ঢাকা ০৬:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯ মোহনা টিভির অনলাইন শাখায় পুনর্বিন্যাস: আটজনকে অব্যাহতি; বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয় (মন্ত্রণালয়) স্থানান্তরের গল্প: ঢাকার বাস্তবতা….. কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ প্রয়াত নন-পুলিশ সদস্যের পরিবারের পাশে কেএমপি, দুর্গাপূজার উপহার দিলেন পুলিশ কমিশনার গণপূর্ত অধিদপ্তরে ১১৬ প্রকৌশলীর  ‎বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ!  ‎ প্রধানমন্ত্রীর খুলনা সফর: জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনে হুইপ বকুল পঞ্চগড়ে সদরে একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির নামে সার ডিলার নিয়োগের আদেশ বাতিল করে : ছোলায়মান আলীকে সার ডিলার নিয়োগের দাবী এলাকাবাসীর জাতীয়তাবাদী ব্যাটারী চালিত থ্রি-হুইলারযান শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন আবুল হাসান খান

গোয়েন্দা সংস্থার পদক্ষেপ জরুরী, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলা ও গুপ্ত সিন্ডিকেটের নানামুখি চক্রান্ত!

সরকারকে অস্থিতিশীল করতে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়াকে ক্ষমতাচ্যুত করার এক গভীর ও সুদূরপ্রসারী নীলনকশা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে একটি অদৃশ্য সিন্ডিকেট। গুপ্ত জামায়াত, পতিত ফ্যাসিস্টদের দোসর এবং বিএনপির ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা হাইব্রিড ও সুবিধাভোগী চক্র অত্যন্ত সুকৌশলে সরকারের ভিত দুর্বল করার চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এই চক্রটি বেছে বেছে সরকারের সবচেয়ে সৎ, নিষ্ঠাবান ও নিবেদিতপ্রাণ মন্ত্রী, এমপি এবং শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ছক কষে মাঠে কাজ করছে। তাদের মূল লক্ষ্য—এই জনপ্রিয় ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদদের একের পর এক বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে সরকারের রাজনৈতিক ভিত্তি আলগা করা, যার চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়াকে ক্ষমতাচ্যুত করা সহজ হবে বলে তারা হিসাব কষছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে কেন্দ্র করে ধ্বংসাত্মক অপতৎপরতা:

এই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল খাত—স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে প্রধান টার্গেট করা হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের চরম অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নেন। কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুমে বসে নয়, বরং মন্ত্রী নিজেই সরেজমিনে মাঠে ছুটে গেছেন, সাধারণ রোগীদের কষ্ট স্বচক্ষে দেখেছেন এবং সিন্ডিকেটের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। বিগত ৫০ বছরের ইতিহাসে এমন জনবান্ধব ও সাহসী নেতৃত্ব স্বাস্থ্য খাতে বিরল—এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল। তবে মন্ত্রীর এই অভাবনীয় সততা, স্বচ্ছতা এবং জনমুখী অর্জনই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই দুর্নীতিবাজ চক্রের জন্য। নিজেদের দীর্ঘদিনের কমিশন বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট টিকিয়ে রাখতে তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে।

 

বট বাহিনী ও সাইবার অপপ্রচারের অন্তরালে কারা?

অনুসন্ধানে জানা যায়, পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়কার সুবিধাভোগী ঠিকাদার, প্রশাসনের অন্দরে লুকিয়ে থাকা জামায়াতের গুপ্ত প্রেতাত্মা এবং খোলস পাল্টে বিএনপিতে ঢুকে পড়া হাইব্রিড চক্র যৌথভাবে এই অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। নিজেদের দুর্নীতি ও অনিয়ম ঢাকতে তারা পরিকল্পিতভাবে সাইবার দুনিয়ায় ‘বট বাহিনী’ ও মিডিয়া সেল ব্যবহার করছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালিয়ে মন্ত্রীর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততা ও অর্জনকে ম্লান করে দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে।

 

সচিবালয়ে গুপ্তদের অনুপ্রবেশের শঙ্কা:

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সচিবালয় থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোতে ঘাপটি মেরে থাকা এই গুপ্ত চক্রটি ধীরে ধীরে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের কোণঠাসা করে নিজেদের লোকজনকে বসানোর পথ সুগম করছে। প্রধানমন্ত্রী যদি এই গভীরে প্রোথিত ষড়যন্ত্রের জাল সময়মতো ধরতে না পারেন, তবে পর্যায়ক্রমে সরকারের অন্যান্য ত্যাগী ও জনবান্ধব নেতারাও এই চক্রান্তের শিকারে পরিণত হবেন।

 

এখনই লাগাম টানুন,নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি:

পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এখনই এই সিন্ডিকেটের লাগাম টেনে ধরা না হলে সরকার যেকোনো সময় বড় ধরনের বিপদের মুখে পড়তে পারে। এই প্রেক্ষাপটে সচেতন রাজনৈতিক মহল ও দেশবাসীর জোরালো দাবি—অবিলম্বে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোতে ঘটে যাওয়া এসব অপকর্মের নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক।

গুপ্ত চক্রের মুখোশ উন্মোচন করতে এবং সরকারের ভাবমূর্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় অবিলম্বে এনএসআই (ঘঝও) ও রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা ও তদন্ত সংস্থাকে মাঠে নামানোর সময় এখনই। সময়ের দাবি একটাই—দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নিন, অন্যথায় ঘরের শত্রু বিভীষণের এই সুদূরপ্রসারী চক্রান্ত সরকারকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলে দিতে পারে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯

গোয়েন্দা সংস্থার পদক্ষেপ জরুরী, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে আমলা ও গুপ্ত সিন্ডিকেটের নানামুখি চক্রান্ত!

আপডেট সময় : ০১:৪১:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

সরকারকে অস্থিতিশীল করতে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়াকে ক্ষমতাচ্যুত করার এক গভীর ও সুদূরপ্রসারী নীলনকশা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছে একটি অদৃশ্য সিন্ডিকেট। গুপ্ত জামায়াত, পতিত ফ্যাসিস্টদের দোসর এবং বিএনপির ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা হাইব্রিড ও সুবিধাভোগী চক্র অত্যন্ত সুকৌশলে সরকারের ভিত দুর্বল করার চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। এই চক্রটি বেছে বেছে সরকারের সবচেয়ে সৎ, নিষ্ঠাবান ও নিবেদিতপ্রাণ মন্ত্রী, এমপি এবং শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ছক কষে মাঠে কাজ করছে। তাদের মূল লক্ষ্য—এই জনপ্রিয় ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদদের একের পর এক বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে সরকারের রাজনৈতিক ভিত্তি আলগা করা, যার চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়াকে ক্ষমতাচ্যুত করা সহজ হবে বলে তারা হিসাব কষছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে কেন্দ্র করে ধ্বংসাত্মক অপতৎপরতা:

এই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল খাত—স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে প্রধান টার্গেট করা হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের চরম অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নেন। কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুমে বসে নয়, বরং মন্ত্রী নিজেই সরেজমিনে মাঠে ছুটে গেছেন, সাধারণ রোগীদের কষ্ট স্বচক্ষে দেখেছেন এবং সিন্ডিকেটের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। বিগত ৫০ বছরের ইতিহাসে এমন জনবান্ধব ও সাহসী নেতৃত্ব স্বাস্থ্য খাতে বিরল—এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল। তবে মন্ত্রীর এই অভাবনীয় সততা, স্বচ্ছতা এবং জনমুখী অর্জনই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে ওই দুর্নীতিবাজ চক্রের জন্য। নিজেদের দীর্ঘদিনের কমিশন বাণিজ্য ও টেন্ডার সিন্ডিকেট টিকিয়ে রাখতে তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে।

 

বট বাহিনী ও সাইবার অপপ্রচারের অন্তরালে কারা?

অনুসন্ধানে জানা যায়, পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়কার সুবিধাভোগী ঠিকাদার, প্রশাসনের অন্দরে লুকিয়ে থাকা জামায়াতের গুপ্ত প্রেতাত্মা এবং খোলস পাল্টে বিএনপিতে ঢুকে পড়া হাইব্রিড চক্র যৌথভাবে এই অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। নিজেদের দুর্নীতি ও অনিয়ম ঢাকতে তারা পরিকল্পিতভাবে সাইবার দুনিয়ায় ‘বট বাহিনী’ ও মিডিয়া সেল ব্যবহার করছে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালিয়ে মন্ত্রীর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সততা ও অর্জনকে ম্লান করে দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে।

 

সচিবালয়ে গুপ্তদের অনুপ্রবেশের শঙ্কা:

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সচিবালয় থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোতে ঘাপটি মেরে থাকা এই গুপ্ত চক্রটি ধীরে ধীরে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের কোণঠাসা করে নিজেদের লোকজনকে বসানোর পথ সুগম করছে। প্রধানমন্ত্রী যদি এই গভীরে প্রোথিত ষড়যন্ত্রের জাল সময়মতো ধরতে না পারেন, তবে পর্যায়ক্রমে সরকারের অন্যান্য ত্যাগী ও জনবান্ধব নেতারাও এই চক্রান্তের শিকারে পরিণত হবেন।

 

এখনই লাগাম টানুন,নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি:

পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এখনই এই সিন্ডিকেটের লাগাম টেনে ধরা না হলে সরকার যেকোনো সময় বড় ধরনের বিপদের মুখে পড়তে পারে। এই প্রেক্ষাপটে সচেতন রাজনৈতিক মহল ও দেশবাসীর জোরালো দাবি—অবিলম্বে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সচিবালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোতে ঘটে যাওয়া এসব অপকর্মের নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক।

গুপ্ত চক্রের মুখোশ উন্মোচন করতে এবং সরকারের ভাবমূর্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় অবিলম্বে এনএসআই (ঘঝও) ও রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা ও তদন্ত সংস্থাকে মাঠে নামানোর সময় এখনই। সময়ের দাবি একটাই—দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নিন, অন্যথায় ঘরের শত্রু বিভীষণের এই সুদূরপ্রসারী চক্রান্ত সরকারকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলে দিতে পারে।