ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন। রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে নতুন সাজে ঠাকুরগাঁও, রাঙিয়ে তোলা হয়েছে শহর। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব: দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন ও সমকালীন পৃথিবীতে কৃষ্ণের প্রাসঙ্গিকতা। ভাঙ্গার আলগীর ঝালডাঙ্গা বিলে শতাধিক নৌকার মহারণ, সেরা রাজৈরের ‘বৈতরণী’। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের বার্তা: অশুভের বিরুদ্ধে শুভবোধের জাগরণ- অপর্ণা রায় দাস। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউট সোর্সিং এর কাজ শতভাগ আওয়ামী প্রতিষ্ঠানের দখলে! এনআরবিসি ব্যাংকে চিহ্নিত লুটেরা চক্রের অপতৎপরতা! শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের বরিশাল শাখার ম্যানেজার হিসেবে যোগ দিলেন আবুল কালাম আজাদ নজরুল বর্ষ ও আমাদের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন: বিদ্রোহী কবির প্রাসঙ্গিকতা ও উত্তরাধিকার। যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা , সংকটের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক অভিযাত্রা।

দুর্গম বন্যাকবলিত এলাকায় ভয়াবহ মানবিক সংকট, ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখা।

টানা বর্ষণ ও বন্যার কারণে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় মানবিক সংকট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে চলমান ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে স্বেচ্ছাসেবীরা দুর্গম এলাকায় অসহায় মানুষের করুণ জীবনযাত্রার চিত্র প্রত্যক্ষ করেছেন।

ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ডেইঙ্গাকাটা এলাকায় পৌঁছে দেখা যায়, চারদিকে শুধু পানি আর পানি। অধিকাংশ ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের বসবাসের মতো শুকনো কোনো স্থান নেই। অনেক পরিবার খাটের পায়ার নিচে ইট দিয়ে উঁচু করে কোনোভাবে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু পানির উচ্চতা খাটের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাপন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রান্না করা, খাবার সংরক্ষণ এবং রাতে ঘুমানোর মতো ন্যূনতম পরিবেশও এখন তাদের নেই। বন্যার পানি দ্রুত না নামলে সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি মীর মোহাম্মদ আবু তালহা জানিয়েছে, তাদের ত্রাণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও বিস্তৃত পরিসরে দুর্গত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

এদিকে সমাজের বিত্তবান, মানবিক ও সামর্থ্যবান ব্যক্তি এবং বিভিন্ন সামাজিক-স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে দুর্গত এলাকায় চিড়া, মুড়ি, চিনি, কলা, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য শুকনো খাদ্যসামগ্রীর চাহিদা সবচেয়ে বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মানবিক এই দুর্যোগে সম্মিলিত উদ্যোগই অসহায় মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন।

দুর্গম বন্যাকবলিত এলাকায় ভয়াবহ মানবিক সংকট, ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখা।

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

টানা বর্ষণ ও বন্যার কারণে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় মানবিক সংকট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে চলমান ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে স্বেচ্ছাসেবীরা দুর্গম এলাকায় অসহায় মানুষের করুণ জীবনযাত্রার চিত্র প্রত্যক্ষ করেছেন।

ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ডেইঙ্গাকাটা এলাকায় পৌঁছে দেখা যায়, চারদিকে শুধু পানি আর পানি। অধিকাংশ ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের বসবাসের মতো শুকনো কোনো স্থান নেই। অনেক পরিবার খাটের পায়ার নিচে ইট দিয়ে উঁচু করে কোনোভাবে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু পানির উচ্চতা খাটের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাপন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রান্না করা, খাবার সংরক্ষণ এবং রাতে ঘুমানোর মতো ন্যূনতম পরিবেশও এখন তাদের নেই। বন্যার পানি দ্রুত না নামলে সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি মীর মোহাম্মদ আবু তালহা জানিয়েছে, তাদের ত্রাণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও বিস্তৃত পরিসরে দুর্গত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

এদিকে সমাজের বিত্তবান, মানবিক ও সামর্থ্যবান ব্যক্তি এবং বিভিন্ন সামাজিক-স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে দুর্গত এলাকায় চিড়া, মুড়ি, চিনি, কলা, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য শুকনো খাদ্যসামগ্রীর চাহিদা সবচেয়ে বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মানবিক এই দুর্যোগে সম্মিলিত উদ্যোগই অসহায় মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।