বরিশালের একটি প্রগামে যাওয়ার পথে মাদারীপুরের রাজৈর সাধুরব্রীজে স্থানীয় বি এন পির নেতৃবৃন্দ স্বাগত জানানো উপলক্ষে সকাল থেকে সমবেত হতে থাকে থাকে।
স্বাগত জানাতে আসে বি এন পির বাজিতপুর ইউনিয়নের সভাপতি ফজলুল হক, সাধারণ সম্পাদক কামাল চৌকিদার ও সাবেক বাজিতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম হাওলাদার।
রাস্তার ডানদিকে অবস্থান নেয় সাধারণ সম্পাদক কামাল চৌকিদার ও নাসির হাওলাদার গ্রুপ। ঠিক উল্টো দিকে অর্থাৎ বাজিতপুর বাজার সড়কের ডানপাশে অবস্থান নেয় সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম হাওলাদারের দল। ঘড়ির কাঁটায় ঠিক ৮:৩৬ তারেক রহমানের গাড়িবহর সাধুর ব্রিজ অতিক্রম কালে গাড়ির গতি ধীর করে যাওয়ার সময় সাধুরব্রীজে যাত্রী ছাওনির পশ্চিম পাশ থেকে নীল টি শার্ট পরিহিত ও জিন্সের প্যান্ট পরা এক যুবক পাথর ছুড়ে মারে তারেক রহমানের গাড়ির দিকে লক্ষ্য করে।
কিন্তুু লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে সেই পাথর পড়ে এসএসএফ এর গাড়ির আয়নার উপরে।তৎক্ষনাৎ এসএসএফের সদস্যরা মাথা বের করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।পরিস্থিতি বেসামাল না হওয়ার কারণে তৎক্ষনাৎ গাড়ি টেনে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর চলে যায়।
তবে সাংবাদিকের ক্যামেরায় উক্ত পাথর নিক্ষেপ কারীর পিছনের সাইড ও কোনদিকে দৌড় দেয় তা পুরোপুরি বোঝা যায়।
পরে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সিসি টিভির ফুটেজ দেখে শনাক্ত করার চেষ্টা করে।তবে সিসি টিভি ফুটেজের ব্যক্তিই যে পাথর নিক্ষেপ করেছো এটা তিনি নিশ্চিত করেছেন কিন্তু ব্যাক সাইড থেকে ক্যামেরায় ছবি উঠানোর কারণে এখনো ব্যক্তিকে সনাক্ত করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। তবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে।অনেকের ধারণা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এই কান্ডের মূল হোতা হতে পারে।
কেউ কেউ মনে করছেন মাদারীপুর-২ সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগকে যেভাবে পুর্নবাসন করা হচ্ছে ভবিষ্যতে হয়তো এর চেয়েও বড় কোনো অঘটন ঘটাতে পারে। কেননা আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা গুপ্তভাবে জাতীয়তাবাদী দলের সাথে মিশে মূলধারার জাতীয়তাবাদী নেতা কর্মীদের তারা কোনঠাসা করে রেখেছে।
মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি: 
























