গাইবান্ধার হরিদাস চন্দ্র দাসকে আজ রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে গাইবান্ধা জেলা ডিবি পরিচয়ে কিছু ব্যক্তি মন্দিরে প্রবেশ করে।
তারা হরিদাস চন্দ্র দাস কে মন্দির থেকে ডেকে বলেন তাঁর ফোনগুলো হাতে নিতে এবং মন্দিরের সকল চাবি সঙ্গে নিতে। এরপর চাবি ও ফোনসহ তাকে বাইরে নিয়ে গিয়ে হ্যান্ডকাপ পরানো হয়।
তারা জানায়, উত্তরা এলাকায় তার একটি পুরোনো মামলা রয়েছে সম্ভবত ২০১৮ সালের সেই মামলার ওয়ারেন্ট দেখিয়ে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বর্তমানে গাইবান্ধার পলাশবাড়ি থানার ওসি মহোদয় মন্দিরে অবস্থান করছেন। মন্দিরের এক সেবায়েত জানান পূর্বে আমরা শুনেছিলাম যে, হরিদাস চন্দ্রসহ সবাইকে ওসি মহোদয় সার্বিক বিষয়ে সহযোগিতা করবেন অথচ আজকে হরিদাস বাবুকে গ্রেফতার করলেন।
তবে গাইবান্ধার সনাতনী সমাজে হরিদাস চন্দ্রের গ্রেফতার নিয়ে নানামুখী মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।তাদের দাবি এই ধরনের কর্মকাণ্ডের প্রতি আমরা তীব্র ধিক্কার জানাই। ধিক্কার জানাই এই প্রশাসনকে এবং বাংলাদেশের বৈষম্যমূলক আচরণকে।তারা গোটা বিশ্বের মানবাধিকার সংস্থা এবং বিবেকবান সকল মানুষের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানান এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে।।
তবে গাইবান্ধা পুলিশের পক্ষ থেকে হরিদাসের গ্রেফতার প্রসঙ্গে এখনো কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি 

























