ঢাকার ঐতিহ্যবাহী মিটফোর্ড হাসপাতালের মিনিয়ালস কোয়ার্টার—সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত ‘সুইপার কলোনি’ হিসেবে—আজ একটি গভীর মানবিক সংকটের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ যে আবাসস্থলে বসবাস করে আসছেন, সেই দীর্ঘদিনের আশ্রয় থেকে তাদের উচ্ছেদের উদ্যোগ শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিষয় নয়; এটি মানবিক মর্যাদা, মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং রাষ্ট্রের দায়িত্বের প্রশ্ন।
হাসপাতালের উন্নয়ন প্রয়োজন—এতে কোনো দ্বিমত নেই। আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামো গড়ে উঠুক, রোগীরা উন্নত সেবা পাক, মিটফোর্ড আরও আধুনিক হোক—এটাই প্রত্যাশা।
কিন্তু সেই উন্নয়নের প্রথম শর্ত হতে পারে না কোনো প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়হীন করে দেওয়া।
উন্নয়ন মানুষের জন্য; মানুষ উন্নয়নের বলি হওয়ার জন্য নয়।
মিটফোর্ডের ইতিহাসে তাদের শ্রমের ইতিহাসও রয়েছে
মিটফোর্ড হাসপাতালের ইতিহাস শুধু চিকিৎসক, চিকিৎসাবিজ্ঞান ও স্থাপত্যের ইতিহাস নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসংখ্য শ্রমজীবী মানুষের ঘাম ও পরিশ্রম।
পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের শ্রম হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। হরিজন সম্প্রদায়ের বহু মানুষ প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই কাজের সঙ্গে যুক্ত থেকেছেন। তাদের পরিবারের জীবন, কর্ম ও বসবাসের ইতিহাস মিটফোর্ডের ইতিহাসের সঙ্গেও জড়িয়ে আছে।
ফলে আজ তাদের বসতিকে শুধু ‘কোয়ার্টার’ বা ‘সরকারি জায়গায় বসবাস’ হিসেবে দেখলে সেই দীর্ঘ সামাজিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে উপেক্ষা করা হয়।
প্রশ্ন তাই থেকেই যায়—
যাদের শ্রমে হাসপাতাল পরিচ্ছন্ন থাকে, তাদেরই মাথার ওপরের ছাদ কি হাসপাতালের উন্নয়নের প্রথম বলি হবে?
আদালতের দ্বারস্থ হরিজন সম্প্রদায়
উচ্ছেদের নোটিশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। রিটটি Writ Petition No. 11,751 of 2026 হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রিটকারীদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট উৎপল বিশ্বাস।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিটফোর্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গত ৭ জুলাই ও ৩০ জুলাই ২০২৬ উচ্ছেদ নোটিশ জারি করে। ৩০ জুলাইয়ের নোটিশে ৩০ আগস্টের মধ্যে ভবন খালি করার কথা বলা হলেও, একই সময়ে তাৎক্ষণিক পুনর্বাসনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না।
এই অবস্থায় হরিজন সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের বসতবাড়ি থেকে পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদের উদ্যোগের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবাধিকার ও আইনি পদক্ষেপ।
হাইকোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রুল ও নির্দেশনা
২৪ আগস্ট ২০২৬ বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতিখার উদ্দিন মাহমুদ-এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের একটি ডিভিশন বেঞ্চ রিটটির প্রাথমিক শুনানি শেষে রুল নিসি জারি করেন।
আদালত জানতে চেয়েছেন—মিটফোর্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের জারি করা উচ্ছেদের নোটিশগুলো কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত এবং আইনগতভাবে অকার্যকর ঘোষণা করা হবে না।
এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ আদালত উচ্ছেদ নোটিশের আইনগত বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং বিষয়টি বিচারিক পর্যালোচনার আওতায় এনেছেন।
একই সঙ্গে বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে ৪ আগস্ট ২০২৬ দেওয়া আবেদনটি আইন অনুযায়ী আদেশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের পরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অতএব, বিষয়টি এখন নিছক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের পর্যায়ে নেই; এটি বিচারিক পর্যালোচনার মধ্যেও রয়েছে।
অ্যাডভোকেট উৎপল বিশ্বাস: ‘আগে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পুনর্বাসন, পরে উচ্ছেদ’
রিটকারীদের পক্ষে আদালতে প্রতিনিধিত্বকারী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট উৎপল বিশ্বাস বিষয়টিকে মানবিক অধিকারের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেছেন।
তাঁর বক্তব্যের মূল কথা অত্যন্ত পরিষ্কার—
“হরিজন সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের আবাসস্থল থেকে উচ্ছেদ মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনের সামিল। আগে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পুনর্বাসন, পরে উচ্ছেদ।”
এই বক্তব্যের মধ্যে শুধু আইনি যুক্তি নয়, একটি গভীর মানবিক দর্শনও রয়েছে।
কারণ উচ্ছেদ কোনো সমাধান হতে পারে না, যদি উচ্ছেদ হওয়া মানুষ জানেনই না—পরদিন সকালে তিনি কোথায় যাবেন, তার সন্তান কোথায় থাকবে, বৃদ্ধ মা-বাবা কোথায় আশ্রয় নেবেন।
মানুষের ঘর ভাঙার আগে তার নতুন ঘরের নিশ্চয়তা দিতে হবে।
জাতপাত বিলোপ জোটের আহ্বায়ক এডভোকেট গৌরাঙ্গ বসু: এটি চরম মানবিক সংকট
মিটফোর্ডের মিনিয়ালস কোয়ার্টারের ঘটনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতপাত বিলোপ জোটের আহ্বায়ক এডভোকেট গৌরাঙ্গ বসু।
তিনি মিটফোর্ডের ঘটনাকে ‘চরম মানবিক সংকট’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন—
“বংশ পরম্পরায় হরিজন সম্প্রদায়ের শেষ সম্বল, তাদের একমাত্র বসবাসের আশ্রয়স্থল থেকে উচ্ছেদ মানুষের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের সামিল। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।”
তিনি আরও বলেন—
“অবিলম্বে তাদের নিরাপদ, বাসযোগ্য ও হরিজন সম্প্রদায়ের বাসোপযোগী পুনর্বাসন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।”
এখানেই মূল প্রশ্নটি নিহিত।
পুনর্বাসন মানে শুধু অন্য জায়গায় কয়েকটি ঘর বানিয়ে দেওয়া নয়। পুনর্বাসন হতে হবে নিরাপদ, বাসযোগ্য, মর্যাদাপূর্ণ এবং সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর বাস্তব জীবনযাপনের উপযোগী।
যেখানে একটি জনগোষ্ঠী দীর্ঘদিন সামাজিক বৈষম্যের শিকার, সেখানে তাদের নতুন আবাসন এমন হতে হবে যেখানে তারা নিরাপদে, নির্বিঘ্নে এবং মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারেন।
‘আমরা কোথায় যাব?’—এই প্রশ্নের উত্তর রাষ্ট্রকে দিতে হবে
উচ্ছেদের আগে সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন—
“তারা যাবেন কোথায়?”
একজন সচ্ছল মানুষের জন্য বাসা পরিবর্তন হয়তো একটি প্রশাসনিক বা আর্থিক সিদ্ধান্ত। কিন্তু দীর্ঘদিনের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য উচ্ছেদ মানে অনেক সময় অস্তিত্বের সংকট।
শিশু আছে। বৃদ্ধ আছে। নারী আছে। অবসরপ্রাপ্ত মানুষ আছে। বহু প্রজন্মের পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে।
একটি নোটিশ দিয়ে তাদের এই জীবনকে ছিন্ন করা যায় না।
রাষ্ট্র যদি বলে—‘এখানে উন্নয়ন হবে’, তাহলে বাসিন্দাদের পাল্টা প্রশ্ন করার অধিকার আছে—
“উন্নয়ন হবে, কিন্তু আমাদের জীবন কোথায় যাবে?”
এই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে উচ্ছেদ কোনোভাবেই মানবিক হতে পারে না।
পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ কেন অমানবিক?
কারণ ঘর শুধু ইট-সিমেন্টের চার দেয়াল নয়।
ঘর মানে নিরাপত্তা।
ঘর মানে শৈশব।
ঘর মানে পূর্বপুরুষের স্মৃতি।
ঘর মানে সামাজিক পরিচয়।
ঘর মানে সন্তানদের ভবিষ্যৎ।
আর যখন কোনো জনগোষ্ঠী প্রজন্মের পর প্রজন্ম একই জায়গায় বসবাস করে, তখন সেই আবাসের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হয়।
তাই উন্নয়ন পরিকল্পনায় তাদের অস্তিত্বকে একটি ‘বাধা’ হিসেবে দেখা নয়; বরং তাদের অধিকার ও মর্যাদাকে পরিকল্পনার অংশ করতে হবে।
‘আগে পুনর্বাসন, পরে উচ্ছেদ’—এটাই হোক রাষ্ট্রীয় নীতি
মিটফোর্ডের ক্ষেত্রে একটি সহজ ও মানবিক সমাধান সম্ভব।
**আগে নিরাপদ পুনর্বাসন।
তারপর উচ্ছেদ।
আগে মানুষের নিরাপত্তা।
তারপর উন্নয়ন।**
যদি হাসপাতাল সম্প্রসারণের জন্য ওই জায়গা অপরিহার্য হয়, তাহলে কর্তৃপক্ষকে আগে করতে হবে—
১. প্রকৃত বাসিন্দাদের তালিকা প্রণয়ন;
২. পরিবারভিত্তিক পুনর্বাসন পরিকল্পনা;
৩. নিরাপদ ও বাসযোগ্য আবাসন নির্মাণ;
৪. পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, স্যানিটেশনসহ নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা;
৫. শিশুদের শিক্ষা অব্যাহত রাখার ব্যবস্থা;
৬. কর্মরতদের কর্মস্থলে যাতায়াতের বিষয়টি বিবেচনা;
৭. নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও অবসরপ্রাপ্তদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা;
৮. পুনর্বাসনের পর দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
তারপরই উচ্ছেদের প্রশ্ন আসতে পারে।
জাতপাতের বিলোপ শুধু স্লোগানে নয়
আমরা জাতপাতের বৈষম্য বিলোপের কথা বলি। সাম্যের কথা বলি। মানবাধিকারের কথা বলি।
কিন্তু বাস্তবে যদি হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষকে তাদের সামাজিক পরিচয়ের কারণে আবাসন নিরাপত্তা থেকে বঞ্চিত হতে হয়, তাহলে আমাদের কথিত সাম্য প্রশ্নের মুখে পড়ে।
হরিজন হওয়া অপরাধ নয়।
পরিচ্ছন্নতাকর্মী হওয়া অপরাধ নয়।
শ্রমজীবী হওয়া অপরাধ নয়।
একজন মানুষের পেশা কখনো তার মানবিক মর্যাদা নির্ধারণ করতে পারে না।
যে মানুষগুলো আমাদের হাসপাতাল ও নগরজীবনকে পরিচ্ছন্ন রাখতে নিজেদের শ্রম দিচ্ছেন, তাদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়ও তাই বিশেষভাবে বিবেচ্য।
উন্নয়ন হোক—কিন্তু কাউকে গৃহহীন করে নয়
মিটফোর্ড হাসপাতালের উন্নয়ন অবশ্যই প্রয়োজন।
কিন্তু উন্নয়ন ও মানবিকতার মধ্যে কোনো বিরোধ নেই।
নতুন ভবন নির্মাণ করা যাবে।
আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলা যাবে।
হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানো যাবে।
একই সঙ্গে হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষদের জন্য মর্যাদাপূর্ণ পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করা সম্ভব।
প্রশ্ন হলো—রাষ্ট্র কি সেই সদিচ্ছা দেখাবে?
প্রতিবাদ হোক শান্তিপূর্ণ, দাবি হোক অটল
জাতপাত বিলোপ জোটের পক্ষ থেকে এই উচ্ছেদ-উদ্যোগের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে।
তবে এই প্রতিবাদ হবে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও আইনসম্মত।
কারণ মানুষের অধিকার রক্ষার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হলো ন্যায়সংগত দাবি, আইনি প্রক্রিয়া এবং জনমত।
দাবি হোক একটাই—
“পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয়।”
মিটফোর্ডের মিনিয়ালস কোয়ার্টার আসলে আমাদের বিবেকের পরীক্ষা
মিটফোর্ডের পুরোনো ভবন ভেঙে নতুন ভবন তৈরি করা যায়। কিন্তু একটি পরিবারের প্রজন্মের স্মৃতি কি নতুন ভবন দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া যায়?
একজন বৃদ্ধকে তার দীর্ঘদিনের আশ্রয় থেকে সরিয়ে দিয়ে অন্য কোথাও একটি ঘর দিলেই কি তার সব অধিকার পূরণ হয়?
একটি শিশুকে তার পরিচিত পরিবেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিলে তার নিরাপত্তাবোধের কী হবে?
আর যে জনগোষ্ঠী প্রজন্মের পর প্রজন্ম হাসপাতালের সেবা ও পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে যুক্ত থেকেছে, তাদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব কি শুধু তাদের শ্রম নেওয়া পর্যন্তই?
না।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব তার চেয়ে অনেক বেশি।
মহামান্য হাইকোর্টের রিট পিটিশন নং ১১,৭৫১/২০২৬-এ জারি করা রুল এবং সংশ্লিষ্ট আবেদন আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তির নির্দেশনা এই সংকটকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হলো আদালতের নির্দেশনা ও আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে একটি মানবিক সমাধান খুঁজে বের করা।
মিটফোর্ডের উন্নয়ন হোক—অবশ্যই হোক।
কিন্তু সেই উন্নয়নের ভিত্তিপ্রস্তরে যেন কোনো হরিজন পরিবারের কান্না না থাকে।
উচ্ছেদ নয়—আগে পুনর্বাসন।
বঞ্চনা নয়—আগে ন্যায়বিচার।
অবহেলা নয়—আগে মানবিক মর্যাদা।
আর আইনজীবী উৎপল বিশ্বাস ও জাতপাত বিলোপ জোটের আহ্বায়ক এডভোকেট গৌরাঙ্গ বসুর বক্তব্যের মূল সুর যেন রাষ্ট্রের নীতিতেও প্রতিফলিত হয়—
“আগে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পুনর্বাসন, পরে উচ্ছেদ।”
কারণ একটি সভ্য রাষ্ট্রের প্রকৃত পরিচয় তার সুউচ্চ ভবনে নয়; বরং সবচেয়ে প্রান্তিক মানুষটির মাথার ওপরের ছাদটুকু সে কতটা নিরাপদ রাখতে পারে—তার মধ্যেই।
লেখক: শিক্ষক, সাংবাদিক, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী।
এডভোকেট গৌরাঙ্গ বসু - শিক্ষক, সাংবাদিক, আইনজীবী, গবেষকও মানবাধিকার কর্মী 




















