ঢাকা ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯ মোহনা টিভির অনলাইন শাখায় পুনর্বিন্যাস: আটজনকে অব্যাহতি; বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয় (মন্ত্রণালয়) স্থানান্তরের গল্প: ঢাকার বাস্তবতা….. কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ প্রয়াত নন-পুলিশ সদস্যের পরিবারের পাশে কেএমপি, দুর্গাপূজার উপহার দিলেন পুলিশ কমিশনার গণপূর্ত অধিদপ্তরে ১১৬ প্রকৌশলীর  ‎বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ!  ‎ প্রধানমন্ত্রীর খুলনা সফর: জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনে হুইপ বকুল পঞ্চগড়ে সদরে একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তির নামে সার ডিলার নিয়োগের আদেশ বাতিল করে : ছোলায়মান আলীকে সার ডিলার নিয়োগের দাবী এলাকাবাসীর জাতীয়তাবাদী ব্যাটারী চালিত থ্রি-হুইলারযান শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন আবুল হাসান খান

সচিবালয় (মন্ত্রণালয়) স্থানান্তরের গল্প: ঢাকার বাস্তবতা…..

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৯ জন সংবাদটি পড়েছেন

সচিবালয় (মন্ত্রণালয়) স্থানান্তরের গল্প: ঢাকার বাস্তবতা…..

*ঢাকা সংক্রান্ত প্রতিটি পদক্ষেপ/স্থাপনাই হতে হবে সুচিন্তিত, পরিবেশ বান্ধব ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ।

*পরবর্তী কোন পদক্ষেপ নেয়ার আগে জলাভূমি ভরাট করে গড়ে উঠা বৃহত্তর ঢাকা কি পরিমান মানুষ ও স্থাপনার চাপ নিতে পারে তা সঠিক ভাবে নির্নয় করতে হবে।

*ঢাকাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শ্বাস নেওয়ার মতো বাসযোগ্য শহরে পরিনত করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব ও প্রজন্মের দায়বদ্ধতা।

**********

বেশকিছু দিন পরে সচিবালয়/মন্ত্রণালয় স্থানান্তরের কথা নেট দুনিয়ায় ঘুরপাক খাচ্ছে। আমাদের সচিবালয়ের বর্তমান অবস্থান এবং ঐ এলাকার যানজটসহ মানুষের যে দুর্ভোগ তাতে সচিবালয় স্থানান্তরের কথা বারবার আসাই স্বাভাবিক।

 

তবে চিন্তা করলেই যে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে সচিবালয় স্থানান্তর করতে হবে তা কিন্তু বাংলাদেশের মত কম সম্পদের দেশের জন্যে ঠিক নয়।  বরং সামনে-পিছনে সবকিছু পুঙ্খানু পুঙ্খানু ভাবে বিচার বিশ্লেষণ করে তারপর কাজে হাত দিতে হবে।

 

সচিবালয় অন্যত্র নেয়া সময়ের যুক্তিযুক্ত দাবি। কিন্তু প্রশ্ন হল, সচিবালয় কোথায় স্থানান্তর করা উচিৎ? আমি মনে করি, সচিবালয় যদি সরাতেই হয় তবে শেরেবাংলা নগর বা পূর্বাচলে নয়। বরং তা হবে পারে পদ্মার কোন চরে বা রাজবাড়ীর দিকে কোন নিরাপদ এলাকায়। অবশ্যই আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে যতটা দুরে রাখা যায় ততই ভালো। আমাদের ১০০ বছর না হলেও অন্ততঃ ৭০/৮০ বছরের পরিস্থিতি মাথায় নিয়ে কাজ করতে হবে। ১৯৬০ সালের দিকে যখন সংসদ ভবনের কাজ হচ্ছিল তখন সচিবালয়ের জন্যে শেরেবাংলা নগর একটা ভালো স্থান হতে পারতো। কারন সচিবালয়ের সাথে সাথে সম্পূর্ণ এলাকাটা একটি সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় নির্মান করা যেত। কিন্তু আগারগাঁওসহ ঐ এলাকা এবং তার আসেপাশে যে সব স্থাপনা এবং আলিশান সরকারি অফিস (নির্বাচন কমিশন, পাশপোর্ট, সমাজকল্যাণ, এলজিইডি, বিআইডব্লিউটিএ, ইত্যাদি, ইত্যাদি যাতে আবার ভিআইপি রুমের সাথে সাথে ৩/৪ জনের জন্যে ভিআইপি লিফ্টও আছে) হয়েছে তাতে সচিবালয় স্থানান্তর করে উল্লেখ্য যোগ্য কোন লাভ হবে না। একই যুক্তিতে পূর্বাচলকেও বাদ দিতে হবে। বরং ঢাকাকে নষ্ট করার যা কিছু অবশিষ্ট আছে তা বাঁচাতে হলে পুরোনো বাণিজ্য মেলাসহ শেরেবাংলা নগর ও পুর্বাচলকে সংরক্ষন করে সবুজায়ন ও পার্ক করতে হবে।

 

সচিবালয় স্থানান্তর আখেরে যেন তুঘলকী কান্ড না হয়।মুহাম্মদ বিন তুঘলক (চতুর্দশ শতাব্দীর দিল্লির তুঘলক বংশের সুলতান) দিল্লি থেকে দেবগিরি বা দৌলতাবাদে রাজধানী স্থানান্তরিত করা শুরু করেছিল। তুঘলকের রাজধানী স্থানান্তর, প্রতীকী মুদ্রা (ব্রোঞ্জ ও তামার মুদ্রা) চালু আর খোরাসান ও চীন জয়ের উদ্দেশ্যে বিশাল সৈন্যবাহিনী গঠন করার তিনটি পরিকল্পনাই ভালো ছিল। কিন্তু কোনো দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছাড়া সবকিছু চিন্তা/বিবেচনা না করেই অদ্ভুত, অবাস্তব, খামখেয়ালি, অবিবেচনাপ্রসূত বা হুটহাট অযৌক্তিক সিদ্ধান্তনিয়ে বাস্তবায়ন শুরু এবং আবার পরিবর্তন করার জন্যে মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ আর মুল্যবান সময় ও সম্পদের চরম অপচয় ছাড়া কোন লাভই হয়েছিলনা। এমব কি আমরা ঢাকা বিমানবন্দরে তৃতীয় টারমিনাল বা ঐ এলাকার সিভিল এভিয়েশনের বড় বড় দান কোঠা তৈরির মত কোন স্থাপনা নির্মানকেও ভালো মনে করিনা।

 

পাশাপাশি পরবর্তী কোন পদক্ষেপ নেয়া বা সচিবালয়ের মত বড় স্থাপনা স্থানান্তর/ তৈরির আগে জলাভূমি ভরাট করে গড়ে উঠা বৃহত্তর ঢাকা কি পরিমান মানুষ ও স্থাপনার চাপ নিতে পারে তাও সঠিক ভাবে নির্নয় করতে হবে।

 

তাই আমার প্রস্তাব হল:

সচিবালয়কে পদ্মার কোন চরে বা রাজবাড়ীর দিকে নিরাপদ এলাকায় (সীমান্ত থেকে দুরে) স্থানান্তর করা হোক।

অথবা

সচিবালয়কে বর্তমান স্থানে রেখে আনুষঙ্গিক উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে যাতায়ত বান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে হবে। তারমধ্যে শিক্ষা ভবন, রেলওয়ে হাসপাতাল, গোলাপশাহ মাজার, জিপিও, বায়তুল মোকাররম মসজিদ ও হাইকোর্ট নিয়ে বৃত্তাকার একটি মনোরেল ব্যবস্থা নির্মান করে বাহিরের দিকে (সরোয়ার্দী উদ্দ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, বায়তুল মোকাররমসহ স্টেডিয়াম এলাকা, রাজারবাগ এলাকা, হাইকোর্ট এলাকা, রমনা পার্ক এলাকা, ইত্যাদি স্থানে) মাটির নীচে কয়েকটি বড় বড় পার্কিং এলাকা তৈরি করতে হবে। অনেকটা নিউইয়র্কের (আমেরিকা) জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (JFK Airport) বা বড় বড় এয়ারপোর্টে বা মক্কা মদিনার মসজিদ এলাকার মত।

 

আমরা কোন ভাবেই ঢাকা শহরকে আর নষ্ট হতে দিতে পারিনা। ঢাকাকে ঘনবসতিপূর্ণ কংক্রিটনির্ভর নগরীতেও পরিণত করতে পারিনা। বরং ঢাকাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শ্বাস নেওয়ার মতো বাসযোগ্য শহরে পরিনত করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব ও প্রজন্মের দায়বদ্ধতা। ঢাকা সংক্রান্ত পদক্ষেপ/ প্রতিটি স্থাপনাই হতে হবে সুচিন্তিত, পরিবেশ বান্ধব ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ।

 

নোটঃ ছবিগুলো নেট থেকে সংগৃহীত।

আল্লাহর পরে বাংলাদেশ। সবার আগে বাংলাদেশ। আমাদের সোনার বাংলাদেশ।

Tag :
About Author Information

Ahad Staff

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯

সচিবালয় (মন্ত্রণালয়) স্থানান্তরের গল্প: ঢাকার বাস্তবতা…..

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

সচিবালয় (মন্ত্রণালয়) স্থানান্তরের গল্প: ঢাকার বাস্তবতা…..

*ঢাকা সংক্রান্ত প্রতিটি পদক্ষেপ/স্থাপনাই হতে হবে সুচিন্তিত, পরিবেশ বান্ধব ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ।

*পরবর্তী কোন পদক্ষেপ নেয়ার আগে জলাভূমি ভরাট করে গড়ে উঠা বৃহত্তর ঢাকা কি পরিমান মানুষ ও স্থাপনার চাপ নিতে পারে তা সঠিক ভাবে নির্নয় করতে হবে।

*ঢাকাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শ্বাস নেওয়ার মতো বাসযোগ্য শহরে পরিনত করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব ও প্রজন্মের দায়বদ্ধতা।

**********

বেশকিছু দিন পরে সচিবালয়/মন্ত্রণালয় স্থানান্তরের কথা নেট দুনিয়ায় ঘুরপাক খাচ্ছে। আমাদের সচিবালয়ের বর্তমান অবস্থান এবং ঐ এলাকার যানজটসহ মানুষের যে দুর্ভোগ তাতে সচিবালয় স্থানান্তরের কথা বারবার আসাই স্বাভাবিক।

 

তবে চিন্তা করলেই যে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে সচিবালয় স্থানান্তর করতে হবে তা কিন্তু বাংলাদেশের মত কম সম্পদের দেশের জন্যে ঠিক নয়।  বরং সামনে-পিছনে সবকিছু পুঙ্খানু পুঙ্খানু ভাবে বিচার বিশ্লেষণ করে তারপর কাজে হাত দিতে হবে।

 

সচিবালয় অন্যত্র নেয়া সময়ের যুক্তিযুক্ত দাবি। কিন্তু প্রশ্ন হল, সচিবালয় কোথায় স্থানান্তর করা উচিৎ? আমি মনে করি, সচিবালয় যদি সরাতেই হয় তবে শেরেবাংলা নগর বা পূর্বাচলে নয়। বরং তা হবে পারে পদ্মার কোন চরে বা রাজবাড়ীর দিকে কোন নিরাপদ এলাকায়। অবশ্যই আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে যতটা দুরে রাখা যায় ততই ভালো। আমাদের ১০০ বছর না হলেও অন্ততঃ ৭০/৮০ বছরের পরিস্থিতি মাথায় নিয়ে কাজ করতে হবে। ১৯৬০ সালের দিকে যখন সংসদ ভবনের কাজ হচ্ছিল তখন সচিবালয়ের জন্যে শেরেবাংলা নগর একটা ভালো স্থান হতে পারতো। কারন সচিবালয়ের সাথে সাথে সম্পূর্ণ এলাকাটা একটি সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় নির্মান করা যেত। কিন্তু আগারগাঁওসহ ঐ এলাকা এবং তার আসেপাশে যে সব স্থাপনা এবং আলিশান সরকারি অফিস (নির্বাচন কমিশন, পাশপোর্ট, সমাজকল্যাণ, এলজিইডি, বিআইডব্লিউটিএ, ইত্যাদি, ইত্যাদি যাতে আবার ভিআইপি রুমের সাথে সাথে ৩/৪ জনের জন্যে ভিআইপি লিফ্টও আছে) হয়েছে তাতে সচিবালয় স্থানান্তর করে উল্লেখ্য যোগ্য কোন লাভ হবে না। একই যুক্তিতে পূর্বাচলকেও বাদ দিতে হবে। বরং ঢাকাকে নষ্ট করার যা কিছু অবশিষ্ট আছে তা বাঁচাতে হলে পুরোনো বাণিজ্য মেলাসহ শেরেবাংলা নগর ও পুর্বাচলকে সংরক্ষন করে সবুজায়ন ও পার্ক করতে হবে।

 

সচিবালয় স্থানান্তর আখেরে যেন তুঘলকী কান্ড না হয়।মুহাম্মদ বিন তুঘলক (চতুর্দশ শতাব্দীর দিল্লির তুঘলক বংশের সুলতান) দিল্লি থেকে দেবগিরি বা দৌলতাবাদে রাজধানী স্থানান্তরিত করা শুরু করেছিল। তুঘলকের রাজধানী স্থানান্তর, প্রতীকী মুদ্রা (ব্রোঞ্জ ও তামার মুদ্রা) চালু আর খোরাসান ও চীন জয়ের উদ্দেশ্যে বিশাল সৈন্যবাহিনী গঠন করার তিনটি পরিকল্পনাই ভালো ছিল। কিন্তু কোনো দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছাড়া সবকিছু চিন্তা/বিবেচনা না করেই অদ্ভুত, অবাস্তব, খামখেয়ালি, অবিবেচনাপ্রসূত বা হুটহাট অযৌক্তিক সিদ্ধান্তনিয়ে বাস্তবায়ন শুরু এবং আবার পরিবর্তন করার জন্যে মানুষের সীমাহীন দুর্ভোগ আর মুল্যবান সময় ও সম্পদের চরম অপচয় ছাড়া কোন লাভই হয়েছিলনা। এমব কি আমরা ঢাকা বিমানবন্দরে তৃতীয় টারমিনাল বা ঐ এলাকার সিভিল এভিয়েশনের বড় বড় দান কোঠা তৈরির মত কোন স্থাপনা নির্মানকেও ভালো মনে করিনা।

 

পাশাপাশি পরবর্তী কোন পদক্ষেপ নেয়া বা সচিবালয়ের মত বড় স্থাপনা স্থানান্তর/ তৈরির আগে জলাভূমি ভরাট করে গড়ে উঠা বৃহত্তর ঢাকা কি পরিমান মানুষ ও স্থাপনার চাপ নিতে পারে তাও সঠিক ভাবে নির্নয় করতে হবে।

 

তাই আমার প্রস্তাব হল:

সচিবালয়কে পদ্মার কোন চরে বা রাজবাড়ীর দিকে নিরাপদ এলাকায় (সীমান্ত থেকে দুরে) স্থানান্তর করা হোক।

অথবা

সচিবালয়কে বর্তমান স্থানে রেখে আনুষঙ্গিক উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের ভোগান্তি কমিয়ে যাতায়ত বান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে হবে। তারমধ্যে শিক্ষা ভবন, রেলওয়ে হাসপাতাল, গোলাপশাহ মাজার, জিপিও, বায়তুল মোকাররম মসজিদ ও হাইকোর্ট নিয়ে বৃত্তাকার একটি মনোরেল ব্যবস্থা নির্মান করে বাহিরের দিকে (সরোয়ার্দী উদ্দ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, বায়তুল মোকাররমসহ স্টেডিয়াম এলাকা, রাজারবাগ এলাকা, হাইকোর্ট এলাকা, রমনা পার্ক এলাকা, ইত্যাদি স্থানে) মাটির নীচে কয়েকটি বড় বড় পার্কিং এলাকা তৈরি করতে হবে। অনেকটা নিউইয়র্কের (আমেরিকা) জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (JFK Airport) বা বড় বড় এয়ারপোর্টে বা মক্কা মদিনার মসজিদ এলাকার মত।

 

আমরা কোন ভাবেই ঢাকা শহরকে আর নষ্ট হতে দিতে পারিনা। ঢাকাকে ঘনবসতিপূর্ণ কংক্রিটনির্ভর নগরীতেও পরিণত করতে পারিনা। বরং ঢাকাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শ্বাস নেওয়ার মতো বাসযোগ্য শহরে পরিনত করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব ও প্রজন্মের দায়বদ্ধতা। ঢাকা সংক্রান্ত পদক্ষেপ/ প্রতিটি স্থাপনাই হতে হবে সুচিন্তিত, পরিবেশ বান্ধব ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ।

 

নোটঃ ছবিগুলো নেট থেকে সংগৃহীত।

আল্লাহর পরে বাংলাদেশ। সবার আগে বাংলাদেশ। আমাদের সোনার বাংলাদেশ।