ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
রথযাত্রা: ইতিহাস, সনাতন সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা, আধ্যাত্মিক দর্শন ও মানবমুক্তির চিরন্তন বার্তা। হরিদাস চন্দ্র তরুণী দাসকে ঘিরে বিতর্ক: আইনের শাসন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার কঠিন পরীক্ষা। কিশোরগঞ্জ মিঠামইন উপজেলা বিএনপি সভাপতি জাহাঙ্গীরকে কুপিয়ে হত্যা। সিলেটে জামায়াত সমর্থিত ১৭ সরকারি আইনজীবীর একযোগে পদত্যাগ। রুদ্ধশ্বাস নাটকীয়তায় ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। উত্তরায় বাসের চাপায় দুই সাংবাদিক নিহত, নিরাপদ সড়কের দাবি সহকর্মীদের। আর্জেন্টিনার বিজয়ে ভোররাত থেকেই ঠাকুরগাঁও চৌরাস্তায় সমর্থকদের আনন্দ-উল্লাস। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনী অধিকার: নীতিমালার ব্যাখ্যা, বৈষম্যের প্রশ্ন ও সমাধানের পথ। সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ : ১জনের ফাঁসি ৩ জনের যাবজ্জীবন সাজা, ৪জন খালাস সাড়ে ৪ লাখ টাকা পাবেন সেই গৃহবধূ। নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে সরকারি বই ও খাতা বিক্রির অভিযোগ প্রধান শিক্ষক এর বিরুদ্ধে।

ফরিদপুরে দেশীয় মাছ রক্ষায় প্রশাসনের অভিযানে ১.৫ লক্ষ টাকার চায়না জাল জব্দ ও ধ্বংস করা হয়। 

  • মোঃ সজল মন্ডল
  • আপডেট সময় : ১১:৩১:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৩৩ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

 

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় অবৈধ চায়না দুয়ারী জালের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের যৌথ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। রবিবার ৭ সেপ্টেম্বর বানা ও বুড়াইচ ইউনিয়নের তিনটি বিল থেকে আনুমানিক ১.৫ লক্ষ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ জাল জব্দ করা হয়।

 

অভিযানের নেতৃত্ব দেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম. রায়হানুর রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসু। তারা উথলী বিল, পানিগাতী বিল এবং শোলমারী বিল থেকে অবৈধভাবে পাতা চায়না দুয়ারী জাল খুঁজে বের করে জব্দ করেন।

 

জব্দকৃত সমস্ত জাল পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। স্থানীয়রা জানান, নিয়মিত এমন অভিযান চালালে জলাশয়ে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়বে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্যও রক্ষা পাবে।

 

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম. রায়হানুর রহমান বলেন, চায়না দুয়ারী জাল জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। এই জালের মাধ্যমে নির্বিচারে মাছ শিকার করা হয়, যা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে। জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে এবং অবৈধ জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসু জানান, মৎস্যসম্পদ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রশাসন নিয়মিতভাবে কাজ করছে। অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।

 

স্থানীয়রা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং আশা প্রকাশ করেছে, ভবিষ্যতেও এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে জলাশয়ে দেশীয় মাছের সংরক্ষণ ও পরিবেশ রক্ষা সম্ভব হবে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

রথযাত্রা: ইতিহাস, সনাতন সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা, আধ্যাত্মিক দর্শন ও মানবমুক্তির চিরন্তন বার্তা।

ফরিদপুরে দেশীয় মাছ রক্ষায় প্রশাসনের অভিযানে ১.৫ লক্ষ টাকার চায়না জাল জব্দ ও ধ্বংস করা হয়। 

আপডেট সময় : ১১:৩১:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

 

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় অবৈধ চায়না দুয়ারী জালের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের যৌথ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। রবিবার ৭ সেপ্টেম্বর বানা ও বুড়াইচ ইউনিয়নের তিনটি বিল থেকে আনুমানিক ১.৫ লক্ষ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ জাল জব্দ করা হয়।

 

অভিযানের নেতৃত্ব দেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম. রায়হানুর রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসু। তারা উথলী বিল, পানিগাতী বিল এবং শোলমারী বিল থেকে অবৈধভাবে পাতা চায়না দুয়ারী জাল খুঁজে বের করে জব্দ করেন।

 

জব্দকৃত সমস্ত জাল পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। স্থানীয়রা জানান, নিয়মিত এমন অভিযান চালালে জলাশয়ে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়বে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্যও রক্ষা পাবে।

 

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এ. কে. এম. রায়হানুর রহমান বলেন, চায়না দুয়ারী জাল জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। এই জালের মাধ্যমে নির্বিচারে মাছ শিকার করা হয়, যা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে। জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হবে এবং অবৈধ জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসু জানান, মৎস্যসম্পদ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রশাসন নিয়মিতভাবে কাজ করছে। অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে।

 

স্থানীয়রা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এবং আশা প্রকাশ করেছে, ভবিষ্যতেও এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে জলাশয়ে দেশীয় মাছের সংরক্ষণ ও পরিবেশ রক্ষা সম্ভব হবে।