ঢাকা ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
হাওর ভ্রমণ মুহূর্তেই রূপ নিল আজীবনের শোকে। যে বাবা পরিবারের সঙ্গে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়েছিলেন, শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন দিয়েই বাঁচিয়ে গেলেন মেয়েকে! কালিগঞ্জ উপজেলাস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সহকর্মীর হামলায় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আহত একজন শিক্ষকের হাতজোড়, একদল শিক্ষার্থীর কান্না—আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য এক নির্মম প্রশ্ন। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে মহা মিছিল, ধর্মতলা উত্তাল।  ভক্তদের আনন্দ-উচ্ছ্বাসে উদযাপিত হলো পবিত্র উল্টো রথযাত্রা। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ১২ সংস্থার শীর্ষ পদে বিএনপির ১২ নেতা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ১২ সংস্থার শীর্ষ পদে বিএনপির ১২ নেতা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ। রাউজান ফকিরহাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উল্টো রথযাত্রা সম্পন্ন। রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি বনাম জবাবদিহি: বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮, ৫০, ৫১, ৫২ ও ৫৪ অনুচ্ছেদের আলোকে একটি সাংবিধানিক বিশ্লেষণ। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর বাংলাদেশের সাংবিধানিক উত্তরণ: ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠানের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাকুরী দেওয়ার নামে এক যুবকের ২ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ! 

 

ভুয়া সরকারি পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নামে এক যুবককে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দুই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত তরিকুল ইসলাম একটি ভুয়া “অস্থায়ী পরিচয়পত্র” দেখিয়ে নিজেকে সরকারি প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দাবি করেন। সেই পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম, ভুয়া পরিচয়পত্র নম্বর, ইস্যু তারিখ এমনকি যুগ্ম সচিবের স্বাক্ষরের উল্লেখ থাকলেও সেটি সম্পূর্ণ জাল বলে দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা।

স্ত্রীর স্বর্ণ বিক্রি করে টাকা দেন বাবা। ভুক্তভোগী যুবকের পিতা আলিম বলেন, “আমার ছেলেকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে তরিকুল ইসলাম দুই লাখ টাকা নেয়। সেই টাকা জোগাড় করতে আমার স্ত্রীর স্বর্ণ পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। এখন সে টাকা ফেরত দিচ্ছে না, নানা অজুহাত দেখাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, চাকরির প্রমাণ হিসেবে তার ছেলেকে একটি ভুয়া আইডি কার্ড দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ছেলেকে হাসপাতালে কাজে যেতে দেওয়া হচ্ছে না, এমনকি অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার নিজেও এখন হাসপাতালে নিয়মিত আসছেন না।

এ বিষয়ে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মো. মহসিন ফকির বলেন, “রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি ঠিকমতো ডিউটি করেন না, ফোন রিসিভ করেন না। ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলাম বলেন, “আমি টাকা নিয়েছি, এটা ঠিক। তবে আমি প্রতারণা করিনি। টাকা ফেরত দিয়ে দেবো, কয়েকদিন সময় লাগবে।” তবে তিনি ভুয়া পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরির বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

ভুক্তভোগীদের হাতে থাকা পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম ব্যবহার করা হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো আনুষ্ঠানিক রেকর্ড বা অনুমোদনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সরকারি দপ্তরের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার গুরুতর অপরাধ বলে

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

হাওর ভ্রমণ মুহূর্তেই রূপ নিল আজীবনের শোকে। যে বাবা পরিবারের সঙ্গে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়েছিলেন, শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন দিয়েই বাঁচিয়ে গেলেন মেয়েকে!

মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাকুরী দেওয়ার নামে এক যুবকের ২ লাখ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ! 

আপডেট সময় : ১০:২০:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

 

ভুয়া সরকারি পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নামে এক যুবককে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দুই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত তরিকুল ইসলাম একটি ভুয়া “অস্থায়ী পরিচয়পত্র” দেখিয়ে নিজেকে সরকারি প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দাবি করেন। সেই পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম, ভুয়া পরিচয়পত্র নম্বর, ইস্যু তারিখ এমনকি যুগ্ম সচিবের স্বাক্ষরের উল্লেখ থাকলেও সেটি সম্পূর্ণ জাল বলে দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা।

স্ত্রীর স্বর্ণ বিক্রি করে টাকা দেন বাবা। ভুক্তভোগী যুবকের পিতা আলিম বলেন, “আমার ছেলেকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে তরিকুল ইসলাম দুই লাখ টাকা নেয়। সেই টাকা জোগাড় করতে আমার স্ত্রীর স্বর্ণ পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। এখন সে টাকা ফেরত দিচ্ছে না, নানা অজুহাত দেখাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, চাকরির প্রমাণ হিসেবে তার ছেলেকে একটি ভুয়া আইডি কার্ড দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ছেলেকে হাসপাতালে কাজে যেতে দেওয়া হচ্ছে না, এমনকি অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার নিজেও এখন হাসপাতালে নিয়মিত আসছেন না।

এ বিষয়ে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মো. মহসিন ফকির বলেন, “রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি ঠিকমতো ডিউটি করেন না, ফোন রিসিভ করেন না। ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রেকর্ডকিপার তরিকুল ইসলাম বলেন, “আমি টাকা নিয়েছি, এটা ঠিক। তবে আমি প্রতারণা করিনি। টাকা ফেরত দিয়ে দেবো, কয়েকদিন সময় লাগবে।” তবে তিনি ভুয়া পরিচয়পত্র ও চাকরির কার্ড তৈরির বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

ভুক্তভোগীদের হাতে থাকা পরিচয়পত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নাম ব্যবহার করা হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো আনুষ্ঠানিক রেকর্ড বা অনুমোদনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সরকারি দপ্তরের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার গুরুতর অপরাধ বলে