ঢাকা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারকেল চাষে ডুমুরিয়ায় বিপ্লব: আড়াই বছরেই ফলন, বছরে মিলছে ৩৫০ নারকেল। কুড়িগ্রাম ভূরুঙ্গামারী সোনাহাট স্থলবন্দরে মাদক বিরোধী মানববন্ধন।  কুমিল্লা দাউদ কান্দিতে পৃথক অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্যসহ ৩ আসামি গ্রেপ্তার। বরগুনা জেলার পাথরঘাটায় হত্যা মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক অভিযুক্ত আল আমিন’কে র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প কর্তৃক গ্রেফতার। বিদেশি সিগারেটসহ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার, ৩০ কার্টুন সিগারেট উদ্ধার। কালীগঞ্জ পৌর এলাকায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত রাস্তায় নিম্ন মানের নির্মান সামগ্রী। ১৭ বছর যাবত যুবলীগ নেতা সাঈদ মীরের দখলে মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক মালিক গ্রুপের কর্তৃত্ব! জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা। ভাইরাল গান, ভাইরাল বিতর্ক: একজন শিক্ষকের সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা নাকি পেশাগত দায়বদ্ধতার প্রশ্ন? বিয়ের আশ্বাসে সুন্দরী নারীর দেহভোগ: অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। মাগুরার সাবেক এসপি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

ফরম ফিলাপের নামে শিক্ষার্থীর টাকা আত্মসাৎ, আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অফিস সহায়ক অমিত সরকার গ্রেপ্তার।

  • নাটোর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:০৬:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ৬০ জন সংবাদটি পড়েছেন

এইচএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপের নামে এক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে টাকা, ছবি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে ফরম পূরণ না করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অফিস সহায়ক অমিত কুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে লালপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর শনিবার (৪ জুলাই) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে লালপুর উপজেলার বড়বড়িয়া গ্রামের মো. ইমামুল হকের মেয়ে ও আব্দুলপুর সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মোছা. ইসরাত জাহান সুচি এইচএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপের জন্য ৩ হাজার ৫০০ টাকা, ছবি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে কলেজে যান। এ সময় কলেজের অফিস সহায়ক অমিত কুমার সরকার নিজেই এসব কাগজপত্র ও টাকা গ্রহণ করে আশ্বাস দেন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তার ফরম ফিলাপ সম্পন্ন করা হবে।

পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় ইসরাত জাহান সুচি ফরম ফিলাপের অগ্রগতি জানতে চাইলে অমিত সরকার তাকে বারবার আশ্বস্ত করেন যে কোনো সমস্যা নেই এবং সময়মতো সব সম্পন্ন হবে।

গত ২৯ জুন কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র বিতরণের খবর পেয়ে কলেজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলে অমিত সরকার ফোন করে জানান, কলেজের অধ্যক্ষ প্রবেশপত্র নিয়ে রাজশাহীতে অবস্থান করছেন, তাই পরদিন কলেজে যেতে হবে।

এরপর ৩০ জুন ইসরাত ও তার বাবা কলেজে গেলে অমিত সরকার আবারও জানান, প্রবেশপত্রে সমস্যা হওয়ায় সেটি রাজশাহীতে পাঠানো হয়েছে এবং সংশোধন শেষে দেওয়া হবে। পরে ১ জুলাই আবারও তিনি ফোন করে জানান, প্রবেশপত্রের সমস্যা সমাধানে তিনি নিজেই রাজশাহী যাচ্ছেন।

এতে সন্দেহের সৃষ্টি হলে একই দিন ইসরাত জাহান সুচির বাবা কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন। অধ্যক্ষ কম্পিউটারে যাচাই করে জানান, ইসরাত জাহান সুচির কোনো ফরমই ফিলাপ করা হয়নি। এরপর বিষয়টি স্পষ্ট হলে লালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগের ভিত্তিতে লালপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত অমিত সরকারকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় এবং তার বিরুদ্ধে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়। শনিবার তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারকেল চাষে ডুমুরিয়ায় বিপ্লব: আড়াই বছরেই ফলন, বছরে মিলছে ৩৫০ নারকেল।

ফরম ফিলাপের নামে শিক্ষার্থীর টাকা আত্মসাৎ, আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অফিস সহায়ক অমিত সরকার গ্রেপ্তার।

আপডেট সময় : ০৬:০৬:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

এইচএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপের নামে এক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে টাকা, ছবি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে ফরম পূরণ না করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নাটোরের লালপুর উপজেলার আব্দুলপুর সরকারি কলেজের অফিস সহায়ক অমিত কুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে লালপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর শনিবার (৪ জুলাই) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে লালপুর উপজেলার বড়বড়িয়া গ্রামের মো. ইমামুল হকের মেয়ে ও আব্দুলপুর সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মোছা. ইসরাত জাহান সুচি এইচএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপের জন্য ৩ হাজার ৫০০ টাকা, ছবি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে কলেজে যান। এ সময় কলেজের অফিস সহায়ক অমিত কুমার সরকার নিজেই এসব কাগজপত্র ও টাকা গ্রহণ করে আশ্বাস দেন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তার ফরম ফিলাপ সম্পন্ন করা হবে।

পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় ইসরাত জাহান সুচি ফরম ফিলাপের অগ্রগতি জানতে চাইলে অমিত সরকার তাকে বারবার আশ্বস্ত করেন যে কোনো সমস্যা নেই এবং সময়মতো সব সম্পন্ন হবে।

গত ২৯ জুন কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র বিতরণের খবর পেয়ে কলেজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলে অমিত সরকার ফোন করে জানান, কলেজের অধ্যক্ষ প্রবেশপত্র নিয়ে রাজশাহীতে অবস্থান করছেন, তাই পরদিন কলেজে যেতে হবে।

এরপর ৩০ জুন ইসরাত ও তার বাবা কলেজে গেলে অমিত সরকার আবারও জানান, প্রবেশপত্রে সমস্যা হওয়ায় সেটি রাজশাহীতে পাঠানো হয়েছে এবং সংশোধন শেষে দেওয়া হবে। পরে ১ জুলাই আবারও তিনি ফোন করে জানান, প্রবেশপত্রের সমস্যা সমাধানে তিনি নিজেই রাজশাহী যাচ্ছেন।

এতে সন্দেহের সৃষ্টি হলে একই দিন ইসরাত জাহান সুচির বাবা কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন। অধ্যক্ষ কম্পিউটারে যাচাই করে জানান, ইসরাত জাহান সুচির কোনো ফরমই ফিলাপ করা হয়নি। এরপর বিষয়টি স্পষ্ট হলে লালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগের ভিত্তিতে লালপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত অমিত সরকারকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয় এবং তার বিরুদ্ধে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়। শনিবার তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।