নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বেইজ স্কুলের ‘ও’ লেভেলের মেধাবী ছাত্র মোঃ ইয়াছিন আরাফাত (১৭) গত ১১/০৮/২০২৫ খ্রি. তারিখে মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় তার মা নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় জিডি করেন। দুইদিন পরে ১৩/০৮/২০২৫ খ্রি. তারিখে সিদ্ধিরগঞ্জপুল এলাকার ডিএন্ডডি লেকপাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার মামলা নং -২৮, তারিখ -১৯/১০/২৫ খ্রি., ধারা- ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড দায়ের করেন। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ মামলার রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে মামলার তদন্তভার পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার নিকট ন্যস্ত করা হয়। বর্তমানে এসআই (নি:) মোঃ মনিরুজ্জামান মামলাটির তদন্ত করছেন।
পিবিআই এর তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ০৫/০৫/২০২৬ খ্রি. তারিখে ডিএমপি ঢাকার ডেমরা থানা এলাকা থেকে মূল আসামি মোঃ আজিম হোসাইন (২৭)-কে গ্রেফতার করে। জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিনে ডিএমপি কদমতলী থানাধীন শনিরআখরা এলাকা থেকে মোঃ ফয়সাল (২৭) এবং রূপগঞ্জের বরাব এলাকা থেকে নুসরাত জাহান মিম (২৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। গত
০৬/০৫/২০২৬ খ্রি. তারিখে আসামি মোঃ আজিম হোসাইন
আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।
পিবিআই এর তদন্তে এবং আসামীর জবানবন্দি থেকে জানা যায় যে, আসামিরা পূর্ব বিরোধের জেরে ইয়াছিন আরাফাতকে হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে সিদ্ধিরগঞ্জপুল এলাকার ডিএন্ডডি লেকে ফেলে দেয়। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি 


















