ঢাকা ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
ঝিনাইদহে রমজান মাসে ফেসবুকে যৌনতার ছবি, পুলিশ সুপারের কাছে ইমামদের অভিযোগ। দুনীতিবাজ মাফিয়া মাসুদ এখন আলমডাঙ্গার কৃষি কর্মকর্তা, সারের বাড়তি দামে ঝুকিতে আলমডাঙ্গা কৃষি ও কৃষকের উৎপাদন। পূর্ব মানিক নগর মাদকদ্রব্য পুলিশের অভিযানে এক কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার। ঢাকা কদমতলীর মূর্তিমান আতঙ্ক আওয়ামী নেত্রী মুন্নী। বাফার ৩৪ সার গুদাম নির্মাণে ব্যপক অনিয়ম: বিসিআইসিতে ‘কোকো পরিষদ’ ব্যানারে চেয়ারম্যান ও পিডি’র ক্যাশিয়ার খ্যাত  কে এই নজরুল ইসলাম? শ্রীপুরে অটোরিক্সা চালককে অপহরণ: মুক্তিপণ আদায় ও নির্যাতনের পর উদ্ধার, গ্রেফতার-৩। রমজানকে ঘিরে উলিপুরে ব্যাপক বাজার মনিটরিং: ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, সতর্কবার্তা প্রশাসনের। নৌপরিবহন অধিদপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার আবুল বাশারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ। বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি উদ্যোগে ময়মনসিংহে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। বহুল প্রচারিত জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল সারাক্ষণ বার্তার প্রকাশক দম্পতির একমাত্র সন্তান অবন্তিকা দাসের জন্মদিন উদযাপন।

অপশাসন- শোষণের স্মৃতি চিহ্ন বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে মাদারীপুরের নীল কুঠি।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১৩ জন সংবাদটি পড়েছেন
  1. জরাজীর্ন ও ধংসস্তুপ অবস্থায় পড়ে আছে, বাংলার অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী মাদারীপুরের , আউলিয়াপুর “নীলকুঠি “।মাদারীপুর সদর উপজেলার, ছিলারচর ইউনিয়নের,আউলিয়াপুর গ্রামে অবস্থিত।যা আউলিয়াপুর দরগা শরীফের পাশেই অবস্থিত।এটি মাদারীপুর শহর থেকে ১০ কি:মি: দুরে অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে- ১৭৭৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে, নীল চাষের আগমন ঘটে এবং ১৮৩০ সালের মধ্যে বাংলায় প্রায় ১০০০ টির বেশি নীল তৈরির কারখানা স্থাপন করেন, তারই ধারাবাহিকতায়, মাদারীপুরের আউলিয়াপুরে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে এই ” নীলকুঠি “স্থাপিত হয়।ইংরেজ নীলকর ডানলপ এই কুঠি নির্মাণ ও পরিচালনা করেন। এটি ডানলপ সাহেবের নীলকুঠি বা ঢকল সাহেবের কুঠি নামে পরিচিত। এই কুঠি থেকে কৃষকদের নীল চাষের জন্যে বাধ্য করা হতো,চাষ না করতে চাইলে,তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন ও শোষন চালানো হত।অত্যাচার যখন সহনাতীত পর্যায়ে পৌছায়,তখন ফজায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তউল্লা(র) এবং তার পূএ পীর মহসিন উদ্দিন,দুদু মিয়া(র) কুঠিয়ালদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন।এ সময় কৃষকদের উপর নানা নির্যাতন ও জুলুমের সাক্ষী এই নীলকুঠি। বয়স্করা মনে করেন এটি একটি অভিশপ্ত জায়গা,যা বহু অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী। এটি একটি অন্ধকারচ্ছন্ন জীবন্ত ইতিহাস। স্থানীয়রা বলেন প্রতিদিন বহু দর্শনার্থী, জীবন্ত ইতিহাস প্রত্যক্ষ করার জন্য এখানে ছুটে আছেন। বর্তমানে এটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে, যার ১২ কক্ষ বিশিষ্ট ভাঙ্গা দালান ও ৪০ ফুট উচ্চতার একটি চিমনি অবশিষ্ট আছে। ইতিহাসের এই অন্ধকারাচ্ছন্ন, স্বাক্ষটির সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা আবশ্যক। আশাকরি প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর বিষয়টির যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিনাইদহে রমজান মাসে ফেসবুকে যৌনতার ছবি, পুলিশ সুপারের কাছে ইমামদের অভিযোগ।

অপশাসন- শোষণের স্মৃতি চিহ্ন বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে মাদারীপুরের নীল কুঠি।

আপডেট সময় : ১০:৩৮:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  1. জরাজীর্ন ও ধংসস্তুপ অবস্থায় পড়ে আছে, বাংলার অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী মাদারীপুরের , আউলিয়াপুর “নীলকুঠি “।মাদারীপুর সদর উপজেলার, ছিলারচর ইউনিয়নের,আউলিয়াপুর গ্রামে অবস্থিত।যা আউলিয়াপুর দরগা শরীফের পাশেই অবস্থিত।এটি মাদারীপুর শহর থেকে ১০ কি:মি: দুরে অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে- ১৭৭৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে, নীল চাষের আগমন ঘটে এবং ১৮৩০ সালের মধ্যে বাংলায় প্রায় ১০০০ টির বেশি নীল তৈরির কারখানা স্থাপন করেন, তারই ধারাবাহিকতায়, মাদারীপুরের আউলিয়াপুরে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে এই ” নীলকুঠি “স্থাপিত হয়।ইংরেজ নীলকর ডানলপ এই কুঠি নির্মাণ ও পরিচালনা করেন। এটি ডানলপ সাহেবের নীলকুঠি বা ঢকল সাহেবের কুঠি নামে পরিচিত। এই কুঠি থেকে কৃষকদের নীল চাষের জন্যে বাধ্য করা হতো,চাষ না করতে চাইলে,তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন ও শোষন চালানো হত।অত্যাচার যখন সহনাতীত পর্যায়ে পৌছায়,তখন ফজায়েজী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তউল্লা(র) এবং তার পূএ পীর মহসিন উদ্দিন,দুদু মিয়া(র) কুঠিয়ালদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন।এ সময় কৃষকদের উপর নানা নির্যাতন ও জুলুমের সাক্ষী এই নীলকুঠি। বয়স্করা মনে করেন এটি একটি অভিশপ্ত জায়গা,যা বহু অন্ধকার ইতিহাসের সাক্ষী। এটি একটি অন্ধকারচ্ছন্ন জীবন্ত ইতিহাস। স্থানীয়রা বলেন প্রতিদিন বহু দর্শনার্থী, জীবন্ত ইতিহাস প্রত্যক্ষ করার জন্য এখানে ছুটে আছেন। বর্তমানে এটি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে, যার ১২ কক্ষ বিশিষ্ট ভাঙ্গা দালান ও ৪০ ফুট উচ্চতার একটি চিমনি অবশিষ্ট আছে। ইতিহাসের এই অন্ধকারাচ্ছন্ন, স্বাক্ষটির সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা আবশ্যক। আশাকরি প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর বিষয়টির যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।