ঢাকা ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
গোপালগঞ্জ ইজিবাইক মোটর চালক ও বাজার সমিতির সঙ্গে মতবিনিময় সভা  নরসিংদীর পলাশে হাত,পা ও লিঙ্গ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় শাহজাহান ৭৫ বছরের বৃদ্ধার মৃত দেহ উদ্ধার করলেন পুলিশ। গোপালগঞ্জ মুকসুদপুর উপজেলা সাংবাদিক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বাজারে সবজির চড়া দাম, কাঁচা মরিচ আর ডিমে সামান্য স্বস্তি খুলনায় পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা ঝিনাইদহে ভুল চিকিৎসায় গৃহবধূর মৃত্যু: ক্ষতিপূরণের টাকা আত্মসাৎ। কুমিল্লা দাউদকান্দিতে নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যসহ গ্রেপ্তার-৫ নবীনগরে পূর্ব বিরোধের জেরে গুলাগুলি  নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলীরটেক ইউনিয়নের ০৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬২০ জন শিক্ষার্থীকে পরিবেশ বান্ধব পানির বোতল বিতরণ লিফট দুর্ঘটনা রক্ষণাবেক্ষণ জনিত গাফিলতি নয়, মেটেরিয়াল গত সমস্যা 

বাজারে সবজির চড়া দাম, কাঁচা মরিচ আর ডিমে সামান্য স্বস্তি

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:২৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০ জন সংবাদটি পড়েছেন

বাজারে সবজির চড়া দাম, কাঁচা মরিচ আর ডিমে সামান্য স্বস্তি

‎

‎নারায়ণগঞ্জ শহরের দিগুবাবুর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে এখনো পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। শীতের আগাম সবজি বাজারে উঠতে শুরু করলেও অধিকাংশ সবজি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে কাঁচা মরিচ ও ফার্মের মুরগির ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি মিললেও হাঁসের ডিম, দেশি মুরগি ও কয়েক ধরনের সবজির দাম এখনো ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।

‎

‎শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে দিগুবাবুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সবজি কেজির পাশাপাশি পাল্লা (৫ কেজিতে এক পাল্লা) হিসাবেও বিক্রি হচ্ছে। স্থান ও মানভেদে দামে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

‎বাজারে শীতের আগাম সবজির মধ্যে শিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজি দরে। শীতকালীন টমেটো ৯৬ থেকে ১০০ টাকা, চায়না গাজর ১০৫ থেকে ১১০ টাকা এবং দেশি গাজর ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

‎

‎গোল বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং লম্বা বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচা মরিচ মানভেদে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

‎

‎এ ছাড়া ঢ্যাঁড়স ৪০ টাকা, শসা ৩৬ টাকা, পটল ৪৬ থেকে ৫০ টাকা, ধুন্দুল ৩০ টাকা, কহি ২৪ টাকা এবং করলা ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

‎

‎

‎

‎তুলনামূলক কম দামের সবজির মধ্যে মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ১০ থেকে ১২ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাউ আকারভেদে প্রতি পিস ২০ টাকা অথবা কেজি ৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ধনেপাতা ১০০ টাকা কেজি এবং বড় আকারের গোল লেবু পাঁচ হালি ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

‎

‎নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে দেশি পেঁয়াজ ৪০ টাকা, লাল আলু ২০ টাকা ও সাদা আলু ২২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রসুন ৮০ টাকা এবং আদা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

‎

‎ডিমের বাজারে ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১৫০ টাকা এবং হাঁসের ডিম ২১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মুরগির মধ্যে ব্রয়লার ১৯০ টাকা, কক বা সোনালি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

‎

‎

‎

‎বাজারে আসা কয়েকজন ক্রেতা বলেন, কাঁচা মরিচ ও আলুর দাম কিছুটা সহনীয় থাকলেও শাক-সবজি ও মুরগি কিনতে গিয়ে তাদের বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে। এতে সংসারের বাজার খরচ সামলাতে চাপ পড়ছে।

‎

‎বিক্রেতারা বলছেন, শীতের নতুন সবজির সরবরাহ এখনো পুরোপুরি বাড়েনি। সরবরাহ বাড়লে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমতে পারে।

Tag :
About Author Information

Ahad Staff

জনপ্রিয় সংবাদ

গোপালগঞ্জ ইজিবাইক মোটর চালক ও বাজার সমিতির সঙ্গে মতবিনিময় সভা 

বাজারে সবজির চড়া দাম, কাঁচা মরিচ আর ডিমে সামান্য স্বস্তি

আপডেট সময় : ০৩:২৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

বাজারে সবজির চড়া দাম, কাঁচা মরিচ আর ডিমে সামান্য স্বস্তি

‎

‎নারায়ণগঞ্জ শহরের দিগুবাবুর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে এখনো পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। শীতের আগাম সবজি বাজারে উঠতে শুরু করলেও অধিকাংশ সবজি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে কাঁচা মরিচ ও ফার্মের মুরগির ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি মিললেও হাঁসের ডিম, দেশি মুরগি ও কয়েক ধরনের সবজির দাম এখনো ক্রেতাদের নাগালের বাইরে।

‎

‎শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে দিগুবাবুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সবজি কেজির পাশাপাশি পাল্লা (৫ কেজিতে এক পাল্লা) হিসাবেও বিক্রি হচ্ছে। স্থান ও মানভেদে দামে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

‎বাজারে শীতের আগাম সবজির মধ্যে শিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজি দরে। শীতকালীন টমেটো ৯৬ থেকে ১০০ টাকা, চায়না গাজর ১০৫ থেকে ১১০ টাকা এবং দেশি গাজর ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

‎

‎গোল বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং লম্বা বেগুন ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচা মরিচ মানভেদে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

‎

‎এ ছাড়া ঢ্যাঁড়স ৪০ টাকা, শসা ৩৬ টাকা, পটল ৪৬ থেকে ৫০ টাকা, ধুন্দুল ৩০ টাকা, কহি ২৪ টাকা এবং করলা ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

‎

‎

‎

‎তুলনামূলক কম দামের সবজির মধ্যে মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ১০ থেকে ১২ টাকা, বরবটি ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাউ আকারভেদে প্রতি পিস ২০ টাকা অথবা কেজি ৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ধনেপাতা ১০০ টাকা কেজি এবং বড় আকারের গোল লেবু পাঁচ হালি ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

‎

‎নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে দেশি পেঁয়াজ ৪০ টাকা, লাল আলু ২০ টাকা ও সাদা আলু ২২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রসুন ৮০ টাকা এবং আদা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

‎

‎ডিমের বাজারে ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১৫০ টাকা এবং হাঁসের ডিম ২১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মুরগির মধ্যে ব্রয়লার ১৯০ টাকা, কক বা সোনালি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

‎

‎

‎

‎বাজারে আসা কয়েকজন ক্রেতা বলেন, কাঁচা মরিচ ও আলুর দাম কিছুটা সহনীয় থাকলেও শাক-সবজি ও মুরগি কিনতে গিয়ে তাদের বাড়তি খরচ করতে হচ্ছে। এতে সংসারের বাজার খরচ সামলাতে চাপ পড়ছে।

‎

‎বিক্রেতারা বলছেন, শীতের নতুন সবজির সরবরাহ এখনো পুরোপুরি বাড়েনি। সরবরাহ বাড়লে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমতে পারে।