ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন। রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে নতুন সাজে ঠাকুরগাঁও, রাঙিয়ে তোলা হয়েছে শহর। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব: দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন ও সমকালীন পৃথিবীতে কৃষ্ণের প্রাসঙ্গিকতা। ভাঙ্গার আলগীর ঝালডাঙ্গা বিলে শতাধিক নৌকার মহারণ, সেরা রাজৈরের ‘বৈতরণী’। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের বার্তা: অশুভের বিরুদ্ধে শুভবোধের জাগরণ- অপর্ণা রায় দাস। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউট সোর্সিং এর কাজ শতভাগ আওয়ামী প্রতিষ্ঠানের দখলে! এনআরবিসি ব্যাংকে চিহ্নিত লুটেরা চক্রের অপতৎপরতা! শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের বরিশাল শাখার ম্যানেজার হিসেবে যোগ দিলেন আবুল কালাম আজাদ নজরুল বর্ষ ও আমাদের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন: বিদ্রোহী কবির প্রাসঙ্গিকতা ও উত্তরাধিকার। যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা , সংকটের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক অভিযাত্রা।

সাংস্কৃতিক অনুদান কমিটিতে চিত্রনায়ক হেলাল খান।

দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উন্নয়ন ও শিল্পীদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় “কল্যাণ অনুদান” এবং “সাংস্কৃতিক সংগঠন (নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান)” খাতের আওতায় একটি জাতীয় কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটিতে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও আহ্বায়ক জাসাস নির্বাহী কমিটির এবং দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক হেলাল খানকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি অঙ্গনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

সম্প্রতি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অনুদান প্রদান কার্যক্রমকে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে—অনুদান প্রদানের নীতিমালা প্রণয়ন, যথাযথ যাচাই-বাছাই, দিকনির্দেশনা প্রদান এবং প্রাপ্ত আবেদনসমূহ পর্যালোচনা করে অনুমোদনের সুপারিশ করা। চলচ্চিত্র অঙ্গনে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, অভিনয় দক্ষতা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় সম্পৃক্ততার জন্য হেলাল খানকে এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তিনি শুধু একজন সফল সংগঠক ও চিত্রনায়কই নন, বরং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগেও নিয়মিতভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হেলাল খানের মতো একজন অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের অন্তর্ভুক্তি কমিটির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করবে। তার অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি দেশের প্রকৃত সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংগঠনগুলোকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন ও সহায়তা প্রদানে সহায়ক হবে।

এদিকে সংস্কৃতি সংশ্লিষ্ট মহলে আশা করা হচ্ছে, এই কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত শিল্পী ও নিবন্ধিত সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো সহজেই সরকারি সহায়তা পাবে এবং দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন আরও সমৃদ্ধ হবে। পাশাপাশি অনুদান কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উল্লেখ্য, এই কমিটির কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের সাংস্কৃতিক বিকাশ, শিল্পীদের কল্যাণ এবং নতুন প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন।

সাংস্কৃতিক অনুদান কমিটিতে চিত্রনায়ক হেলাল খান।

আপডেট সময় : ১০:০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উন্নয়ন ও শিল্পীদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় “কল্যাণ অনুদান” এবং “সাংস্কৃতিক সংগঠন (নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান)” খাতের আওতায় একটি জাতীয় কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটিতে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও আহ্বায়ক জাসাস নির্বাহী কমিটির এবং দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক হেলাল খানকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি অঙ্গনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

সম্প্রতি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অনুদান প্রদান কার্যক্রমকে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে—অনুদান প্রদানের নীতিমালা প্রণয়ন, যথাযথ যাচাই-বাছাই, দিকনির্দেশনা প্রদান এবং প্রাপ্ত আবেদনসমূহ পর্যালোচনা করে অনুমোদনের সুপারিশ করা। চলচ্চিত্র অঙ্গনে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, অভিনয় দক্ষতা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় সম্পৃক্ততার জন্য হেলাল খানকে এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তিনি শুধু একজন সফল সংগঠক ও চিত্রনায়কই নন, বরং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উদ্যোগেও নিয়মিতভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হেলাল খানের মতো একজন অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের অন্তর্ভুক্তি কমিটির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করবে। তার অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি দেশের প্রকৃত সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংগঠনগুলোকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন ও সহায়তা প্রদানে সহায়ক হবে।

এদিকে সংস্কৃতি সংশ্লিষ্ট মহলে আশা করা হচ্ছে, এই কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত শিল্পী ও নিবন্ধিত সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো সহজেই সরকারি সহায়তা পাবে এবং দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন আরও সমৃদ্ধ হবে। পাশাপাশি অনুদান কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। উল্লেখ্য, এই কমিটির কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের সাংস্কৃতিক বিকাশ, শিল্পীদের কল্যাণ এবং নতুন প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।