ঢাকা ১১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
নিকরাইল বেগম মমতাজ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভাষা কর্মশালা ও মুক্ত পাঠাগার উদ্বোধন। নড়াইলের লোহাগড়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাছ কর্তন। প্রায় ২০ কোটি টাকার স্থাপনার হদিস নেই, রামেবি ক্যাম্পাসে লুটপাটের অভিযোগ। লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং প্রগ্রেসিভ ওয়েস্ট’র উদ্যোগে ফ্রি চক্ষু শিবির ও মেডিক্যাল ক্যাম্প সম্পন্ন। আখাউড়ায় বিশেষ অভিযানে উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি গ্রেপ্তার একটি স্বপ্নের নাম মর্ম মাধুর্য বসু (তাথৈ) শুভ জন্মদিন, আমাদের প্রাণের আলো। হাওর ভ্রমণ মুহূর্তেই রূপ নিল আজীবনের শোকে। যে বাবা পরিবারের সঙ্গে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়েছিলেন, শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন দিয়েই বাঁচিয়ে গেলেন মেয়েকে! কালিগঞ্জ উপজেলাস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সহকর্মীর হামলায় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আহত একজন শিক্ষকের হাতজোড়, একদল শিক্ষার্থীর কান্না—আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য এক নির্মম প্রশ্ন। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে মহা মিছিল, ধর্মতলা উত্তাল। 

মাগুরায় শিক্ষক নামের কলংক, ছাত্রীদের কু-প্রস্তাব ও ইভটিজিং করেন বাংলা বিভাগের শিক্ষক! 

মাগুরার সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও একাদশ শ্রেণির শ্রেণি শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে অশালীন ও কু-প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কলেজজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগকারী সিনহা হক কলেজটির মানবিক বিভাগের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গত ৩০ এপ্রিল কলেজ অধ্যক্ষ বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন,বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. দেলোয়ার হোসেন খান শ্রেণি কার্যক্রমের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সরাসরি তাকে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দিয়ে আসছেন। অভিযোগের সঙ্গে কিছু প্রমাণও সংযুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগেও একই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনুরূপ অভিযোগ উঠেছিল। তবে অজ্ঞাত কারণে তখন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

অভিযোগপত্রে সিনহা হক বলেন,ঘটনার পর থেকে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। এর সুষ্ঠু বিচার না হলে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, “আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন খান বলেন,আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে।

মাগুরা জেলা শিক্ষা অফিসার বলেন,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত স্পর্শকাতর। কলেজ প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে মাগুরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন,ভুক্তভোগী পক্ষ আইনগত সহায়তা চাইলে অথবা লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সচেতন মহল দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

নিকরাইল বেগম মমতাজ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভাষা কর্মশালা ও মুক্ত পাঠাগার উদ্বোধন।

মাগুরায় শিক্ষক নামের কলংক, ছাত্রীদের কু-প্রস্তাব ও ইভটিজিং করেন বাংলা বিভাগের শিক্ষক! 

আপডেট সময় : ১২:৪৯:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

মাগুরার সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও একাদশ শ্রেণির শ্রেণি শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে অশালীন ও কু-প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কলেজজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগকারী সিনহা হক কলেজটির মানবিক বিভাগের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

গত ৩০ এপ্রিল কলেজ অধ্যক্ষ বরাবর দেওয়া লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন,বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. দেলোয়ার হোসেন খান শ্রেণি কার্যক্রমের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সরাসরি তাকে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ প্রস্তাব দিয়ে আসছেন। অভিযোগের সঙ্গে কিছু প্রমাণও সংযুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগেও একই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনুরূপ অভিযোগ উঠেছিল। তবে অজ্ঞাত কারণে তখন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

অভিযোগপত্রে সিনহা হক বলেন,ঘটনার পর থেকে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। এর সুষ্ঠু বিচার না হলে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, “আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. দেলোয়ার হোসেন খান বলেন,আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে।

মাগুরা জেলা শিক্ষা অফিসার বলেন,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত স্পর্শকাতর। কলেজ প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে মাগুরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন,ভুক্তভোগী পক্ষ আইনগত সহায়তা চাইলে অথবা লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সচেতন মহল দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।