ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, কোটালীপাড়ায় আদালতে মামলা। এমডি’র অব্যবস্থাপনায় ডুবছে অগ্রণী ব্যাংক! ভাঙ্গুড়ায় শহীদ মিনারের জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। আলীগের সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যশোরে হত্যাচেষ্টা মামলা। শিশু খাদ্যে ভেজালে পুলেরহাটে তানসীপ ট্রেডার্সকে লক্ষ টাকা জরিমানা। কুমিল্লা বুড়িচং প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে খোরশেদ সভাপতি, বাবু সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির। গণপূর্তের ‘উজির’: ক্ষমতার বলয়, টেন্ডার সিন্ডিকেট ও বিপুল সম্পদের অভিযোগ। গণপূর্তে ‘কায়কোবাদ বলয়’ : কমিশন বাণিজ্য, বদলি-পদায়ন ও বিপুল সম্পদের অভিযোগ—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি। কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: আনন্দ-উচ্ছ্বাসে কাহারোলবাসী। রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে ঠাকুরগাঁওয়ের আউয়াল আহমেদ।

৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, কোটালীপাড়ায় আদালতে মামলা।

 

 

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন আছমা বেগম নামের এক নারী। মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

আদালতে দাখিল করা মামলার নথি ও অঙ্গীকারনামা থেকে জানা যায়, আছমা বেগম ও হাবিবুর রহমানের মধ্যে আগে থেকেই পরিচয় ও পারিবারিক ঘনিষ্ঠতা ছিল। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে হাবিবুর রহমান আর্থিক প্রয়োজনে টাকা ধার চান বলে অভিযোগ করেন আছমা।

মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ২৮ আগস্ট বিকেলে কোটালীপাড়া উপজেলার টুপুরিয়া এলাকায় বাদীর স্বামীর বসতঘরের একটি কক্ষে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে হাবিবুর রহমানের নামে দুটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা করা হয়। এরপর তাঁকে নগদ ৩ লাখ টাকা দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অঙ্গীকারনামায় ছয় মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। বরং বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ বাদীর।

নথিতে আরও বলা হয়, টাকা ফেরতের জন্য আছমা বেগম, তাঁর ছেলে ও সাক্ষীরা একাধিকবার হাবিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ২০২৪ সালের ৮ নভেম্বর তাঁর বাড়িতে গিয়ে টাকা ফেরতের দাবি করা হলেও তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে টাকা উদ্ধারের জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে আদালতে মামলা করেন আছমা বেগম। মামলার সঙ্গে হাবিবুর রহমানের নামে করা অঙ্গীকারনামার কপিও দাখিল করা হয়েছে।

‘মীমাংসার কথা বলে জামিনে বের হন’

আছমা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, হাবিবুর রহমানকে আদালতের মাধ্যমে জেলা হাজতে পাঠানো হয়েছিল। পরে ২০ থেকে ২২ দিনের মধ্যে মীমাংসার কথা বলে তিনি জামিনে বের হয়ে আসেন। কিন্তু এরপরও টাকা ফেরত দেননি এবং মীমাংসাও করেননি।

আছমা বেগম বলেন, ‘টাকা ফেরত ও মীমাংসা—কোনোটারই মুখ দেখিনি।’

মামলায় হাবিবুর রহমানকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। তিনি কোটালীপাড়া উপজেলার টুপুরিয়া এলাকার বাসিন্দা।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে হাবিবুর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলার অভিযোগের সত্যতা ও দায়-দায়িত্ব আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, কোটালীপাড়ায় আদালতে মামলা।

৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, কোটালীপাড়ায় আদালতে মামলা।

আপডেট সময় : ০৫:০৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

 

 

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন আছমা বেগম নামের এক নারী। মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

আদালতে দাখিল করা মামলার নথি ও অঙ্গীকারনামা থেকে জানা যায়, আছমা বেগম ও হাবিবুর রহমানের মধ্যে আগে থেকেই পরিচয় ও পারিবারিক ঘনিষ্ঠতা ছিল। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে হাবিবুর রহমান আর্থিক প্রয়োজনে টাকা ধার চান বলে অভিযোগ করেন আছমা।

মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ২৮ আগস্ট বিকেলে কোটালীপাড়া উপজেলার টুপুরিয়া এলাকায় বাদীর স্বামীর বসতঘরের একটি কক্ষে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে হাবিবুর রহমানের নামে দুটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা করা হয়। এরপর তাঁকে নগদ ৩ লাখ টাকা দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অঙ্গীকারনামায় ছয় মাসের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে। তবে নির্ধারিত সময় পার হলেও টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। বরং বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ বাদীর।

নথিতে আরও বলা হয়, টাকা ফেরতের জন্য আছমা বেগম, তাঁর ছেলে ও সাক্ষীরা একাধিকবার হাবিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ২০২৪ সালের ৮ নভেম্বর তাঁর বাড়িতে গিয়ে টাকা ফেরতের দাবি করা হলেও তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে টাকা উদ্ধারের জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে আদালতে মামলা করেন আছমা বেগম। মামলার সঙ্গে হাবিবুর রহমানের নামে করা অঙ্গীকারনামার কপিও দাখিল করা হয়েছে।

‘মীমাংসার কথা বলে জামিনে বের হন’

আছমা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, হাবিবুর রহমানকে আদালতের মাধ্যমে জেলা হাজতে পাঠানো হয়েছিল। পরে ২০ থেকে ২২ দিনের মধ্যে মীমাংসার কথা বলে তিনি জামিনে বের হয়ে আসেন। কিন্তু এরপরও টাকা ফেরত দেননি এবং মীমাংসাও করেননি।

আছমা বেগম বলেন, ‘টাকা ফেরত ও মীমাংসা—কোনোটারই মুখ দেখিনি।’

মামলায় হাবিবুর রহমানকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। তিনি কোটালীপাড়া উপজেলার টুপুরিয়া এলাকার বাসিন্দা।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে হাবিবুর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলার অভিযোগের সত্যতা ও দায়-দায়িত্ব আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।