গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় যুবলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম দুর্জয় প্রতিষ্ঠিত “দুর্জয় ফ্যাক্টরি” এখন এলাকাবাসীর কাছে আতঙ্কের নাম। অভিযোগ উঠেছে, এই ফ্যাক্টরিকে আশ্রয়স্থল বানানো হয়েছে বিভিন্ন মামলার আসামি, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের।
স্থানীয়দের দাবি, গত এক দশকে দুর্জয় যুবলীগের পদ ব্যবহার করে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেছেন। তার বিরুদ্ধে রয়েছে জমি দখল, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ। এলাকার সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে ভয় পান তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে।
জানা গেছে, মাত্র দশ বছরে দুর্জয়ের সম্পদের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে শত কোটি টাকায়। গোপালগঞ্জ সদরসহ আশপাশের এলাকায় একাধিক বাড়ি, জমি, গাড়ি ও ফ্যাক্টরির মালিক হয়েছেন তিনি। ফ্যাক্টরির ভেতরেই গড়ে তুলেছেন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দু, যেখানে নিয়মিত বসে নানা ধরনের গোপন বৈঠক।
এলাকার সচেতন মহল বলছেন, দুর্জয়ের এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়া রয়েছে বলেই প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছে না। ফলে দিন দিন তার দাপট আরও বেড়ে যাচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে যুবলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম দুর্জয়ের বক্তব্য জানা যায়নি।
স্থানীয়রা প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন, যাতে দুর্জয়ের ত্রাসের রাজত্ব থেকে এলাকাবাসী মুক্তি পেতে পারে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

















