বেইসটেক নামের একটি প্রতিষ্ঠান খুলে রেন্ট-এ কার ও পোর্ট থেকে গাড়ী নিয়ে এসে ব্যবসা করে আসছে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রতিষ্ঠানের মালিক নীলয়।জানা যায়,নীলয় রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ৬নং ওর্য়াডের রাজপাড়া এলাকার এনায়েতুর রহমানের ছেলে।
সে ঢাকার মিরপুরের ডিওএইচএস এলাকায় একটি অফিস ভাড়া নিয়ে শুরু করেন ব্যবসা। সেই ব্যবসাকে পুজি করে প্রতারণা।
প্রতিষ্ঠানটির জন্য গাড়ী সংগ্রহে নিয়োজিত রেখেছেন দোলা নামক একটি মেয়েকে একাউন্ট ম্যানেজার পরিচয়ে কাজ করছে মেহেদী হাসান।মূলত এই ব্যবসার আড়ালে সাইন বোর্ড-কে পূজি করে বিভিন্ন মানুষ-কে গাড়ীর ভুয়া কাগজ ও তৎকালীন সরকার আওয়ামী লীগের এমপি মন্ত্রী সহ নেতাকর্মীদের বিভিন্ন নামি দামি ব্র্যান্ডের দামি দামি গাড়ী দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায় দোলা তৎকালীন বিভিন্ন আওয়ামী নেতাদের ল্যান্ড ক্রুজার,প্রাডো, মার্সিডিজ বেন,হেরিয়ার সহ নানান ধরনের দামি গাড়ীর কালেকশন করে নিলয়কে দেয়,পরবর্তীতে নিলয় এসব গাড়ির নাম্বার প্লেট পরিবর্তন করে গাড়ি গুলো মোংলা পোর্ট ও চট্টগ্রাম পোর্ট থেকে বের করে আনা হয়েছে বলে পোর্টের ভুয়া কাগজ ও গাড়ির দেখিয়ে মানুষের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবত। গত ৫ই আগষ্ট ২০২৪ এর পর থেকে এসব বেনামি গাড়ী দেখিয়ে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে আসছেন নিলয় ও তার সহযোগীরা।টাকা নেওয়ার পর গাড়ী দিবে দিবে বলেও সে কোন গাড়ী আর দেইনি।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা তার কাছে গাড়ীর বিষয়ে গেলে দেওয়া হয় নানা ধরনের হুমকি।প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে নিলয় ও তার সহযোগীরা এসব অপকর্ম করে যাচ্ছে বলে জানা যায়।এবিষয়ে,
গাড়ী ক্রয় করা করার জন্য লিটন মিয়া নীলয়-কে গাড়ী কেনার জন্য এগার লক্ষ এিশ হাজার টাকা দেন তিনি। গাড়ীর ভূয়া পোর্ট এর কাগজ দেখিয়ে লেনদেন করেন আগে,লেনদেন এর পরে গাড়ীর সার্ভিস করে ডেলিভারি দিচ্ছে বলে মাসের পর মাস নানান ধরণের সমস্যা তুলে ধরেন।এক পর্যায়ে লিটন মিয়া তার কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে সে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও সেনা বাহিনি,ডিবি ও বিভিন্ন প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে হুমকি প্রদর্শন করে।তার এমন অপকর্মে লিটন মিয়া বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
সবুজ, মির্জাপুর প্রতিনিধি 









