ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ। বিএসএফের গুলিতে রক্তাক্ত হলো সীমান্ত। রাস্তার অভাবে বন্যা মৌসুমে কবরস্থানে লাশ দাফন করতে যেতে হয় নৌকায়। গাজীপুরে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ঠাকুরগাঁওয়ে কলাবাগান থেকে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। সাতকানিয়ায় জোরপূর্বক কৃষিজমি কর্তন, থানায় অভিযোগ। ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর। ভুয়া “প্রাচীন পিলার-কয়েন” বাণিজ্যে শত কোটি টাকার প্রতারণা : কৃষকলীগ নেতা মাকসুদ–সোহেল সিন্ডিকেটের ভয়ঙ্কর জাল-জালিয়াতি!  গীতার আলোয় আলোকিত মাদারীপুর গড়তে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মাদারীপুর -২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব জাহান্দার আলী মিয়া। টেকেরহাটে নববর্ষে ব্যবসায়ীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ইউসিবি ব্যাংকের

মাদারীপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১০:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৫৯ জন সংবাদটি পড়েছেন

অবৈধ সম্পদ,সরকারী টাকা আত্মসাৎ, তদবির ও দালালীর অভিযোগে মাদারীপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা।মাদারীপুর তরমুগরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান খান এর বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকার জমি ক্রয় (অবৈধ সম্পদ),শিক্ষকদের সাথে গালাগালি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ,বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নয়মূলক কাজের বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎসহ বিদ্যালয় চলাকালীন বাহিরে ঘোরাঘুরি বিভিন্ন তদবীর ও দালালির অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে।

এবিষয়ে তাকে গত ৭ আগষ্ট প্রাথমিক শিক্ষা উপপরিচালক মোহাম্মদ আলী রেজা সাক্ষরিত একটি স্মারক প্রদান করা হয়েছে।সেখানে সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ) ও ৩(ঘ) বিধিমতে “অসদাচরণ” ও “দুর্নীতি” এর দায়ে তাকে অভিযুক্ত করা হয়।

এছাড়াও উল্লেখিত অপরাধের দায়ে তাকে কেন চাকুরী থেকে বরখাস্ত করা বা উপযুক্ত দন্ড প্রদান করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

শিক্ষক মনিরুজ্জামান খান এর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ নিচে তুলে ধরা হলো:

★তিনি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে উপজেলা চত্তর, উপজেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা রিসোর্স সেন্টার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন জায়গায় অযথা ঘুরাফেরা করে বিভিন্ন তদবীর ও দালালী কাজে ব্যস্ত থাকেন।

★তিনি নিজে শ্রেণি পাঠদান করেন না এবং সহকারী শিক্ষকদের শ্রেণি পাঠদান পর্যবেক্ষন করেন না।

★তিনি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নয়মূলক কাজের বরাদ্দের টাকা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ব্যয় না করে আত্মসাৎ করেছেন।

★তিনি সহকারী শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

★তিনি কর্তৃপক্ষের বিনানুমতিতে মাদারীপুর সদর উপজেলায় দুই দাগে খতিয়ান নং ২৪৩ মৌজা নং ১১১ ও খতিয়ান নং ১৮৫৯ মৌজা নং ১১০ যথাক্রমে ০.০৫ একর ৬০.০৫ একর জমি ক্রয় করেছেন যার বাজার মূল্য আনুমানিক ২.৫ কোটি টাকা। যা তার আয়ের সাথে অসংগতিপূর্ণ। সারাক্ষণ বার্তার প্রতিনিধি তার অঢেল সম্পদের বিবরণ জানতে চাইলে তিনি কিছু বলতে অনীহা প্রকাশ করেন।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ।

মাদারীপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের।

আপডেট সময় : ০১:১০:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অবৈধ সম্পদ,সরকারী টাকা আত্মসাৎ, তদবির ও দালালীর অভিযোগে মাদারীপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা।মাদারীপুর তরমুগরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান খান এর বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকার জমি ক্রয় (অবৈধ সম্পদ),শিক্ষকদের সাথে গালাগালি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ,বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নয়মূলক কাজের বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎসহ বিদ্যালয় চলাকালীন বাহিরে ঘোরাঘুরি বিভিন্ন তদবীর ও দালালির অভিযোগে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে।

এবিষয়ে তাকে গত ৭ আগষ্ট প্রাথমিক শিক্ষা উপপরিচালক মোহাম্মদ আলী রেজা সাক্ষরিত একটি স্মারক প্রদান করা হয়েছে।সেখানে সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ) ও ৩(ঘ) বিধিমতে “অসদাচরণ” ও “দুর্নীতি” এর দায়ে তাকে অভিযুক্ত করা হয়।

এছাড়াও উল্লেখিত অপরাধের দায়ে তাকে কেন চাকুরী থেকে বরখাস্ত করা বা উপযুক্ত দন্ড প্রদান করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

শিক্ষক মনিরুজ্জামান খান এর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ নিচে তুলে ধরা হলো:

★তিনি বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে উপজেলা চত্তর, উপজেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা রিসোর্স সেন্টার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন জায়গায় অযথা ঘুরাফেরা করে বিভিন্ন তদবীর ও দালালী কাজে ব্যস্ত থাকেন।

★তিনি নিজে শ্রেণি পাঠদান করেন না এবং সহকারী শিক্ষকদের শ্রেণি পাঠদান পর্যবেক্ষন করেন না।

★তিনি বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়নয়মূলক কাজের বরাদ্দের টাকা বিদ্যালয়ের উন্নয়নে ব্যয় না করে আত্মসাৎ করেছেন।

★তিনি সহকারী শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

★তিনি কর্তৃপক্ষের বিনানুমতিতে মাদারীপুর সদর উপজেলায় দুই দাগে খতিয়ান নং ২৪৩ মৌজা নং ১১১ ও খতিয়ান নং ১৮৫৯ মৌজা নং ১১০ যথাক্রমে ০.০৫ একর ৬০.০৫ একর জমি ক্রয় করেছেন যার বাজার মূল্য আনুমানিক ২.৫ কোটি টাকা। যা তার আয়ের সাথে অসংগতিপূর্ণ। সারাক্ষণ বার্তার প্রতিনিধি তার অঢেল সম্পদের বিবরণ জানতে চাইলে তিনি কিছু বলতে অনীহা প্রকাশ করেন।