পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছিলেন চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার সন্তান হারুন সিকদার। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—স্বপ্ন পূরণের আগেই নিথর দেহ হয়ে দেশে ফিরতে হলো তাকে।
জানা যায়, জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে গিয়ে একটি পাঁচতলা ভবনের নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন হারুন। কর্মস্থলে একটি চতুর্মুখী সিঁড়িতে কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে স্থানীয় একটি মেডিকেল কেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টানা ১১ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেন। অবশেষে সোমবার রাতে তার মৃত্যু হয়।
নিহত হারুন সিকদার চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বরুমচড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি রহমত আলী সিকদারের নতুন বাড়ির মো. নাগু মিয়ার ছেলে।
মঙ্গলবার তার মরদেহ দেশে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারের সদস্যদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
প্রবাস জীবন যে কতটা অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ—হারুন সিকদারের এই মৃত্যু যেন তারই এক নির্মম উদাহরণ। স্বপ্ন দেখেছিলেন পরিবারের সুখের জন্য, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নিজেই হয়ে গেলেন সেই স্বপ্নভঙ্গের বেদনাময় গল্প।
চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি 



















