আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে একগুচ্ছ বিশেষ নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, হাইওয়ে সড়কের উপরে বা পাশে কোনোভাবেই কোরবানির পশুর হাট বসানো যাবে না।
সড়ক ও মহাসড়ক ব্যবস্থাপনায় কঠোরতা :সড়কে যানজট নিরসন এবং পশুর ট্রাক চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মন্ত্রী বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন:
মোবাইল কোর্ট: ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে ৬৯টি মোবাইল কোর্ট সক্রিয় থাকবে, যা সড়কের অযাচিত যানজট নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে।
গরুর ট্রাক মনিটরিং: কোরবানির পশুর ট্রাক চলাচলের সুবিধার জন্য ধোলাইপাড়, আব্দুল্লাহপুর ও গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
যাত্রী ওঠানামা: যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে মালিক ও যাত্রীদের সচেতন থাকতে বলা হয়েছে।
নিরাপত্তা বাহিনী: হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সড়কে উপস্থিত থাকবেন।নৌপথ ও ফেরি পারাপারে কড়াকড়ি দুর্ঘটনা এড়াতে নৌপথেও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে:
ফেরি পারাপার: বাসে যাত্রী থাকা অবস্থায় ফেরিতে ওঠা যাবে না। ফেরিতে ওঠার আগে বাধ্যতামূলকভাবে যাত্রীদের বাস থেকে নামতে হবে।
গতি নিয়ন্ত্রণ: ফেরিতে ওঠার সময় বাসের গতি নিয়ন্ত্রণ এবং পল্টুনে ব্যারিকেড দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
লঞ্চে ওঠা: স্পিডবোট বা ছোট নৌকা থেকে মাঝনদীতে লঞ্চে ওঠা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যাত্রীদের কেবল টার্মিনাল থেকেই লঞ্চে উঠতে হবে।
গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য পরামর্শ
সড়কে অতিরিক্ত চাপ কমাতে তৈরি পোশাক শিল্পের (গার্মেন্টস) মালিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি শ্রমিকদের একযোগে ছুটি না দিয়ে পর্যায়ক্রমে তিন দিনে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
সেতুমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে যাতে এবারের ঈদযাত্রা গতবারের চেয়েও বেশি স্বস্তিদায়ক হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















