে বলেন, তার পিতা ১৯৭৫ সালে রাজশাহী সদর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের ২৯৫০ নম্বর দলিল মূলে জায়েদা খাতুন ও দুংখিনী খাতুনের কাছ থেকে দুই দাগে জমি ক্রয় করেন। নামজারি সম্পন্ন হলেও প্রতিপক্ষ মো. আলাম উদ্দিন গত ৫০ বছর ধরে তা অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন।

তিনি জানান, গত ৯ মে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশি বৈঠকে কাগজপত্র দেখে উভয় পক্ষের সম্মতিতে তাকে জমির সীমানা নির্ধারণ ও দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। সীমানা খুঁটি স্থাপনের পর আলাম উদ্দিন ও তার লোকজন তা বলপ্রয়োগ করে তুলে ফেলে দেন। বর্তমানে আলাম উদ্দিন সালিশনামা গোপন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তার ও সালিশকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন বাবর আলী।

বাবর আলী বলেন, ইমান উদ্দিনের ২০.৫০ শতক জমি মকবুল ও নাতনী চেনু বেগমের দখলে এবং চাহার উদ্দিনের ২০.৫ শতক জমি আলাম ও কালামের দখলে রয়েছে। তারা রাস্তার পাশে জমি পেলে এসএ ও আরএস রেকর্ডীয় প্রজা হিসেবে তিনি কেন রাস্তার সাথে জমি পাবেন না। সার্ভেয়ারের মাধ্যমে নির্ধারিত সীমানায় পূর্ব পাশের পিলার থেকে ২৫ ফুট ও পশ্চিম পাশের পিলার থেকে ১৭ ফুট দূরে তাদের বাড়ি রয়েছে, তাই বাড়ি ভাঙার আশঙ্কা ভিত্তিহীন।

৩ নম্বর পাকুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অমল থান্ডার বলেন, সালিশে উভয় পক্ষের সম্মতিতেই জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আলাম উদ্দিন সালিশকারীদের বিরুদ্ধে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা মিথ্যা ও বানোয়াট। এটি উপস্থিত সম্মানিত ব্যক্তিদের মান ক্ষুণ্ণ করেছে।

সালিশে উপস্থিত সাবেক ইউপি সদস্য ছিয়ার উদ্দিন জানান, উভয় পক্ষের উপস্থিতেই সুষ্ঠু বিচার করা হয়েছিল। আলাম উদ্দিনের দেওয়া তথ্য বিভ্রান্তিকর।

মানবন্ধন থেকে বাঘা উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বাবর আলীকে তার ন্যায্য জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়।

এই বিষয়ে আমাল উদ্দিন বলেন,আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ যে কথা বলা হচ্ছে তা পুরোপুরি সত্য না।আমি শুধু আমার বাড়ি সাথে পজিশন সেটা ছেড়ে অন্য কোথাও জমি দিতে চেয়েছি।সে তারা মানতে নারাজ।