ঢাকা ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
যশোরের শার্শায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার। মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী নাসির-সুমন চক্রের মিথ্যা অপহরণ মামলার বাদি সাক্ষী,লাপাত্তা। ডুমুরিয়ায় দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, তদন্তে তীর্থ ফৌজদার অভিযুক্ত। মাগুরা জার্নালিস্ট ফোরাম ঢাকা’র আত্মপ্রকাশ: সভাপতি শাহিনুর, সম্পাদক রবি। সারাক্ষণ বার্তায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ লিপি। তারাকান্দায় প্রবাসীর স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত, স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ। ঘুসকান্ডে চুড়ান্তভাবে চাকরী থেকে বরখাস্ত হলেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের। প্রতিবাদও কি ‘ম্যানেজড’? গণপূর্তের কায়কোবাদকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন : এক পত্রিকার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জবাব অন্য মাধ্যমে—‘গৃহপালিত সাংবাদিকতা’র অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন ?   ৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, কোটালীপাড়ায় আদালতে মামলা। এমডি’র অব্যবস্থাপনায় ডুবছে অগ্রণী ব্যাংক!

বর্তমান রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর আমলনামা।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৫৩ জন সংবাদটি পড়েছেন

এই মহাপবিত্র মানুষটা – পাবনা জেলা ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের সভাপতি হন,তারপর হন জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক।

পরবর্তীতে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা উপ কমিটির চেয়ারম্যান,অতঃপর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মনোনীত হন।সেখান থেকে চুড়ান্ত বাছাই করে শেখ হাসিনা তাকে রাষ্টপতি বানায়।

 

তাছাড়া ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পরপর নাকি আওয়ামীলীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীর ওপর নাকি হামলা হয়। যাতে অভিযোগ করা হয়…

 

হ*ত্যা, ধ*র্ষণ ও লুণ্ঠনের ঘটনা ঘটে। পরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে ওসব ঘটনার তদন্তে \কমিশন’ গঠন করেন, যার প্রধান ছিলেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।

 

তিনি ২০০৯ সাল থেকে-২০১৬ সাল পর্যন্ত দুদকের চেয়ারম্যান ছিলো। দুদকের সাবেক কমিশনার শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর মেইন অ্যাসাইনমেন্ট ছিলো খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি নিশ্চিত করা। আরাফাত রহমান কোকোর নামে বিদেশ থেকে পাচার করা টাকা ফিরিয়ে আনা।

কমিশনার চুপ্পুর দ্বিতীয় অ্যাসাইনমেন্ট ছিলো পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগ থেকে আ.লীকে ক্লিন শিট দেয়া।

তৃতীয় অ্যাসাইনমেন্ট ছিলো ফখরুদ্দিন-মঈন সরকারের সময়ে শেখ হাসিনাসহ আ.লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলাগুলো বাতিল করে দেয়া।

এই তিন অ্যাসাইনমেন্টসহ নিয়োগ কর্তার অর্পিত সব দায়িত্বই অত্যন্ত আনুগত্যের সাথে করেছেন জনাব চুপ্পু। জনৈক বুদ্ধিজীবী মন্তব্য করেছেন আমার দেখা সবচেয়ে ওবিডিয়েন্ট মানুষ মান্যবর রাষ্ট্রপতি।

তাছাড়া ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার পিছনে তার একটা অবদান ও আছে।এবং এস আলম এর হাতে ইসলামী ব্যাংকের সকল টাকা তুলেও  তিনিই দিয়েছেন।

 

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরের শার্শায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার।

বর্তমান রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর আমলনামা।

আপডেট সময় : ১২:৫৯:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এই মহাপবিত্র মানুষটা – পাবনা জেলা ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের সভাপতি হন,তারপর হন জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক।

পরবর্তীতে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা উপ কমিটির চেয়ারম্যান,অতঃপর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মনোনীত হন।সেখান থেকে চুড়ান্ত বাছাই করে শেখ হাসিনা তাকে রাষ্টপতি বানায়।

 

তাছাড়া ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পরপর নাকি আওয়ামীলীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীর ওপর নাকি হামলা হয়। যাতে অভিযোগ করা হয়…

 

হ*ত্যা, ধ*র্ষণ ও লুণ্ঠনের ঘটনা ঘটে। পরে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে ওসব ঘটনার তদন্তে \কমিশন’ গঠন করেন, যার প্রধান ছিলেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।

 

তিনি ২০০৯ সাল থেকে-২০১৬ সাল পর্যন্ত দুদকের চেয়ারম্যান ছিলো। দুদকের সাবেক কমিশনার শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর মেইন অ্যাসাইনমেন্ট ছিলো খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি নিশ্চিত করা। আরাফাত রহমান কোকোর নামে বিদেশ থেকে পাচার করা টাকা ফিরিয়ে আনা।

কমিশনার চুপ্পুর দ্বিতীয় অ্যাসাইনমেন্ট ছিলো পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগ থেকে আ.লীকে ক্লিন শিট দেয়া।

তৃতীয় অ্যাসাইনমেন্ট ছিলো ফখরুদ্দিন-মঈন সরকারের সময়ে শেখ হাসিনাসহ আ.লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে হওয়া দুর্নীতির মামলাগুলো বাতিল করে দেয়া।

এই তিন অ্যাসাইনমেন্টসহ নিয়োগ কর্তার অর্পিত সব দায়িত্বই অত্যন্ত আনুগত্যের সাথে করেছেন জনাব চুপ্পু। জনৈক বুদ্ধিজীবী মন্তব্য করেছেন আমার দেখা সবচেয়ে ওবিডিয়েন্ট মানুষ মান্যবর রাষ্ট্রপতি।

তাছাড়া ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার পিছনে তার একটা অবদান ও আছে।এবং এস আলম এর হাতে ইসলামী ব্যাংকের সকল টাকা তুলেও  তিনিই দিয়েছেন।