আজ শনিবার ( ২৭ ডিসেম্বর,২০২৫) তারি মাদারীপুর রাজৈরের কদমবাড়ীতে বিকাল ৪:০০টায় ময়মনসিংহ জেলার ভালুকায় নির্মমভাবে পিটিয়ে এবং জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে হত্যার বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঘন্টাব্যাপী এ বিক্ষোভ সমাবেশে হাজার হাজার নারী পুরুষ,বৃদ্ধ ও শিশুদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। তাদের সবার একটাই দাবি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের সমান সুযোগ ও নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার এই মৌলিক অধিকার রক্ষায় পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।দিপু চন্দ্র দাসের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সকলকে অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে। ভবিষ্যতে যেন এই বাংলাদেশে অন্যায়ভাবে আর কাউকে জীবন দিতে না হয়। যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধ করে থাকে তবে তার শাস্তি দিবে রাষ্ট্র ও সরকার।কেন উগ্রবাদীদের হাতে নৃশংসভাবে নিহত হবে এদেশের সাধারণ মানুষ।এ অন্যায়ের প্রতিবিধান রাষ্ট্রকেই করতে হবে। ঘন্টাব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, রাজৈর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও কদমবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এডভোকেট গৌরাঙ্গ বসু, মাদারীপুর জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের যুগ্ম আহ্বায়ক ও রাজৈর উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সদস্য সচিব সনজীব কুমার দাস, সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা সুধাংশু কুমার গাইন,প্রীতিশ কুমার বিশ্বাস,দীলিপ কুমার গাইন, কদমবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক। সম্পাদক মৃণাল সরকার,দুলাল চন্দ্র অধিকারী,সামিন্দ্র সরকার প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
বক্তাদের দাবি আর যেন এদেশে নিরীহ জনগণের ওপর বর্বরোচিত, নৃশংস ও কাপুরোষোচিত জঘন্য অপরাধ সংঘটিত না হয় তা সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। সরকার ব্যর্থ হলে যুগপৎ আন্দোলনের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে বিচারের দাবি তুলতে বাধ্য হবো। বক্তারা আরো বলেন, আমরা এদেশের ভূমি পুত্র। আমরা চাই বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রতিটি পর্যায়ে আমরা অংশীজন হয়ে রাষ্ট্রকে বৈশ্বিকভাবে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে। তারা আরো বলেন, উগ্রবাদীদের হাতে নৃশংসভাবে খুন হওয়া দিপু চন্দ্র দাসের পরিবারের সম্পূর্ণ ভোরণপোষনের দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।
সারাক্ষণ ডেস্ক 
















