ঢাকা ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
তেরখাদায় দলীয় সুবিধা বণ্টনে বৈষম্যের অভিযোগ, ক্ষোভে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা পীরগঞ্জে ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার নির্বাহী প্রকৌশলী তানজিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন? ‎ মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে কিশোর অপহরণ, উখিয়ায় গ্রেপ্তার ২ উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন কাশিয়ানীতে এমএস মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ, ৫ হাজার কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা ‘ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদী মব সন্ত্রাসীদের উৎখাতেই সব মানুষের নিরাপদ রাষ্ট্র সম্ভব’ পাহাড়তলী গ্রীনভিউ ঈদে আজম মাহফিলে আল্লামা রেজাউল কাউসার নবীনগরে তিতাস পাড়ের অবৈধ বালু অপসারণ শুরু: শেষ পর্যন্ত কি রক্ষা পাবে নদী? অলি আহমদের বক্তব্য ঘিরে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ, রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক জাকের মঞ্জিল দরবার শরীফে আসন্ন মহা পবিত্র উরস শরীফ ২০২৭ দাওয়াতী জলসা

যুব উন্নয়নে এক প্রকল্পেই ২৯৭ কোটি টাকার হরিলুট !

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩০৩ জন সংবাদটি পড়েছেন

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ফ্রিল্যান্সার প্রশিক্ষণ প্রকল্পে ২৯৭ কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই প্রকল্পে মূল ভূমিকা পালন করেছেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের ঘনিষ্ঠ এম এ আখের (পরিচালক প্রশাসন) ও যুব কাউন্সিলের সভাপতি মাসুদ আলম।
এম এ আখের, যিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন, এখনো এক সমন্বয়কের নাম ব্যবহার করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। তার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক সহযোগী মাসুদ আলম ছিলেন ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তদন্ত চলছে।
সূত্রমতে, এম এ আখের ও মাসুদ আলমের মধ্যে রয়েছে গভীর ঘনিষ্ঠতা ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক। তারা যৌথভাবে ২৯৭ কোটি টাকার ফ্রিল্যান্সার প্রশিক্ষণ প্রকল্পের কাজ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। সারাক্ষণ বার্তার অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রকল্পের দরপত্রটি মাসুদ আলমের প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড-এর অনুকূলে সাজানো হয়। টেন্ডার প্রক্রিয়ার পুরো নিয়ন্ত্রণ ছিল এম এ আখেরের হাতে।
এম এ আখেরের বিরুদ্ধে রয়েছে অর্থপাচার, ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার ও ডিজিটাল প্রতারণার একাধিক অভিযোগ। অন্যদিকে মাসুদ আলমের টেন্ডার যোগ্যতা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছিল। তবুও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই তার প্রতিষ্ঠান এই বিশাল প্রকল্পের দায়িত্ব পেয়ে আসছে, এবং শেখ হাসিনার পতনের পর বর্তমান জুলাই চেতনার সরকারের আমলেও সেই প্রতিষ্ঠানই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, এম এ আখেরের অনুমতি ছাড়া যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে কোনো সিদ্ধান্তই কার্যকর হয় না। তার প্রভাব ও মাসুদ আলমের ঘনিষ্ঠতার জোরে তারা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধান শুরু হলে এই সিন্ডিকেটের বহু অজানা দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এ বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের কাজ চলমান রয়েছে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

তেরখাদায় দলীয় সুবিধা বণ্টনে বৈষম্যের অভিযোগ, ক্ষোভে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা

যুব উন্নয়নে এক প্রকল্পেই ২৯৭ কোটি টাকার হরিলুট !

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ফ্রিল্যান্সার প্রশিক্ষণ প্রকল্পে ২৯৭ কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই প্রকল্পে মূল ভূমিকা পালন করেছেন সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের ঘনিষ্ঠ এম এ আখের (পরিচালক প্রশাসন) ও যুব কাউন্সিলের সভাপতি মাসুদ আলম।
এম এ আখের, যিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন, এখনো এক সমন্বয়কের নাম ব্যবহার করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। তার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক সহযোগী মাসুদ আলম ছিলেন ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) তদন্ত চলছে।
সূত্রমতে, এম এ আখের ও মাসুদ আলমের মধ্যে রয়েছে গভীর ঘনিষ্ঠতা ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক। তারা যৌথভাবে ২৯৭ কোটি টাকার ফ্রিল্যান্সার প্রশিক্ষণ প্রকল্পের কাজ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। সারাক্ষণ বার্তার অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রকল্পের দরপত্রটি মাসুদ আলমের প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড-এর অনুকূলে সাজানো হয়। টেন্ডার প্রক্রিয়ার পুরো নিয়ন্ত্রণ ছিল এম এ আখেরের হাতে।
এম এ আখেরের বিরুদ্ধে রয়েছে অর্থপাচার, ভুয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার ও ডিজিটাল প্রতারণার একাধিক অভিযোগ। অন্যদিকে মাসুদ আলমের টেন্ডার যোগ্যতা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছিল। তবুও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই তার প্রতিষ্ঠান এই বিশাল প্রকল্পের দায়িত্ব পেয়ে আসছে, এবং শেখ হাসিনার পতনের পর বর্তমান জুলাই চেতনার সরকারের আমলেও সেই প্রতিষ্ঠানই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, এম এ আখেরের অনুমতি ছাড়া যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে কোনো সিদ্ধান্তই কার্যকর হয় না। তার প্রভাব ও মাসুদ আলমের ঘনিষ্ঠতার জোরে তারা বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনুসন্ধান শুরু হলে এই সিন্ডিকেটের বহু অজানা দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।এ বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের কাজ চলমান রয়েছে।