ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
যশোরের শার্শায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার। মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী নাসির-সুমন চক্রের মিথ্যা অপহরণ মামলার বাদি সাক্ষী,লাপাত্তা। ডুমুরিয়ায় দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, তদন্তে তীর্থ ফৌজদার অভিযুক্ত। মাগুরা জার্নালিস্ট ফোরাম ঢাকা’র আত্মপ্রকাশ: সভাপতি শাহিনুর, সম্পাদক রবি। সারাক্ষণ বার্তায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ লিপি। তারাকান্দায় প্রবাসীর স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত, স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ। ঘুসকান্ডে চুড়ান্তভাবে চাকরী থেকে বরখাস্ত হলেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের। প্রতিবাদও কি ‘ম্যানেজড’? গণপূর্তের কায়কোবাদকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন : এক পত্রিকার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জবাব অন্য মাধ্যমে—‘গৃহপালিত সাংবাদিকতা’র অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন ?   ৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, কোটালীপাড়ায় আদালতে মামলা। এমডি’র অব্যবস্থাপনায় ডুবছে অগ্রণী ব্যাংক!

মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী নাসির-সুমন চক্রের মিথ্যা অপহরণ মামলার বাদি সাক্ষী,লাপাত্তা।

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষ মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী পুলিশের সোর্স খ্যাত নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা নাসির-সুমন ওরফে সাদ্দাম চক্রের ইন্ধনে আদালতে দায়ের করা মিথ্যা সাজানো অপহরণ মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে বাদী (পোষ্য মা),সাক্ষীরা লাপাত্তা। গাজীপুর জেলা বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গত ১২/৮/২৬ তারিখে দায়ের করা সিপি ২০০/২৬ নং মামলায় গাজীপুর জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের(পিবিআই) তদন্তে সত্যতা না মেলায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। সাতক্ষীরা কালীগঞ্জের শীর্ষ মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেফতারি পরোয়ানা ভুক্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি এস এম নাসির উদ্দিন-সুমন ওরফে সাদ্দাম চক্রের বিরুদ্ধে আমাদের কণ্ঠসহ বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালের খবর থামাতে দৈনিক আমাদের কন্ঠের কালিগঞ্জ প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান সহ নাসিরউদ্দিনের প্রথম স্ত্রীর দায়ের করা নারী নির্যাতন মামলা থেকে বাঁচতে মোটা অংকের টাকা দিয়ে গাজীপুর জেলার কাশিমপুর থানার সারদাগঞ্জ গ্রামের মৃত আজিজ মোল্লার স্ত্রী মামলাবাজ আমেনা বেগমের দায়ের করা মিথ্যা, কথিত অপহরন মামলায় আসামি করে এ মামলা দায়ের করে। গত (২৭ আগস্ট) বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার দিকে মামলার তদন্তে গাজীপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্ত কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক মুজাহিদুল ইসলামের কার্যালয়ে অপহৃত ভিকটিম আফরিন আক্তার হাবিবা (১৮) তার স্বামী গাজীপুর জেলার কাশেমপুর থানার সারদাগঞ্জ গ্রামের মেহেদী হাসান, ভাই হৃদয় হাসান ও একই গ্রামের হাবিবুর রহমানের পুত্র মামা জাহিদুল ইসলাম ও জাকির হোসেন সহ অন্যান্য আসামিরা তদন্ত কর্মকর্তার সামনে হাজির হলে বাদি সাক্ষী লাপাত্তা থাকায় মিথ্যা অপহরন নাটকের মুখোশ উন্মোচিত হয়। ঐ সময় অপহরণ নাটকের ভিকটিম আফরিন আক্তার হাবিবা তার স্বামী মেহেদী হাসান, দেবর হৃদয় হাসান ও মামা জাহিদুল ও জাকির হোসেন সহ তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত হয়ে আমাদের কন্ঠকে জানান তাদের নামে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে বছরে পর বছর হয়রানি করে আসছে। তাদের অপরাধ প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করা, তবে আপনাদের নাম এখানে আসলো কেন বিষয়টি নিয়ে তারা বিস্ময় প্রকাশ করেন। তদন্তের আগে মামলা তুলে নিতে বাদীর বাড়ি ভাঙচুর মারধরের কাল্পনিক, পরিকল্পিত সাজানো ঘটনা তুলে সদুর ৪,শ মাইল দূরে বসে কথিত কয়েকটি নিউজ পোর্টালের ফটো ফটো কার্ড তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অস্ত্র ব্যবসায়ী নাসিরের স্ত্রী, সাংবাদিক ও ভিকটিমের ছবিসহ ছড়িয়ে দিয়ে বিভ্রান্তি ও বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। ঐ সময় ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান, হৃদয় সহ অন্যান্যরা জানান এই মামলার অন্যতম সাক্ষী সুমন ওরফে সাদ্দাম কালীগঞ্জ, শ্যামনগর, ঝিনাইদহ এলাকায় বাড়ি বলে দীর্ঘদিন আমাদের(সারদাগঞ্জ সাতবাড়ি) এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতো। সেই সুবাদে মোঃ সাদ্দাম হোসেন, পিতা ইদ্রিস, গ্রাম সারদাগঞ্জ সাতবাড়ি, থানা কাশেমপুর ,জেলা গাজীপুর এই ঠিকানায় জাতীয় পরিচয় পত্র সংগ্রহ করে। গত ৫ ই আগস্টের পর হতে তার ভাড়া বাসায় সাতক্ষীরা কালীগঞ্জের নাসির উদ্দিন সহ তার স্ত্রী সাতক্ষীরা জেলা মহিলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজমিরা সুলতানা পাখি ও তার সহযোগীরা প্রায় এসে আত্মগোপনে থেকে মাদক বেচাকেনা করতো। তবে বর্তমানে এই সাদ্দাম হোসেনকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না দে। স্থানীয়দের এ মামলায় কোন সাক্ষী না রাখা, সাতক্ষীরা এবং শ্যামনগর থানায় বাড়ি ঐ চক্রের সদস্যরাই এই মামলার সাক্ষী হওয়ার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে সচেতন মহলের মাঝে। অনুসন্ধানে জানা যায় গাজীপুর জেলার কাশেমপুর থানার সারদাগঞ্জ সাতবাড়ি গ্রামের মেহেদী হাসানের সঙ্গে একই গ্রামের মৃত আজিজ মোল্লার মেয়ে আফরিন আক্তার হাবিবার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। পালানোর সুবাদে তারা দীর্ঘ দিন শ্যামনগর এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকায় ঐ এলাকায় সাদ্দাম হোসেন ওরফে সুমন, নাসির উদ্দিন, এবং এলাকার মক্ষি রানী কয়েকদিন আগে আবাসিক হোটেলে, পার্কে পাকড়াও হওয়া কল গার্ল ফিরোজা পারভীনের সঙ্গে পরিচয় ঘটে। ঐ সময় তারা ভিকটিমের পালিত মা আমেনা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ করে নাসির, সুমন ওরফ সাদ্দামের কুটচালে বিয়ে মেনে নেওয়ার আশ্বাসে বাড়িতে ফিরিয়ে আনে। সরল বিশ্বাসে বাড়িতে আসলে আমেনা বেগম বাদী হয়ে কাশেমপুর থানায় স্বামী মেহেদী হাসানকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলায় মেহেদী হাসান দীর্ঘদিন জেল হাজতবাস করে গত ১০/৩/২৬ তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট থেকে জামিন লাভ করে বাড়িতে আসে। জামিনে বাড়িতে আসায় ভিকটিম আফরিন আক্তার হাবিবা গত ১৮/৪/২৬ ইং তারিখে স্বামীর বাড়িতে চলে যেয়ে সেখানে সুখে স্বাচ্ছন্দে ঘর সংসার বসবাস করে আসছে। এরপর থেকে তার পোষ্য মা আমিনা বেগমকে দিয়ে অস্ত্র, মাদক কারবারি নাসির- সুমনে চক্রের ইন্ধনে বিভিন্ন জায়গায় মিথ্যা অভিযোগ, মামলা দিয়ে ব্যবসা ও প্রতিনিয়ত হয়রানি করে আসছে। অন্যদিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানার কৃষ্ণনগর এলাকায় একাধিক অস্ত্র, গুলি, ১, হাজার পিস ইয়াবা সহ ডাকাত আটকের মামলার রিমান্ডে স্বেচ্ছায় আসামি ডাকাত ইয়ার আলীর দেওয়া ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিতে অস্ত্র ও গুলি বিক্রেতা অস্ত্র ও মাদক কারবারি ছাত্রলীগ নেতা এস এম নাসির উদ্দিনের নাম বেরিয়ে আসা নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকা, অনলাইন পোর্টালে খবর ছাপা হয়। উক্ত খবর থামাতে কালিগঞ্জ থেকে ৪০০ মাইল দূরে গাজীপুরের আমেনা বেগমকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে সাংবাদিক জড়িয়ে এবং তার প্রথম স্ত্রী মাসুরার নাম দিয়ে গত ১২ আগস্ট গাজীপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে ৬ জনকে আসামি করে কথিত অপহরণের মামলা করে। অথচ ঐ দিন পুলিশের সোর্স খ্যাত নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা নাসির-সুমনের ওরফে সাদ্দাম গ্রুপের হানি ট্রাপের ফাঁদে ফেলে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে দিয়ে মাদকসহ , ডাকাতি মামলায় মিথ্যা ভাবে জড়িয়ে হয়রানি করার অভিযোগের তদন্তে অভিযোগকারী নাসিরের প্রথম স্ত্রী মাসুরা বেগম সহ সাংবাদিকরা খুলনা বিভাগীয় পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ আর, আর ও অফিসের পুলিশ সুপার ফাইমের কার্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও গাজীপুরে দায়ের করা মামলায় মাদক কারবারি নাসিরের প্রথম স্ত্রী মাসুরা

।ও ঐ সাংবাদিকের নাম দেওয়া হয়। মামলার তদন্তে প্রথমে বাদী সাক্ষীদের হদিস না মিললেও দু,টার দিকে তদন্ত কর্মকর্তার কক্ষে বাদীর দেখা মিলে। ঐ সময় ঔআসামি সাংবাদিক ও নাসিরের স্ত্রীকে চিনে না, জানা নাই বলে জানান। তবে মেয়ে অপহরণ হলে জামাইর ঘরে কিভাবে সংসার করছে, পিবিআই তে কিভাবে অপহৃত ভিকটিম (মেয়ে) আসলো, মামলার সাক্ষীরা কোথায় এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর মেলেনি বাদী আমিনা বেগমের নিকট থেকে। কথিত সোর্স পরিচয়দানকারী সাবেক স্বৈরাচারী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের সভাপতি নিখিল হোসেন পরশের সঙ্গে সখ্যতা ও ছবি দেখিয়ে জেলার এসপি,ওসি, দারোগাদের হানি ট্রাপের ফাঁদে ফেলে গোপনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে পুলিশ কর্মকর্তাদের অস্ত্র মাদকের কাজে ব্যবহার করতো। এ বিষয়ে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের মহাপরিদর্শকের নিকট অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনেক পুলিশ কর্মকর্তা আতঙ্কের মধ্যে কেউ পলাতক ,কেউ জেলে ,কেউ শাস্তি মূলক বদলি হয়ে খাগড়াছড়িতে অবস্থান করলেও নাসিরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের মহাপরিদর্শকের নিকট নাসিরের স্ত্রী মাসুরার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১২ আগস্ট খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ে সিকিউরিটি সেলের তদন্তে সত্যতা মেলায় এখনো বহু পুলিশ কর্মকর্তা আতঙ্কে আছে।

 

অনুসন্ধানে আরও জানা যায় কালীগঞ্জ উপজেলার দুদলি গ্রামের সোনালী ব্যাংকের সাবেক নৈশ প্রহরী আবুল বাশার সম্পত্তির লোভে নিজ ভাইকে তৎকালীন খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারকে দিয়ে হত্যা করে লাশ টুকরো টুকরো করে বাড়িতে এনে দুর্ঘটনাগুলো দাফন করে। ২০১৫ সালে কালিগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি এমদাদের ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করার সুবাদে মোট অংকের টাকা দিয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ কিনে নেয়। ঐ সময় সোর্স পরিচয়ে বিএনপি-জামায়াতের বহু লোককে মিথ্যা মামলা ও ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে কোটি, কোটি টাকা আদায় করেছে ছাত্রলীগ নেতা নাসির। তৎকালীন ওসি এমদাদ সাতক্ষীরা সদর থানায় বদলি হলে ছাত্রলীগ নেতা নাসির শ্যামনগর থানার চন্ডিপুর গ্রামের আবু বক্কারের কন্যা মাসুরার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে সাতক্ষীরার কাটিয়া বাসা ভাড়া নিয়ে মাদকের আস্তানা গড়ে তোলে। এলাকায় অবৈধভাবে মেলামেশা ও মাদক কারবারের জন্যৎ এলাকাবাসী ধরে কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে সোপার্দ করে। ওই সময় ফাড়ি কর্মকর্তা তাদেরকে কাজী ডেকে বিয়ে পড়িয়ে দেয়। মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় স্ত্রী মাসুরাকে পেটের বাচ্চা সহ বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায স্ত্রী মাসুরা কোলের বাচ্চা নিয়ে গত ২৬/১/১৮ ইং তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে স্বামী সহ ৪ জনকে আসামি করে কালিগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে ।মামলা নং ১৬। মামলা থেকে রক্ষা পেতে তৎকালীন এসপি মনিরুজ্জামানকে প্রভাবিত করে বাদীকে (স্ত্রী মাসুরা ) বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে শ্যামনগর থানায় দু,টি মাদক মামলা দিয়ে কোলের শিশু বাচ্চাসহ জেলে পাঠায়। এতে কাজ না হলে ডাকাত বাহার আলীকে ভাড়া করে স্ত্রী মাসুরা কে হত্যা করার জন্য। কোলের শিশু বাচ্চা দেখে ডাকাত বাহার আলী হত্যা না করে ফিরে আসলে তৎকালীন এসপিকে প্রভাবিত করে আদালতে হাজিরা যেতে গেলে সাতক্ষীরা নারী ওশিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সামনে থেকে কালিগঞ্জ থানা ও ডিবি পুলিশের ১৫ সদস্যের একটি দল যেয়ে কোর্ট থেকে ধরে এনে একটি ডাকাতি মামলায় অজ্ঞাত আসামী হিসেবে কোলের বাচ্চা সহ জেলহাজতে পাঠায়। জেলে আটকে রেখে গত ১৭/৭/২৫ ইং তারিখে ওই মামলা থেকে নাসির সহ তার পরিবারের সদস্যরা খালাস পায়। মামলাটি আবারো মহামান্য হাইকোর্টে আপিল করায় নাসির এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এ থেকে বাঁচতে নাসির এখন প্রথম স্ত্রী মাসুরাকে আবারো জেল হাজতে পাঠাতে মরিয়া হয়ে উঠে দৌড়ঝাঁপ করে বেড়াচ্ছে। এ ব্যাপারে নাসিরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে বন্ধ পাওয়া যায়।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরের শার্শায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার।

মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী নাসির-সুমন চক্রের মিথ্যা অপহরণ মামলার বাদি সাক্ষী,লাপাত্তা।

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষ মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী পুলিশের সোর্স খ্যাত নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা নাসির-সুমন ওরফে সাদ্দাম চক্রের ইন্ধনে আদালতে দায়ের করা মিথ্যা সাজানো অপহরণ মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে বাদী (পোষ্য মা),সাক্ষীরা লাপাত্তা। গাজীপুর জেলা বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গত ১২/৮/২৬ তারিখে দায়ের করা সিপি ২০০/২৬ নং মামলায় গাজীপুর জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের(পিবিআই) তদন্তে সত্যতা না মেলায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। সাতক্ষীরা কালীগঞ্জের শীর্ষ মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেফতারি পরোয়ানা ভুক্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি এস এম নাসির উদ্দিন-সুমন ওরফে সাদ্দাম চক্রের বিরুদ্ধে আমাদের কণ্ঠসহ বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালের খবর থামাতে দৈনিক আমাদের কন্ঠের কালিগঞ্জ প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান সহ নাসিরউদ্দিনের প্রথম স্ত্রীর দায়ের করা নারী নির্যাতন মামলা থেকে বাঁচতে মোটা অংকের টাকা দিয়ে গাজীপুর জেলার কাশিমপুর থানার সারদাগঞ্জ গ্রামের মৃত আজিজ মোল্লার স্ত্রী মামলাবাজ আমেনা বেগমের দায়ের করা মিথ্যা, কথিত অপহরন মামলায় আসামি করে এ মামলা দায়ের করে। গত (২৭ আগস্ট) বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার দিকে মামলার তদন্তে গাজীপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্ত কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক মুজাহিদুল ইসলামের কার্যালয়ে অপহৃত ভিকটিম আফরিন আক্তার হাবিবা (১৮) তার স্বামী গাজীপুর জেলার কাশেমপুর থানার সারদাগঞ্জ গ্রামের মেহেদী হাসান, ভাই হৃদয় হাসান ও একই গ্রামের হাবিবুর রহমানের পুত্র মামা জাহিদুল ইসলাম ও জাকির হোসেন সহ অন্যান্য আসামিরা তদন্ত কর্মকর্তার সামনে হাজির হলে বাদি সাক্ষী লাপাত্তা থাকায় মিথ্যা অপহরন নাটকের মুখোশ উন্মোচিত হয়। ঐ সময় অপহরণ নাটকের ভিকটিম আফরিন আক্তার হাবিবা তার স্বামী মেহেদী হাসান, দেবর হৃদয় হাসান ও মামা জাহিদুল ও জাকির হোসেন সহ তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত হয়ে আমাদের কন্ঠকে জানান তাদের নামে একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে বছরে পর বছর হয়রানি করে আসছে। তাদের অপরাধ প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করা, তবে আপনাদের নাম এখানে আসলো কেন বিষয়টি নিয়ে তারা বিস্ময় প্রকাশ করেন। তদন্তের আগে মামলা তুলে নিতে বাদীর বাড়ি ভাঙচুর মারধরের কাল্পনিক, পরিকল্পিত সাজানো ঘটনা তুলে সদুর ৪,শ মাইল দূরে বসে কথিত কয়েকটি নিউজ পোর্টালের ফটো ফটো কার্ড তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অস্ত্র ব্যবসায়ী নাসিরের স্ত্রী, সাংবাদিক ও ভিকটিমের ছবিসহ ছড়িয়ে দিয়ে বিভ্রান্তি ও বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। ঐ সময় ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান, হৃদয় সহ অন্যান্যরা জানান এই মামলার অন্যতম সাক্ষী সুমন ওরফে সাদ্দাম কালীগঞ্জ, শ্যামনগর, ঝিনাইদহ এলাকায় বাড়ি বলে দীর্ঘদিন আমাদের(সারদাগঞ্জ সাতবাড়ি) এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতো। সেই সুবাদে মোঃ সাদ্দাম হোসেন, পিতা ইদ্রিস, গ্রাম সারদাগঞ্জ সাতবাড়ি, থানা কাশেমপুর ,জেলা গাজীপুর এই ঠিকানায় জাতীয় পরিচয় পত্র সংগ্রহ করে। গত ৫ ই আগস্টের পর হতে তার ভাড়া বাসায় সাতক্ষীরা কালীগঞ্জের নাসির উদ্দিন সহ তার স্ত্রী সাতক্ষীরা জেলা মহিলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজমিরা সুলতানা পাখি ও তার সহযোগীরা প্রায় এসে আত্মগোপনে থেকে মাদক বেচাকেনা করতো। তবে বর্তমানে এই সাদ্দাম হোসেনকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না দে। স্থানীয়দের এ মামলায় কোন সাক্ষী না রাখা, সাতক্ষীরা এবং শ্যামনগর থানায় বাড়ি ঐ চক্রের সদস্যরাই এই মামলার সাক্ষী হওয়ার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠেছে সচেতন মহলের মাঝে। অনুসন্ধানে জানা যায় গাজীপুর জেলার কাশেমপুর থানার সারদাগঞ্জ সাতবাড়ি গ্রামের মেহেদী হাসানের সঙ্গে একই গ্রামের মৃত আজিজ মোল্লার মেয়ে আফরিন আক্তার হাবিবার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। পালানোর সুবাদে তারা দীর্ঘ দিন শ্যামনগর এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকায় ঐ এলাকায় সাদ্দাম হোসেন ওরফে সুমন, নাসির উদ্দিন, এবং এলাকার মক্ষি রানী কয়েকদিন আগে আবাসিক হোটেলে, পার্কে পাকড়াও হওয়া কল গার্ল ফিরোজা পারভীনের সঙ্গে পরিচয় ঘটে। ঐ সময় তারা ভিকটিমের পালিত মা আমেনা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ করে নাসির, সুমন ওরফ সাদ্দামের কুটচালে বিয়ে মেনে নেওয়ার আশ্বাসে বাড়িতে ফিরিয়ে আনে। সরল বিশ্বাসে বাড়িতে আসলে আমেনা বেগম বাদী হয়ে কাশেমপুর থানায় স্বামী মেহেদী হাসানকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলায় মেহেদী হাসান দীর্ঘদিন জেল হাজতবাস করে গত ১০/৩/২৬ তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট থেকে জামিন লাভ করে বাড়িতে আসে। জামিনে বাড়িতে আসায় ভিকটিম আফরিন আক্তার হাবিবা গত ১৮/৪/২৬ ইং তারিখে স্বামীর বাড়িতে চলে যেয়ে সেখানে সুখে স্বাচ্ছন্দে ঘর সংসার বসবাস করে আসছে। এরপর থেকে তার পোষ্য মা আমিনা বেগমকে দিয়ে অস্ত্র, মাদক কারবারি নাসির- সুমনে চক্রের ইন্ধনে বিভিন্ন জায়গায় মিথ্যা অভিযোগ, মামলা দিয়ে ব্যবসা ও প্রতিনিয়ত হয়রানি করে আসছে। অন্যদিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানার কৃষ্ণনগর এলাকায় একাধিক অস্ত্র, গুলি, ১, হাজার পিস ইয়াবা সহ ডাকাত আটকের মামলার রিমান্ডে স্বেচ্ছায় আসামি ডাকাত ইয়ার আলীর দেওয়া ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিতে অস্ত্র ও গুলি বিক্রেতা অস্ত্র ও মাদক কারবারি ছাত্রলীগ নেতা এস এম নাসির উদ্দিনের নাম বেরিয়ে আসা নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকা, অনলাইন পোর্টালে খবর ছাপা হয়। উক্ত খবর থামাতে কালিগঞ্জ থেকে ৪০০ মাইল দূরে গাজীপুরের আমেনা বেগমকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে সাংবাদিক জড়িয়ে এবং তার প্রথম স্ত্রী মাসুরার নাম দিয়ে গত ১২ আগস্ট গাজীপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে ৬ জনকে আসামি করে কথিত অপহরণের মামলা করে। অথচ ঐ দিন পুলিশের সোর্স খ্যাত নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা নাসির-সুমনের ওরফে সাদ্দাম গ্রুপের হানি ট্রাপের ফাঁদে ফেলে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে দিয়ে মাদকসহ , ডাকাতি মামলায় মিথ্যা ভাবে জড়িয়ে হয়রানি করার অভিযোগের তদন্তে অভিযোগকারী নাসিরের প্রথম স্ত্রী মাসুরা বেগম সহ সাংবাদিকরা খুলনা বিভাগীয় পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ আর, আর ও অফিসের পুলিশ সুপার ফাইমের কার্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও গাজীপুরে দায়ের করা মামলায় মাদক কারবারি নাসিরের প্রথম স্ত্রী মাসুরা

।ও ঐ সাংবাদিকের নাম দেওয়া হয়। মামলার তদন্তে প্রথমে বাদী সাক্ষীদের হদিস না মিললেও দু,টার দিকে তদন্ত কর্মকর্তার কক্ষে বাদীর দেখা মিলে। ঐ সময় ঔআসামি সাংবাদিক ও নাসিরের স্ত্রীকে চিনে না, জানা নাই বলে জানান। তবে মেয়ে অপহরণ হলে জামাইর ঘরে কিভাবে সংসার করছে, পিবিআই তে কিভাবে অপহৃত ভিকটিম (মেয়ে) আসলো, মামলার সাক্ষীরা কোথায় এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর মেলেনি বাদী আমিনা বেগমের নিকট থেকে। কথিত সোর্স পরিচয়দানকারী সাবেক স্বৈরাচারী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের সভাপতি নিখিল হোসেন পরশের সঙ্গে সখ্যতা ও ছবি দেখিয়ে জেলার এসপি,ওসি, দারোগাদের হানি ট্রাপের ফাঁদে ফেলে গোপনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে পুলিশ কর্মকর্তাদের অস্ত্র মাদকের কাজে ব্যবহার করতো। এ বিষয়ে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের মহাপরিদর্শকের নিকট অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনেক পুলিশ কর্মকর্তা আতঙ্কের মধ্যে কেউ পলাতক ,কেউ জেলে ,কেউ শাস্তি মূলক বদলি হয়ে খাগড়াছড়িতে অবস্থান করলেও নাসিরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের মহাপরিদর্শকের নিকট নাসিরের স্ত্রী মাসুরার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১২ আগস্ট খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ে সিকিউরিটি সেলের তদন্তে সত্যতা মেলায় এখনো বহু পুলিশ কর্মকর্তা আতঙ্কে আছে।

 

অনুসন্ধানে আরও জানা যায় কালীগঞ্জ উপজেলার দুদলি গ্রামের সোনালী ব্যাংকের সাবেক নৈশ প্রহরী আবুল বাশার সম্পত্তির লোভে নিজ ভাইকে তৎকালীন খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারকে দিয়ে হত্যা করে লাশ টুকরো টুকরো করে বাড়িতে এনে দুর্ঘটনাগুলো দাফন করে। ২০১৫ সালে কালিগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি এমদাদের ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করার সুবাদে মোট অংকের টাকা দিয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ কিনে নেয়। ঐ সময় সোর্স পরিচয়ে বিএনপি-জামায়াতের বহু লোককে মিথ্যা মামলা ও ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে কোটি, কোটি টাকা আদায় করেছে ছাত্রলীগ নেতা নাসির। তৎকালীন ওসি এমদাদ সাতক্ষীরা সদর থানায় বদলি হলে ছাত্রলীগ নেতা নাসির শ্যামনগর থানার চন্ডিপুর গ্রামের আবু বক্কারের কন্যা মাসুরার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে সাতক্ষীরার কাটিয়া বাসা ভাড়া নিয়ে মাদকের আস্তানা গড়ে তোলে। এলাকায় অবৈধভাবে মেলামেশা ও মাদক কারবারের জন্যৎ এলাকাবাসী ধরে কাটিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে সোপার্দ করে। ওই সময় ফাড়ি কর্মকর্তা তাদেরকে কাজী ডেকে বিয়ে পড়িয়ে দেয়। মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় স্ত্রী মাসুরাকে পেটের বাচ্চা সহ বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায স্ত্রী মাসুরা কোলের বাচ্চা নিয়ে গত ২৬/১/১৮ ইং তারিখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে স্বামী সহ ৪ জনকে আসামি করে কালিগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করে ।মামলা নং ১৬। মামলা থেকে রক্ষা পেতে তৎকালীন এসপি মনিরুজ্জামানকে প্রভাবিত করে বাদীকে (স্ত্রী মাসুরা ) বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে শ্যামনগর থানায় দু,টি মাদক মামলা দিয়ে কোলের শিশু বাচ্চাসহ জেলে পাঠায়। এতে কাজ না হলে ডাকাত বাহার আলীকে ভাড়া করে স্ত্রী মাসুরা কে হত্যা করার জন্য। কোলের শিশু বাচ্চা দেখে ডাকাত বাহার আলী হত্যা না করে ফিরে আসলে তৎকালীন এসপিকে প্রভাবিত করে আদালতে হাজিরা যেতে গেলে সাতক্ষীরা নারী ওশিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সামনে থেকে কালিগঞ্জ থানা ও ডিবি পুলিশের ১৫ সদস্যের একটি দল যেয়ে কোর্ট থেকে ধরে এনে একটি ডাকাতি মামলায় অজ্ঞাত আসামী হিসেবে কোলের বাচ্চা সহ জেলহাজতে পাঠায়। জেলে আটকে রেখে গত ১৭/৭/২৫ ইং তারিখে ওই মামলা থেকে নাসির সহ তার পরিবারের সদস্যরা খালাস পায়। মামলাটি আবারো মহামান্য হাইকোর্টে আপিল করায় নাসির এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এ থেকে বাঁচতে নাসির এখন প্রথম স্ত্রী মাসুরাকে আবারো জেল হাজতে পাঠাতে মরিয়া হয়ে উঠে দৌড়ঝাঁপ করে বেড়াচ্ছে। এ ব্যাপারে নাসিরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে বন্ধ পাওয়া যায়।