সাবেক বিতর্কিত ফ্যাসিস্ট প্রতিমন্ত্রী গণপূর্তের শরিফ আহমেদের আস্থাভাজন রাশেদ আহমেদ এখন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর আজিমপুর ডিভিশনে
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাশেদ আহসান প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের ঘনিষ্ঠজন ছিল তার এলাকায় বদলি থাকাকালী কেশিয়ার হিসেবে খ্যাতো ছিল অতঃপর মিরপুরের মতো জায়গায় পোস্টিং ।
দুর্নীতিবাজ চুন্নুর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন এবং সরোয়ারা আলম এ এবং বিতর্কিত বদরুলের গরিষ্ঠ জন শোনা যাচ্ছে মোট অংকের টাকার বিনিময় ধরে রেখেছি ঢাকায় ভালো পদ। অগ্রিম বিল দেওয়ার কারণে সে একবারতদন্ত হয়েছিল যার আলোর মুখ এখনো আমরা জানতে পারিনি।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সরোয়ার আলম এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরে বিতর্কিত অসাধু কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ এবং সরোয়ার জাহান বিপ্লব মাজাহার এবং জিয়া যোগ সাজোযে এখন ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে।
বর্তমান মাননীয় মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীকে ঘুমিয়ে রেখে তারা এই অপকর্মে লিপ্ত হয়েছে।বর্তমান সচিব মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার জন্যই এই বদলি হয়েছে বলেও অনেকে মতামত দিয়েছে।
টেন্ডার দুর্নীতি যেন রীতিমতো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। ভ্যারিয়েশন টেন্ডার প্রক্রিয়ায় নিয়ম ভঙ্গ, এলটিএমের নামে জালিয়াতি ও অযোগ্য ঠিকাদারদের পক্ষে পক্ষপাতমূলক কার্যক্রম ইতোমধ্যেই প্রকৌশল পেশার মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
এ বিষয়ে রাশেদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি। এত অপকর্মের পরও তিনি বিগত দিনে তার কোন বিচার হয়নি এখনতো সে প্রাইস পোস্টিং নিয়েছে লটারি নামক কার সাজির মাধ্যমে।
L
মিরপুর গণপূর্ত বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ আহসান জুন/২০২৫ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ১০০ কোটি টাকার অগ্রিম বিল প্রদান করেছেন।
মাননীয় মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী সচিবদের কাছে এই বিতর্কিত কর্মকর্তাদের বিচার চেয়েছে গণপূর্তর সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
সারাক্ষণ ডেস্ক 






















