ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
ফকিরহাটে কৃষক দল নেতা খুনের মামলায় গ্রেপ্তার-২। সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসারের অপসারণ দাবিতে নারী খেলোয়াড়দের মানববন্ধন। প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে নবীনগরে যুবক, এলাকায় কৌতূহল ও সতর্কবার্তা। কয়রায় জামায়াত কর্মীকে ‘এমপির এপিএস’ বলে অপপ্রচার, ভিত্তিহীন তথ্যে এলাকা জুড়ে তীব্র ক্ষোভ সাব রেজিস্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর অবৈধ সম্পদের পাহাড় ! প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দুপুরের খাবারের মেনুতে নেই কোন রাজকীয়তার ভাব। রাষ্ট্রীয় সততার অনন্য নজির। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই বিআইএমে আউটসোর্সিংয়ের নোয়া প্রদান। প্রাণিসম্পদের প্রকল্প পরিচালক ডা.আব্দুর রহিমের হাতে কর্মকর্তারা জিম্মি ! আওয়ামী ঠিকাদারের নিকট থেকে ৩ কোটি টাকার উৎকোচ গ্রহনের অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের শোকজ। ফুলবাড়ী ২৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের বিজিবি কর্তৃক বিপুল পরিমানে নেশাজাতীয় ট্যাবলেড ও যৌন উত্তেজক সিরাপ উদ্ধার। নেটওয়ার্কের খোঁজে আমগাছের ডালে প্রধান শিক্ষক, অনলাইন হাজিরা দিতে জীবনের ঝুঁকি।

পাঠ্যপুস্তকে ব্যক্তি অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি অবদান বিবেচনা করা উচিত – এডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:০৬:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ২৭ জন সংবাদটি পড়েছেন

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তকে কোনো ব্যক্তির জীবন ও কর্ম অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে আবেগ, সাময়িক জনপ্রিয়তা বা রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তে তার দীর্ঘমেয়াদি অবদান, আদর্শিক প্রভাব এবং সমাজে স্থায়ী ইতিবাচক ভূমিকা বিবেচনা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব এডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ওসমান হাদীর জীবন ও কর্মকাণ্ড পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে যে আলোচনা চলছে, তা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তি অল্প সময়ে পরিচিতি লাভ করলেই তাকে শিক্ষার্থীদের জন্য আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন করা সমীচীন নয়।

তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় ওসমান হাদী পরিচিতি পেলেও তার দীর্ঘ রাজনৈতিক, সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় অবদানের কোনো সুপ্রতিষ্ঠিত ইতিহাস এখনো গড়ে ওঠেনি। শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্যপুস্তকে স্থান পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সাধারণত এমন জীবনাদর্শ তুলে ধরা হয়, যা দীর্ঘ সময় ধরে সমাজকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করেছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত।

এডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম আরও বলেন, পাঠ্যপুস্তক কোনো ব্যক্তিকে জনপ্রিয় করার মাধ্যম নয়; বরং এটি জাতির মূল্যবোধ, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আদর্শ নির্মাণের অন্যতম প্রধান উপকরণ। ফলে সেখানে অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিদের নির্বাচন করতে হবে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে।

তিনি মনে করেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, এ. কে. ফজলুল হক, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান কিংবা রুনা লায়লা-এর মতো ব্যক্তিত্বদের জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস, সংস্কৃতি, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেম সম্পর্কে সম্যক ধারণা দিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কেবল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নয়, আদর্শ কৃষক, শ্রমিক, উদ্যোক্তা, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, মুক্তিযোদ্ধা, ধর্মীয় মনীষী এবং সমাজসেবকদের জীবনসংগ্রাম ও অবদানও পাঠ্যপুস্তকে স্থান পেতে পারে। এসব বিষয় শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবন, নৈতিকতা, মানবিকতা ও কর্মপ্রেরণার সঙ্গে অধিকতর সংযুক্ত।

বিবৃতির শেষে এডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম বলেন, “জাতীয় পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের ক্ষেত্রে সাময়িক আলোচিত ব্যক্তিদের পরিবর্তে এমন ব্যক্তিত্ব ও জীবনাদর্শকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত, যাদের অবদান সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং যাদের জীবন থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম স্থায়ী শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।”

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

ফকিরহাটে কৃষক দল নেতা খুনের মামলায় গ্রেপ্তার-২।

পাঠ্যপুস্তকে ব্যক্তি অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি অবদান বিবেচনা করা উচিত – এডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম।

আপডেট সময় : ০৫:০৬:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তকে কোনো ব্যক্তির জীবন ও কর্ম অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে আবেগ, সাময়িক জনপ্রিয়তা বা রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তে তার দীর্ঘমেয়াদি অবদান, আদর্শিক প্রভাব এবং সমাজে স্থায়ী ইতিবাচক ভূমিকা বিবেচনা করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব এডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ওসমান হাদীর জীবন ও কর্মকাণ্ড পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে যে আলোচনা চলছে, তা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। কোনো ব্যক্তি অল্প সময়ে পরিচিতি লাভ করলেই তাকে শিক্ষার্থীদের জন্য আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন করা সমীচীন নয়।

তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় ওসমান হাদী পরিচিতি পেলেও তার দীর্ঘ রাজনৈতিক, সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় অবদানের কোনো সুপ্রতিষ্ঠিত ইতিহাস এখনো গড়ে ওঠেনি। শিক্ষার্থীদের জন্য পাঠ্যপুস্তকে স্থান পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সাধারণত এমন জীবনাদর্শ তুলে ধরা হয়, যা দীর্ঘ সময় ধরে সমাজকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করেছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত।

এডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম আরও বলেন, পাঠ্যপুস্তক কোনো ব্যক্তিকে জনপ্রিয় করার মাধ্যম নয়; বরং এটি জাতির মূল্যবোধ, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আদর্শ নির্মাণের অন্যতম প্রধান উপকরণ। ফলে সেখানে অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিদের নির্বাচন করতে হবে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে।

তিনি মনে করেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, এ. কে. ফজলুল হক, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান কিংবা রুনা লায়লা-এর মতো ব্যক্তিত্বদের জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস, সংস্কৃতি, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেম সম্পর্কে সম্যক ধারণা দিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, কেবল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নয়, আদর্শ কৃষক, শ্রমিক, উদ্যোক্তা, বিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, মুক্তিযোদ্ধা, ধর্মীয় মনীষী এবং সমাজসেবকদের জীবনসংগ্রাম ও অবদানও পাঠ্যপুস্তকে স্থান পেতে পারে। এসব বিষয় শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবন, নৈতিকতা, মানবিকতা ও কর্মপ্রেরণার সঙ্গে অধিকতর সংযুক্ত।

বিবৃতির শেষে এডভোকেট মোঃ ইয়ারুল ইসলাম বলেন, “জাতীয় পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের ক্ষেত্রে সাময়িক আলোচিত ব্যক্তিদের পরিবর্তে এমন ব্যক্তিত্ব ও জীবনাদর্শকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত, যাদের অবদান সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং যাদের জীবন থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম স্থায়ী শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।”