ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত। ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ। বিএসএফের গুলিতে রক্তাক্ত হলো সীমান্ত। রাস্তার অভাবে বন্যা মৌসুমে কবরস্থানে লাশ দাফন করতে যেতে হয় নৌকায়। গাজীপুরে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ঠাকুরগাঁওয়ে কলাবাগান থেকে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। সাতকানিয়ায় জোরপূর্বক কৃষিজমি কর্তন, থানায় অভিযোগ। ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতাল ভাঙচুর। ভুয়া “প্রাচীন পিলার-কয়েন” বাণিজ্যে শত কোটি টাকার প্রতারণা : কৃষকলীগ নেতা মাকসুদ–সোহেল সিন্ডিকেটের ভয়ঙ্কর জাল-জালিয়াতি!  গীতার আলোয় আলোকিত মাদারীপুর গড়তে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মাদারীপুর -২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব জাহান্দার আলী মিয়া।

শাহবাগের ন্যারেটিভ ফিরিয়ে আনা মানে আওয়ামীলীগের কালচার একটিভ করা’।

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪৬৮ জন সংবাদটি পড়েছেন

শাহবাগের ন্যারেটিভকে ফিরিয়ে আনা মানে আওয়ামী লীগের কালচার একটিভ করা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু।

তিনি বলেন, শাহবাগের যে ন্যারেটিভকে বাংলাদেশের একটা শিশু বাচ্চাও ঘৃণা করে ,সেই ন্যারেটিভকে ফিরিয়ে আনা মানে আওয়ামী লীগের কালচার একটিভ করা।

মঙ্গলবার রাতে নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে ডা. মাহমুদা মিতু আরও বলেন, চেতনার মন্দির ধানমন্ডি ৩২ কে ঘৃণার সঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সেইভাবেই নতুন করে গড়ে ওঠা চেতনাব্যবসা গুড়িয়ে দেয়া হবে। বাংলাদেশের আওয়ামীলীগের রাজাকার ন্যারেটিভ ধারণ করা যে কোনো ক্ষুদ্রগোষ্ঠী আর আওয়ামীলীগের কালচারাল সেলের গোষ্ঠীর কঠোর দমন চলমান রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ‘শাহবাগের আওয়ামীলীগের ন্যারেটিভ ঘৃণা করতে করতেই রাজনীতি বুঝেছি। । হাসিনাকে ঘৃনা করতে শিখেছি। শাপলা চত্ত্বর থেকে শুরু করে সেইসময়কার নাস্তিকদের (পড়ুন এন্টিইসলামিস্টদের আচরণ) দেখে দেখে আরো প্রতিবাদী হয়ে উঠেছি। আমার সেই ফেবু জীবনের ১৪ বছরের দাগ কাঁটা অনেক ঘটনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলো ইসলামপন্থীদের উপর অত্যাচার। সেই সময়ে আমার মত জিন্স প্যান্ট পড়ে ঘুরে বেড়ানো মেয়েটা শুধুমাত্র বিবেকের তাড়নায়ই শাহবাগের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ’

এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব বলেন, ২৪ যেমন আমার জন্য ট্রমার তেমনি সেসকল অত্যাচারের ভিডিও ,ছবি ,ডাইনিটার রং মেখে শুয়ে থাকা বলা সেই ভয়েজ কিংবা বিশ্বজিৎকে মারার সেই দৃশ্যও আমার জন্য ট্রমার। আমরা সেই সময় থেকেই একটা যুদ্ধ চলমান রেখেছি। এসব বললে আবার জামায়াতি কিংবা ইসলামি আন্দোলন কিংবা হেফাজতের লোক বলে ট্যাগ দিতে সুবিধা হয়।

ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, গত ১৭ বছরের আওয়ামী শাসনের আমার ফেসবুকের জীবন হচ্ছে ১৪ বছর।এই ১৪ বছরে হাজারবার আমাকে রাজাকার বলা হয়েছে। কিন্তু ২৪ এ মানুষ শহীদ হওয়ার পর কোন ফর্মে এই শাহবাগীদের সেই পুরনো আওয়ামী ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করতে দেয়া হবে না। ৭১ আমরা সকলেই ধারন করি তাই বলে একাত্তর বেচে দমনপীড়নের দিন আর আসতে দেয়া যাবে না।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত।

শাহবাগের ন্যারেটিভ ফিরিয়ে আনা মানে আওয়ামীলীগের কালচার একটিভ করা’।

আপডেট সময় : ০২:০৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫

শাহবাগের ন্যারেটিভকে ফিরিয়ে আনা মানে আওয়ামী লীগের কালচার একটিভ করা বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু।

তিনি বলেন, শাহবাগের যে ন্যারেটিভকে বাংলাদেশের একটা শিশু বাচ্চাও ঘৃণা করে ,সেই ন্যারেটিভকে ফিরিয়ে আনা মানে আওয়ামী লীগের কালচার একটিভ করা।

মঙ্গলবার রাতে নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে ডা. মাহমুদা মিতু আরও বলেন, চেতনার মন্দির ধানমন্ডি ৩২ কে ঘৃণার সঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। সেইভাবেই নতুন করে গড়ে ওঠা চেতনাব্যবসা গুড়িয়ে দেয়া হবে। বাংলাদেশের আওয়ামীলীগের রাজাকার ন্যারেটিভ ধারণ করা যে কোনো ক্ষুদ্রগোষ্ঠী আর আওয়ামীলীগের কালচারাল সেলের গোষ্ঠীর কঠোর দমন চলমান রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ‘শাহবাগের আওয়ামীলীগের ন্যারেটিভ ঘৃণা করতে করতেই রাজনীতি বুঝেছি। । হাসিনাকে ঘৃনা করতে শিখেছি। শাপলা চত্ত্বর থেকে শুরু করে সেইসময়কার নাস্তিকদের (পড়ুন এন্টিইসলামিস্টদের আচরণ) দেখে দেখে আরো প্রতিবাদী হয়ে উঠেছি। আমার সেই ফেবু জীবনের ১৪ বছরের দাগ কাঁটা অনেক ঘটনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলো ইসলামপন্থীদের উপর অত্যাচার। সেই সময়ে আমার মত জিন্স প্যান্ট পড়ে ঘুরে বেড়ানো মেয়েটা শুধুমাত্র বিবেকের তাড়নায়ই শাহবাগের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ’

এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব বলেন, ২৪ যেমন আমার জন্য ট্রমার তেমনি সেসকল অত্যাচারের ভিডিও ,ছবি ,ডাইনিটার রং মেখে শুয়ে থাকা বলা সেই ভয়েজ কিংবা বিশ্বজিৎকে মারার সেই দৃশ্যও আমার জন্য ট্রমার। আমরা সেই সময় থেকেই একটা যুদ্ধ চলমান রেখেছি। এসব বললে আবার জামায়াতি কিংবা ইসলামি আন্দোলন কিংবা হেফাজতের লোক বলে ট্যাগ দিতে সুবিধা হয়।

ডা. মাহমুদা মিতু বলেন, গত ১৭ বছরের আওয়ামী শাসনের আমার ফেসবুকের জীবন হচ্ছে ১৪ বছর।এই ১৪ বছরে হাজারবার আমাকে রাজাকার বলা হয়েছে। কিন্তু ২৪ এ মানুষ শহীদ হওয়ার পর কোন ফর্মে এই শাহবাগীদের সেই পুরনো আওয়ামী ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করতে দেয়া হবে না। ৭১ আমরা সকলেই ধারন করি তাই বলে একাত্তর বেচে দমনপীড়নের দিন আর আসতে দেয়া যাবে না।