ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
বিআইডব্লিউটিএ’ র বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। দেশের জ্বালানী ও অর্থনীতি সংকটেও বিআইডব্লিউটিএতে বিলাসী বনভোজনের নামে অর্থ ও জ্বালানি অপচয়ে মনোরঞ্জন।  বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির ফ্যামিলি ডে ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন। “যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত”—মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্বাধীনতা পদক–২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা প্রদান। চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া রসুলবাগ ‘চাক্তাই ডাইভারশন খালটি’ সংস্কার জরুরী। আমতলীতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকারে, বিপাকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকরা। বাংলাদেশ সনাতন ধর্ম সুরক্ষা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক বর্ধিত সভা অনুষ্টিত। অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত। ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ। বিএসএফের গুলিতে রক্তাক্ত হলো সীমান্ত। রাস্তার অভাবে বন্যা মৌসুমে কবরস্থানে লাশ দাফন করতে যেতে হয় নৌকায়।

মাদারীপুরে মৌলবাদীর থাবা! দুটি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর।

মাদারীপুরে রাতের আঁধারে দুটি মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।শ্রীশ্রী গণেশ পাগলের মন্দির এবং রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে মাদারীপুর সদর থানার ওসি সারাক্ষণ বার্তাকে জানান।মাদারীপুর সদর উপজেলায় রাতের আঁধারে দুটি মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের পর্বত বাগানের দীঘির পাড়ে পাশাপাশি অবস্থিত শ্রীশ্রী গণেশ পাগলের মন্দির এবং রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে মাদারীপুর সদর থানার ওসি আদিল হোসেন জানান।

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, গভীর রাতে কে বা কারা গণেশ পাগলের মন্দিরের একটি এবং রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের রাধাকৃষ্ণ প্রতিমা ভাঙচুর করে। সকালে বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে আসে। তারা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবগত করে। তখন পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট গৌরাঙ্গ বসু সারাক্ষণ বার্তাকে বলেন,শ্বান্ত মাদারীপুরকে যারা অশ্বান্ত করতে চাচ্ছে, নিঃসন্দেহে তাদের উদ্দেশ্য খারাপ।তারা জুলাই ২৪ এর চেতনা বিরোধী একটি বিচ্ছিন্ন গ্রুপ । দুর্বৃত্তরা যে ঘটনা ঘটিয়েছে আমাদের জন্য খুবই উদ্বেগজনক। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি, যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সুষ্ঠু তদন্ত করে অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

“কারণ এই ঘটনার পর অনেক হিন্দু লোকজনই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে পারে।মাদারীপুরবাসী আমরা সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ।এ সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বিপন্ন হতে দেয়া যাবেনা। মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট মাদারীপুর জেলা কমিটি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

মাদারীপুর সদর থানার ওসি আদিল হোসেন বলেন, “মন্দিরের দুটি প্রতিমা ফেলে রাখা অবস্থায় পাওয়া গেছে। তবে এই ঘটনা কিভাবে হল কিংবা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। প্রতিমা ভাঙচুরের সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

বিআইডব্লিউটিএ’ র বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। দেশের জ্বালানী ও অর্থনীতি সংকটেও বিআইডব্লিউটিএতে বিলাসী বনভোজনের নামে অর্থ ও জ্বালানি অপচয়ে মনোরঞ্জন। 

মাদারীপুরে মৌলবাদীর থাবা! দুটি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর।

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫

মাদারীপুরে রাতের আঁধারে দুটি মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা।শ্রীশ্রী গণেশ পাগলের মন্দির এবং রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে মাদারীপুর সদর থানার ওসি সারাক্ষণ বার্তাকে জানান।মাদারীপুর সদর উপজেলায় রাতের আঁধারে দুটি মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের পর্বত বাগানের দীঘির পাড়ে পাশাপাশি অবস্থিত শ্রীশ্রী গণেশ পাগলের মন্দির এবং রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে মাদারীপুর সদর থানার ওসি আদিল হোসেন জানান।

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, গভীর রাতে কে বা কারা গণেশ পাগলের মন্দিরের একটি এবং রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের রাধাকৃষ্ণ প্রতিমা ভাঙচুর করে। সকালে বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে আসে। তারা তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবগত করে। তখন পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট গৌরাঙ্গ বসু সারাক্ষণ বার্তাকে বলেন,শ্বান্ত মাদারীপুরকে যারা অশ্বান্ত করতে চাচ্ছে, নিঃসন্দেহে তাদের উদ্দেশ্য খারাপ।তারা জুলাই ২৪ এর চেতনা বিরোধী একটি বিচ্ছিন্ন গ্রুপ । দুর্বৃত্তরা যে ঘটনা ঘটিয়েছে আমাদের জন্য খুবই উদ্বেগজনক। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি, যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সুষ্ঠু তদন্ত করে অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

“কারণ এই ঘটনার পর অনেক হিন্দু লোকজনই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে পারে।মাদারীপুরবাসী আমরা সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ।এ সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বিপন্ন হতে দেয়া যাবেনা। মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট মাদারীপুর জেলা কমিটি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

মাদারীপুর সদর থানার ওসি আদিল হোসেন বলেন, “মন্দিরের দুটি প্রতিমা ফেলে রাখা অবস্থায় পাওয়া গেছে। তবে এই ঘটনা কিভাবে হল কিংবা কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। প্রতিমা ভাঙচুরের সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”