ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ। বিএসএফের গুলিতে রক্তাক্ত হলো সীমান্ত। রাস্তার অভাবে বন্যা মৌসুমে কবরস্থানে লাশ দাফন করতে যেতে হয় নৌকায়। গাজীপুরে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ঠাকুরগাঁওয়ে কলাবাগান থেকে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। সাতকানিয়ায় জোরপূর্বক কৃষিজমি কর্তন, থানায় অভিযোগ। ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর। ভুয়া “প্রাচীন পিলার-কয়েন” বাণিজ্যে শত কোটি টাকার প্রতারণা : কৃষকলীগ নেতা মাকসুদ–সোহেল সিন্ডিকেটের ভয়ঙ্কর জাল-জালিয়াতি!  গীতার আলোয় আলোকিত মাদারীপুর গড়তে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মাদারীপুর -২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব জাহান্দার আলী মিয়া। টেকেরহাটে নববর্ষে ব্যবসায়ীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ইউসিবি ব্যাংকের

অপশাসন- শোষণের স্মৃতি চিহ্ন বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে মাদারীপুরের নীল কুঠি।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৪৬ জন সংবাদটি পড়েছেন
  1. জরাজীর্ন ও ধংসস্তুপ অবস্থায় পড়ে আছে, বাংলার অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী মাদারীপুরের , আউলিয়াপুর “নীলকুঠি “।মাদারীপুর সদর উপজেলার, ছিলারচর ইউনিয়নের,আউলিয়াপুর গ্রামে অবস্থিত।যা আউলিয়াপুর দরগা শরীফের পাশেই অবস্থিত।এটি মাদারীপুর শহর থেকে ১০ কি:মি: দুরে অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে- ১৭৭৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে, নীল চাষের আগমন ঘটে এবং ১৮৩০ সালের মধ্যে বাংলায় প্রায় ১০০০ টির বেশি নীল তৈরির কারখানা স্থাপন করেন, তারই ধারাবাহিকতায়, মাদারীপুরের আউলিয়াপুরে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে এই ” নীলকুঠি “স্থাপিত হয়।ইংরেজ নীলকর ডানলপ এই কুঠি নির্মাণ ও পরিচালনা করেন। এটি ডানলপ সাহেবের নীলকুঠি বা ঢকল সাহেবের কুঠি নামে পরিচিত। এই কুঠি থেকে কৃষকদের নীল চাষের জন্যে বাধ্য করা হতো,চাষ না করতে চাইলে,তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন ও শোষন চালানো হত।অত্যাচার যখন সহনাতীত পর্যায়ে পৌছায়,তখন ফজায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তউল্লা(র) এবং তার পূএ পীর মহসিন উদ্দিন,দুদু মিয়া(র) কুঠিয়ালদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন।এ সময় কৃষকদের উপর নানা নির্যাতন ও জুলুমের সাক্ষী এই নীলকুঠি। বয়স্করা মনে করেন এটি একটি অভিশপ্ত জায়গা,যা বহু অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী। এটি একটি অন্ধকারচ্ছন্ন জীবন্ত ইতিহাস। স্থানীয়রা বলেন প্রতিদিন বহু দর্শনার্থী, জীবন্ত ইতিহাস প্রত্যক্ষ করার জন্য এখানে ছুটে আছেন। বর্তমানে এটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে, যার ১২ কক্ষ বিশিষ্ট ভাঙ্গা দালান ও ৪০ ফুট উচ্চতার একটি চিমনি অবশিষ্ট আছে। ইতিহাসের এই অন্ধকারাচ্ছন্ন, স্বাক্ষটির সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা আবশ্যক। আশাকরি প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর বিষয়টির যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ।

অপশাসন- শোষণের স্মৃতি চিহ্ন বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে মাদারীপুরের নীল কুঠি।

আপডেট সময় : ১০:৩৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  1. জরাজীর্ন ও ধংসস্তুপ অবস্থায় পড়ে আছে, বাংলার অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী মাদারীপুরের , আউলিয়াপুর “নীলকুঠি “।মাদারীপুর সদর উপজেলার, ছিলারচর ইউনিয়নের,আউলিয়াপুর গ্রামে অবস্থিত।যা আউলিয়াপুর দরগা শরীফের পাশেই অবস্থিত।এটি মাদারীপুর শহর থেকে ১০ কি:মি: দুরে অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে- ১৭৭৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে, নীল চাষের আগমন ঘটে এবং ১৮৩০ সালের মধ্যে বাংলায় প্রায় ১০০০ টির বেশি নীল তৈরির কারখানা স্থাপন করেন, তারই ধারাবাহিকতায়, মাদারীপুরের আউলিয়াপুরে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে এই ” নীলকুঠি “স্থাপিত হয়।ইংরেজ নীলকর ডানলপ এই কুঠি নির্মাণ ও পরিচালনা করেন। এটি ডানলপ সাহেবের নীলকুঠি বা ঢকল সাহেবের কুঠি নামে পরিচিত। এই কুঠি থেকে কৃষকদের নীল চাষের জন্যে বাধ্য করা হতো,চাষ না করতে চাইলে,তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন ও শোষন চালানো হত।অত্যাচার যখন সহনাতীত পর্যায়ে পৌছায়,তখন ফজায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তউল্লা(র) এবং তার পূএ পীর মহসিন উদ্দিন,দুদু মিয়া(র) কুঠিয়ালদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন।এ সময় কৃষকদের উপর নানা নির্যাতন ও জুলুমের সাক্ষী এই নীলকুঠি। বয়স্করা মনে করেন এটি একটি অভিশপ্ত জায়গা,যা বহু অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী। এটি একটি অন্ধকারচ্ছন্ন জীবন্ত ইতিহাস। স্থানীয়রা বলেন প্রতিদিন বহু দর্শনার্থী, জীবন্ত ইতিহাস প্রত্যক্ষ করার জন্য এখানে ছুটে আছেন। বর্তমানে এটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে, যার ১২ কক্ষ বিশিষ্ট ভাঙ্গা দালান ও ৪০ ফুট উচ্চতার একটি চিমনি অবশিষ্ট আছে। ইতিহাসের এই অন্ধকারাচ্ছন্ন, স্বাক্ষটির সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা আবশ্যক। আশাকরি প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর বিষয়টির যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।