ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
আনোয়ারা উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় জিডি।সম্মানহানি রোধে আইনানুগ পদক্ষেপ, তদন্তের আশ্বাস পুলিশের। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের নিয়ে সিলেট সিটি অনলাইন প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল। ধামরাইয়ে জোরপূর্বক জমি দখলে রাখার অভিযোগ, বারংবার বিচারেও মিলছে না সমাধান। মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন। ধামরাইয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেপ্তার ৩। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED)-এর ঢাকা জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়ার পুনর্বহাল নিয়ে নানামুখী গুঞ্জন। বীরগঞ্জে ২ মাদক সেবী কারাদণ্ডে দণ্ডিত।  বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাতে পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ: বাইরে থেকে তালা মেরে বসতঘরে আগুন, প্রাণনাশের চেষ্টা। ভোলাহাট সীমান্তে ডিএনসি’র অভিযানে হেরোইনসহ আটক ১। আমার রক্তে বাঁচুক প্রাণ ব্লাড ডোনার্স সোসাইটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন।

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন।বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিসসহ বিভিন্ন স্থানে মশার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না কেউই। মশার কয়েল, ধোঁয়া ও স্প্রে সব কিছুই যেন মশার কাছে হার মানছে। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করেও যেন রেহাই নেই। দুশ্চিন্তায় গাজীপুর বাসিন্দারা।

গাজীপুর বাসীর অভিযোগ ময়লা আবর্জনার স্তূপ।আবর্জনায় মশা ও মাছি জন্ম নেয়। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা এবং ময়লা-আবর্জনার কারণে মশার উৎপাত বেড়েছে। মশক নিধন কার্যক্রমের অভাবে মশার বিস্তার চরম আকার ধারণ করেছে। এতে মশার অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে গাজীপুর।

উপদ্রব এমন ভাবে বেড়েছে যে, ছাত্র-ছাত্রীরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। সন্ধ্যার আগে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করেও রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না। মশা কামড়ানোর পর সে স্থানে ফুলে যন্ত্রণা করে। বাসাবাড়ি, শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিসসহ বিভিন্ন স্থানে মশার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না কেউই। মশার কয়েল, ধোঁয়া ও স্প্রে সব কিছুই যেন মশার কাছে হার মানছে। দিনের আলোতেও মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে কয়েল ব্যবহার করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীরা বলেন, সন্ধ্যার আগেই ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করতে হয়। তারপর যেন রেহাই নেই। কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। এমন অবস্থা যে, কয়েলের ওপরও মশা ঘোরাঘুরি করে। দিনেও কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। আর মশা যেখানে কামড়ায় সেখানে জ্বালা-যন্ত্রণা করে ও ফুলে ওঠে। কয়েল কিনতে প্রতি দিন ১০ টাকা খরচ হয়। যদি এমন অবস্থা চলতে থাকে, তাহলে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

কোনাবাড়ী ডিগ্রি কলেজের এলাকার শিক্ষার্থী আবু তালেব হোসেন বলেন, এত বেশি মশার উপদ্রব বেড়েছে যে, ঠিকমতো পড়াশোনা করা যায় না। কয়েল জ্বালিয়ে মশারির ভেতরে পড়তে হচ্ছে।

সফিপুর বাজার সেলিম বলেন, এ এলাকায় মশা নিধনের তেমন একটা কার্যক্রম চোখে পড়ে না।অথচ সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত পৌরবাসী।

গাজীপুর এলাকাবাসীর আকুল দাবি সরকারের কাছে এই মশা নিধন করার জন্য কিছু একটা ব্যবস্থা করেন।

 

 

 

 

 

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

আনোয়ারা উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় জিডি।সম্মানহানি রোধে আইনানুগ পদক্ষেপ, তদন্তের আশ্বাস পুলিশের।

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন।

আপডেট সময় : ০৫:৩২:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে মানুষের জীবন।বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিসসহ বিভিন্ন স্থানে মশার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না কেউই। মশার কয়েল, ধোঁয়া ও স্প্রে সব কিছুই যেন মশার কাছে হার মানছে। ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করেও যেন রেহাই নেই। দুশ্চিন্তায় গাজীপুর বাসিন্দারা।

গাজীপুর বাসীর অভিযোগ ময়লা আবর্জনার স্তূপ।আবর্জনায় মশা ও মাছি জন্ম নেয়। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা এবং ময়লা-আবর্জনার কারণে মশার উৎপাত বেড়েছে। মশক নিধন কার্যক্রমের অভাবে মশার বিস্তার চরম আকার ধারণ করেছে। এতে মশার অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে গাজীপুর।

উপদ্রব এমন ভাবে বেড়েছে যে, ছাত্র-ছাত্রীরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। সন্ধ্যার আগে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করেও রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না। মশা কামড়ানোর পর সে স্থানে ফুলে যন্ত্রণা করে। বাসাবাড়ি, শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, অফিসসহ বিভিন্ন স্থানে মশার আক্রমণ থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না কেউই। মশার কয়েল, ধোঁয়া ও স্প্রে সব কিছুই যেন মশার কাছে হার মানছে। দিনের আলোতেও মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে কয়েল ব্যবহার করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীরা বলেন, সন্ধ্যার আগেই ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করতে হয়। তারপর যেন রেহাই নেই। কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। এমন অবস্থা যে, কয়েলের ওপরও মশা ঘোরাঘুরি করে। দিনেও কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। আর মশা যেখানে কামড়ায় সেখানে জ্বালা-যন্ত্রণা করে ও ফুলে ওঠে। কয়েল কিনতে প্রতি দিন ১০ টাকা খরচ হয়। যদি এমন অবস্থা চলতে থাকে, তাহলে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

কোনাবাড়ী ডিগ্রি কলেজের এলাকার শিক্ষার্থী আবু তালেব হোসেন বলেন, এত বেশি মশার উপদ্রব বেড়েছে যে, ঠিকমতো পড়াশোনা করা যায় না। কয়েল জ্বালিয়ে মশারির ভেতরে পড়তে হচ্ছে।

সফিপুর বাজার সেলিম বলেন, এ এলাকায় মশা নিধনের তেমন একটা কার্যক্রম চোখে পড়ে না।অথচ সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত পৌরবাসী।

গাজীপুর এলাকাবাসীর আকুল দাবি সরকারের কাছে এই মশা নিধন করার জন্য কিছু একটা ব্যবস্থা করেন।