ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
ডিএমডি ও তাঁর মাকে নিয়ে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ, হুমকির ঘটনায় জিডি কুমিল্লায় জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ খুলনায় মাদক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯ মোহনা টিভির অনলাইন শাখায় পুনর্বিন্যাস: আটজনকে অব্যাহতি; বিভিন্ন নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয় (মন্ত্রণালয়) স্থানান্তরের গল্প: ঢাকার বাস্তবতা….. কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ প্রয়াত নন-পুলিশ সদস্যের পরিবারের পাশে কেএমপি, দুর্গাপূজার উপহার দিলেন পুলিশ কমিশনার গণপূর্ত অধিদপ্তরে ১১৬ প্রকৌশলীর  ‎বদলি ও পদায়নে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ!  ‎ প্রধানমন্ত্রীর খুলনা সফর: জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শনে হুইপ বকুল

মাদারীপুর জেলার রাজৈরে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও পৌর সভায় দুদকের অভিযান।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩৩৮ জন সংবাদটি পড়েছেন

মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলাধীন রাজৈর পৌরসভা ও রাজৈর প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দুদক অভিযান চালিয়েছে।বৃহস্পতিবার ১৮সেপ্টেম্বর,২০২৫ সকাল ১১ টায় রাজৈর পৌরসভায় কর্মরত কর আদায়কারী মোঃ এনামুল হক খান এর বিরুদ্ধে সেবা গ্রহনকারীদের সাথে খারাপ আচরণ ও করের টাকা গরমিলের অভিযোগে ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কম্পিউটার কাম মুদ্রাক্ষরিক শামিম মুন্সির জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জন ও একই প্রতিষ্ঠানে ১৩ বছর কর্মরত থাকার কারণে দুদক অভিযান চালায়।

দুদকের সহকারী পরিচালক শামিম মুন্সির কাছে তার ব্যক্তিগত ফাইল দেখতে চাইলে সে তা দেখাতে পারেন নি। এবং অন্যান্য প্রশ্নও তিনি এড়িয়ে যান। উল্লেখ্য অভিযান পরিচালনার সময় একটি চরম অসংগতি দুদক টিম পরিলক্ষিত করেন। অসংগতিটি হলো শাফিয়া শরীফ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ আইন বহির্ভূত ভাবে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কম্পিউটারের কাজ করেন।কে তাকে এখানে কাজ করার জন্য নিয়োগ দিয়েছেন,দুদক তাকে প্রশ্ন করলে সে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। এবং কাজ করার কোন বৈধতা প্রমান করতে পারেননি। কে তাকে কাজ করতে অনুমতি দিয়েছে সেটাও তিনি জানেন না। তাহলে কেন তিনি স্কুল ফাঁকি দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কাজ করেন?এটি রহস্যাবৃত।এর পিছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে বলে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

এ সময় শিক্ষা অফিসের প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আরা অনুপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের নিকট তথ্য রয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রায়শই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন।এর অবসান চান সেবাভোগী সংশ্লিষ্ট অংশীজন।

আখতারুজ্জামান সহকারী পরিচালক, এবং সাইদুর রহমান অপু উপ- সহকারী পরিচালক সহ তিন সদস্য বিশিষ্ট দুদকের একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন এনামুল হক খান ও শামিম মুন্সির নামে অভিযোগের ব্যপারে আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ পর্যবেক্ষণ করে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আজ আমাদের টিম নিয়ে সরেজমিনে এসেছি। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।সমস্ত কাগজ পত্র বিচার বিশ্লেষণ করে এবং সাক্ষ্য প্রমাণ সংগ্রহ করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করা হবে বলে সারাক্ষণ বার্তাকে জানান।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিএমডি ও তাঁর মাকে নিয়ে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ, হুমকির ঘটনায় জিডি

মাদারীপুর জেলার রাজৈরে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও পৌর সভায় দুদকের অভিযান।

আপডেট সময় : ০৮:১৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলাধীন রাজৈর পৌরসভা ও রাজৈর প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দুদক অভিযান চালিয়েছে।বৃহস্পতিবার ১৮সেপ্টেম্বর,২০২৫ সকাল ১১ টায় রাজৈর পৌরসভায় কর্মরত কর আদায়কারী মোঃ এনামুল হক খান এর বিরুদ্ধে সেবা গ্রহনকারীদের সাথে খারাপ আচরণ ও করের টাকা গরমিলের অভিযোগে ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কম্পিউটার কাম মুদ্রাক্ষরিক শামিম মুন্সির জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জন ও একই প্রতিষ্ঠানে ১৩ বছর কর্মরত থাকার কারণে দুদক অভিযান চালায়।

দুদকের সহকারী পরিচালক শামিম মুন্সির কাছে তার ব্যক্তিগত ফাইল দেখতে চাইলে সে তা দেখাতে পারেন নি। এবং অন্যান্য প্রশ্নও তিনি এড়িয়ে যান। উল্লেখ্য অভিযান পরিচালনার সময় একটি চরম অসংগতি দুদক টিম পরিলক্ষিত করেন। অসংগতিটি হলো শাফিয়া শরীফ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ আইন বহির্ভূত ভাবে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কম্পিউটারের কাজ করেন।কে তাকে এখানে কাজ করার জন্য নিয়োগ দিয়েছেন,দুদক তাকে প্রশ্ন করলে সে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। এবং কাজ করার কোন বৈধতা প্রমান করতে পারেননি। কে তাকে কাজ করতে অনুমতি দিয়েছে সেটাও তিনি জানেন না। তাহলে কেন তিনি স্কুল ফাঁকি দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কাজ করেন?এটি রহস্যাবৃত।এর পিছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে বলে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

এ সময় শিক্ষা অফিসের প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আরা অনুপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের নিকট তথ্য রয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রায়শই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন।এর অবসান চান সেবাভোগী সংশ্লিষ্ট অংশীজন।

আখতারুজ্জামান সহকারী পরিচালক, এবং সাইদুর রহমান অপু উপ- সহকারী পরিচালক সহ তিন সদস্য বিশিষ্ট দুদকের একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন এনামুল হক খান ও শামিম মুন্সির নামে অভিযোগের ব্যপারে আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ পর্যবেক্ষণ করে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আজ আমাদের টিম নিয়ে সরেজমিনে এসেছি। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।সমস্ত কাগজ পত্র বিচার বিশ্লেষণ করে এবং সাক্ষ্য প্রমাণ সংগ্রহ করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করা হবে বলে সারাক্ষণ বার্তাকে জানান।