ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: আনন্দ-উচ্ছ্বাসে কাহারোলবাসী। রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব পদে ঠাকুরগাঁওয়ের আউয়াল আহমেদ। প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তরে ৫৭১ কোটি টাকার অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও নানা অনিয়মের অভিযোগ।  নওগাঁয় পিকআপ-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১। গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে দুই শিশু ধর্ষণেরর অভিযোগ।  বঙ্গোপসাগরে পানামার পতাকাবাহী জাহাজ ডুবি, নিখোঁজ ২২ নাবিক।   শার্শায় সাংবাদিক হত্যাসহ ১৮ মামলার আসামি উকিল মল্লিক আটক। খুলনা মেডিকেলের সামনে অস্ত্র-গুলিসহ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার। ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে ইলিশই যেন সোনার হরিণ: ২হাজার থেকে ২,৫০০ টাকা কেজি, ক্ষুব্ধ ক্রেতারা নাভিশ্বাস, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। সাগরের নীল জলে নিজেকে খোঁজার নিরন্তর চেষ্টা।

উপজেলা সদর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি।

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ৬১ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার সদর দপ্তর ভৌগোলিকভাবে যৌক্তিক ও সবার জন্য সহজগম্য স্থানে স্থাপনের দাবিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন চার ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ।

সোমবার (২০ জুলাই,২৬) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে নবগঠিত উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েকশত মানুষ অংশ নেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, উপজেলা সদর নির্ধারণে ভৌগোলিক বাস্তবতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের সুবিধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

আন্দোলনকারীদের সূত্রে জানা যায়, নবগঠিত উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলা মূলত ভূজপুর, দাঁতমারা, নারায়ণহাট ও হারুয়ালছড়ি—এই চার ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে গঠিত। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর দাবি ছিল, চার ইউনিয়নের ভৌগোলিক মধ্যবর্তী ও সহজ যোগাযোগসমৃদ্ধ কোনো স্থানে উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপন করা হলে সব এলাকার মানুষ সমানভাবে প্রশাসনিক সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

তবে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও ভৌগোলিক বাস্তবতা উপেক্ষা করে এককভাবে ভূজপুরে উপজেলা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এতে চার ইউনিয়নের বৃহৎ জনগোষ্ঠী প্রশাসনিক সেবা গ্রহণে অতিরিক্ত দূরত্ব অতিক্রম করতে বাধ্য হচ্ছেন এবং নানামুখী ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছেন।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে আন্দোলনকারীরা কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে—উপজেলা সদর নির্ধারণে চার ইউনিয়নের দূরত্ব ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সমতা নিশ্চিত করা, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা এবং স্থানীয় জনগণের মতামতের ভিত্তিতে উপজেলা সদর দপ্তরকে একটি কেন্দ্রীয় ও সুবিধাজনক স্থানে স্থানান্তর করা।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে জনস্বার্থে দ্রুত বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১০১ শয্যায় উন্নীত: আনন্দ-উচ্ছ্বাসে কাহারোলবাসী।

উপজেলা সদর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি।

আপডেট সময় : ১১:২৪:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

 

উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার সদর দপ্তর ভৌগোলিকভাবে যৌক্তিক ও সবার জন্য সহজগম্য স্থানে স্থাপনের দাবিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন চার ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ।

সোমবার (২০ জুলাই,২৬) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে নবগঠিত উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার অন্তর্ভুক্ত পাঁচটি ইউনিয়নের কয়েকশত মানুষ অংশ নেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, উপজেলা সদর নির্ধারণে ভৌগোলিক বাস্তবতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সাধারণ মানুষের সুবিধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

আন্দোলনকারীদের সূত্রে জানা যায়, নবগঠিত উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলা মূলত ভূজপুর, দাঁতমারা, নারায়ণহাট ও হারুয়ালছড়ি—এই চার ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে গঠিত। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর দাবি ছিল, চার ইউনিয়নের ভৌগোলিক মধ্যবর্তী ও সহজ যোগাযোগসমৃদ্ধ কোনো স্থানে উপজেলা সদর দপ্তর স্থাপন করা হলে সব এলাকার মানুষ সমানভাবে প্রশাসনিক সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

তবে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও ভৌগোলিক বাস্তবতা উপেক্ষা করে এককভাবে ভূজপুরে উপজেলা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এতে চার ইউনিয়নের বৃহৎ জনগোষ্ঠী প্রশাসনিক সেবা গ্রহণে অতিরিক্ত দূরত্ব অতিক্রম করতে বাধ্য হচ্ছেন এবং নানামুখী ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছেন।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে আন্দোলনকারীরা কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে—উপজেলা সদর নির্ধারণে চার ইউনিয়নের দূরত্ব ও যোগাযোগ ব্যবস্থার সমতা নিশ্চিত করা, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা এবং স্থানীয় জনগণের মতামতের ভিত্তিতে উপজেলা সদর দপ্তরকে একটি কেন্দ্রীয় ও সুবিধাজনক স্থানে স্থানান্তর করা।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে জনস্বার্থে দ্রুত বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।