ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন। রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে নতুন সাজে ঠাকুরগাঁও, রাঙিয়ে তোলা হয়েছে শহর। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব: দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন ও সমকালীন পৃথিবীতে কৃষ্ণের প্রাসঙ্গিকতা। ভাঙ্গার আলগীর ঝালডাঙ্গা বিলে শতাধিক নৌকার মহারণ, সেরা রাজৈরের ‘বৈতরণী’। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের বার্তা: অশুভের বিরুদ্ধে শুভবোধের জাগরণ- অপর্ণা রায় দাস। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউট সোর্সিং এর কাজ শতভাগ আওয়ামী প্রতিষ্ঠানের দখলে! এনআরবিসি ব্যাংকে চিহ্নিত লুটেরা চক্রের অপতৎপরতা! শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের বরিশাল শাখার ম্যানেজার হিসেবে যোগ দিলেন আবুল কালাম আজাদ নজরুল বর্ষ ও আমাদের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন: বিদ্রোহী কবির প্রাসঙ্গিকতা ও উত্তরাধিকার। যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা , সংকটের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক অভিযাত্রা।

যুব উন্নয়নে এক প্রকল্পেই ২৯৭ কোটি টাকার হরিলুট !

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩০১ জন সংবাদটি পড়েছেন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ফ্রিল্যান্সার প্রশিক্ষণ প্রকল্পে ২৯৭ কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই প্রকল্পে মূল ভূমিকা পালন করেছেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের ঘনিষ্ঠ এম এ আখের (পরিচালক প্রশাসন) ও যুব কাউন্সিলের সভাপতি মাসুদ আলম।
এম এ আখের, যিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন, এখনো এক সমন্বয়কের নাম ব্যবহার করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। তার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক সহযোগী মাসুদ আলম ছিলেন ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তদন্ত চলছে।
সূত্রমতে, এম এ আখের ও মাসুদ আলমের মধ্যে রয়েছে গভীর ঘনিষ্ঠতা ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক। তারা যৌথভাবে ২৯৭ কোটি টাকার ফ্রিল্যান্সার প্রশিক্ষণ প্রকল্পের কাজ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। সারাক্ষণ বার্তার অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রকল্পের দরপত্রটি মাসুদ আলমের প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড-এর অনুকূলে সাজানো হয়। টেন্ডার প্রক্রিয়ার পুরো নিয়ন্ত্রণ ছিল এম এ আখেরের হাতে।
এম এ আখেরের বিরুদ্ধে রয়েছে অর্থপাচার, ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার ও ডিজিটাল প্রতারণার একাধিক অভিযোগ। অন্যদিকে মাসুদ আলমের টেন্ডার যোগ্যতা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছিল। তবুও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই তার প্রতিষ্ঠান এই বিশাল প্রকল্পের দায়িত্ব পেয়ে আসছে, এবং শেখ হাসিনার পতনের পর বর্তমান জুলাই চেতনার সরকারের আমলেও সেই প্রতিষ্ঠানই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, এম এ আখেরের অনুমতি ছাড়া যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে কোনো সিদ্ধান্তই কার্যকর হয় না। তার প্রভাব ও মাসুদ আলমের ঘনিষ্ঠতার জোরে তারা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধান শুরু হলে এই সিন্ডিকেটের বহু অজানা দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এ বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের কাজ চলমান রয়েছে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন।

যুব উন্নয়নে এক প্রকল্পেই ২৯৭ কোটি টাকার হরিলুট !

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ফ্রিল্যান্সার প্রশিক্ষণ প্রকল্পে ২৯৭ কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই প্রকল্পে মূল ভূমিকা পালন করেছেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের ঘনিষ্ঠ এম এ আখের (পরিচালক প্রশাসন) ও যুব কাউন্সিলের সভাপতি মাসুদ আলম।
এম এ আখের, যিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন, এখনো এক সমন্বয়কের নাম ব্যবহার করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। তার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক সহযোগী মাসুদ আলম ছিলেন ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তদন্ত চলছে।
সূত্রমতে, এম এ আখের ও মাসুদ আলমের মধ্যে রয়েছে গভীর ঘনিষ্ঠতা ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক। তারা যৌথভাবে ২৯৭ কোটি টাকার ফ্রিল্যান্সার প্রশিক্ষণ প্রকল্পের কাজ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। সারাক্ষণ বার্তার অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রকল্পের দরপত্রটি মাসুদ আলমের প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড-এর অনুকূলে সাজানো হয়। টেন্ডার প্রক্রিয়ার পুরো নিয়ন্ত্রণ ছিল এম এ আখেরের হাতে।
এম এ আখেরের বিরুদ্ধে রয়েছে অর্থপাচার, ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার ও ডিজিটাল প্রতারণার একাধিক অভিযোগ। অন্যদিকে মাসুদ আলমের টেন্ডার যোগ্যতা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছিল। তবুও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই তার প্রতিষ্ঠান এই বিশাল প্রকল্পের দায়িত্ব পেয়ে আসছে, এবং শেখ হাসিনার পতনের পর বর্তমান জুলাই চেতনার সরকারের আমলেও সেই প্রতিষ্ঠানই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, এম এ আখেরের অনুমতি ছাড়া যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে কোনো সিদ্ধান্তই কার্যকর হয় না। তার প্রভাব ও মাসুদ আলমের ঘনিষ্ঠতার জোরে তারা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধান শুরু হলে এই সিন্ডিকেটের বহু অজানা দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এ বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের কাজ চলমান রয়েছে।