ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন। রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে নতুন সাজে ঠাকুরগাঁও, রাঙিয়ে তোলা হয়েছে শহর। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব: দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন ও সমকালীন পৃথিবীতে কৃষ্ণের প্রাসঙ্গিকতা। ভাঙ্গার আলগীর ঝালডাঙ্গা বিলে শতাধিক নৌকার মহারণ, সেরা রাজৈরের ‘বৈতরণী’। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের বার্তা: অশুভের বিরুদ্ধে শুভবোধের জাগরণ- অপর্ণা রায় দাস। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউট সোর্সিং এর কাজ শতভাগ আওয়ামী প্রতিষ্ঠানের দখলে! এনআরবিসি ব্যাংকে চিহ্নিত লুটেরা চক্রের অপতৎপরতা! শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের বরিশাল শাখার ম্যানেজার হিসেবে যোগ দিলেন আবুল কালাম আজাদ নজরুল বর্ষ ও আমাদের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন: বিদ্রোহী কবির প্রাসঙ্গিকতা ও উত্তরাধিকার। যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা , সংকটের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক অভিযাত্রা।

গোপালগঞ্জে বিচারকের বিরুদ্ধে শিক্ষানবিশ আইনজীবীর ওপর আদালতকক্ষে হামলার অভিযোগ, আইনজীবী সমিতির হস্তক্ষেপ কামনা।

গোপালগঞ্জে আদালতকক্ষে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক মো. সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিচারকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানা।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সাবিহা সুলতানা গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং সিনিয়র আইনজীবী জুলকদরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে আইন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। গত ২২ জুলাই ২০২৫ তারিখে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতে একটি মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপস্থিত হলে বিচারক মো. সুজন মিয়া তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে হাতে থাকা কাগজের পেপারওয়েট নিক্ষেপ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

 

অভিযোগে বলা হয়, নিক্ষেপ করা পেপারওয়েটটি সাবিহা সুলতানার কপালে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, এর আগেও একই বিচারক অ্যাডভোকেট দিলীপ বিশ্বাসের মোহরী আমিনুর ফকিরকে আঘাত করেন। ওই ঘটনায় আমিনুর ফকিরের কোমরের ডান পাশে গুরুতর আঘাত লাগে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া বিচারক মো. সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতকক্ষে আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও তুলেছেন কয়েকজন আইনজীবী। তাদের দাবি, আদালতে এর আগেও এ ধরনের একাধিক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষানবিশ আইনজীবী জেলা আইনজীবী সমিতির কাছে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

 

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিচারক মো. সুজন মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন।

গোপালগঞ্জে বিচারকের বিরুদ্ধে শিক্ষানবিশ আইনজীবীর ওপর আদালতকক্ষে হামলার অভিযোগ, আইনজীবী সমিতির হস্তক্ষেপ কামনা।

আপডেট সময় : ০৬:১২:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

গোপালগঞ্জে আদালতকক্ষে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক মো. সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিচারকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানা।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সাবিহা সুলতানা গোপালগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং সিনিয়র আইনজীবী জুলকদরের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে আইন পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। গত ২২ জুলাই ২০২৫ তারিখে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতে একটি মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপস্থিত হলে বিচারক মো. সুজন মিয়া তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে হাতে থাকা কাগজের পেপারওয়েট নিক্ষেপ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

 

অভিযোগে বলা হয়, নিক্ষেপ করা পেপারওয়েটটি সাবিহা সুলতানার কপালে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, এর আগেও একই বিচারক অ্যাডভোকেট দিলীপ বিশ্বাসের মোহরী আমিনুর ফকিরকে আঘাত করেন। ওই ঘটনায় আমিনুর ফকিরের কোমরের ডান পাশে গুরুতর আঘাত লাগে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া বিচারক মো. সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতকক্ষে আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও তুলেছেন কয়েকজন আইনজীবী। তাদের দাবি, আদালতে এর আগেও এ ধরনের একাধিক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষানবিশ আইনজীবী জেলা আইনজীবী সমিতির কাছে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

 

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিচারক মো. সুজন মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।