ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
তেরখাদায় দলীয় সুবিধা বণ্টনে বৈষম্যের অভিযোগ, ক্ষোভে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা পীরগঞ্জে ইয়াবা-ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার নির্বাহী প্রকৌশলী তানজিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন? ‎ মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে কিশোর অপহরণ, উখিয়ায় গ্রেপ্তার ২ উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন কাশিয়ানীতে এমএস মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ, ৫ হাজার কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা ‘ধর্মের নামে অধর্ম উগ্রবাদী মব সন্ত্রাসীদের উৎখাতেই সব মানুষের নিরাপদ রাষ্ট্র সম্ভব’ পাহাড়তলী গ্রীনভিউ ঈদে আজম মাহফিলে আল্লামা রেজাউল কাউসার নবীনগরে তিতাস পাড়ের অবৈধ বালু অপসারণ শুরু: শেষ পর্যন্ত কি রক্ষা পাবে নদী? অলি আহমদের বক্তব্য ঘিরে ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ, রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক জাকের মঞ্জিল দরবার শরীফে আসন্ন মহা পবিত্র উরস শরীফ ২০২৭ দাওয়াতী জলসা

দুর্গম বন্যাকবলিত এলাকায় ভয়াবহ মানবিক সংকট, ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখা।

টানা বর্ষণ ও বন্যার কারণে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় মানবিক সংকট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে চলমান ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে স্বেচ্ছাসেবীরা দুর্গম এলাকায় অসহায় মানুষের করুণ জীবনযাত্রার চিত্র প্রত্যক্ষ করেছেন।

ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ডেইঙ্গাকাটা এলাকায় পৌঁছে দেখা যায়, চারদিকে শুধু পানি আর পানি। অধিকাংশ ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের বসবাসের মতো শুকনো কোনো স্থান নেই। অনেক পরিবার খাটের পায়ার নিচে ইট দিয়ে উঁচু করে কোনোভাবে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু পানির উচ্চতা খাটের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাপন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রান্না করা, খাবার সংরক্ষণ এবং রাতে ঘুমানোর মতো ন্যূনতম পরিবেশও এখন তাদের নেই। বন্যার পানি দ্রুত না নামলে সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি মীর মোহাম্মদ আবু তালহা জানিয়েছে, তাদের ত্রাণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও বিস্তৃত পরিসরে দুর্গত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

এদিকে সমাজের বিত্তবান, মানবিক ও সামর্থ্যবান ব্যক্তি এবং বিভিন্ন সামাজিক-স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে দুর্গত এলাকায় চিড়া, মুড়ি, চিনি, কলা, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য শুকনো খাদ্যসামগ্রীর চাহিদা সবচেয়ে বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মানবিক এই দুর্যোগে সম্মিলিত উদ্যোগই অসহায় মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

তেরখাদায় দলীয় সুবিধা বণ্টনে বৈষম্যের অভিযোগ, ক্ষোভে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা

দুর্গম বন্যাকবলিত এলাকায় ভয়াবহ মানবিক সংকট, ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখা।

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

টানা বর্ষণ ও বন্যার কারণে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় মানবিক সংকট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে চলমান ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে স্বেচ্ছাসেবীরা দুর্গম এলাকায় অসহায় মানুষের করুণ জীবনযাত্রার চিত্র প্রত্যক্ষ করেছেন।

ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ডেইঙ্গাকাটা এলাকায় পৌঁছে দেখা যায়, চারদিকে শুধু পানি আর পানি। অধিকাংশ ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের বসবাসের মতো শুকনো কোনো স্থান নেই। অনেক পরিবার খাটের পায়ার নিচে ইট দিয়ে উঁচু করে কোনোভাবে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু পানির উচ্চতা খাটের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাপন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রান্না করা, খাবার সংরক্ষণ এবং রাতে ঘুমানোর মতো ন্যূনতম পরিবেশও এখন তাদের নেই। বন্যার পানি দ্রুত না নামলে সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি মীর মোহাম্মদ আবু তালহা জানিয়েছে, তাদের ত্রাণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও বিস্তৃত পরিসরে দুর্গত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

এদিকে সমাজের বিত্তবান, মানবিক ও সামর্থ্যবান ব্যক্তি এবং বিভিন্ন সামাজিক-স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে দুর্গত এলাকায় চিড়া, মুড়ি, চিনি, কলা, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য শুকনো খাদ্যসামগ্রীর চাহিদা সবচেয়ে বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মানবিক এই দুর্যোগে সম্মিলিত উদ্যোগই অসহায় মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।