ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
বিআইডব্লিউটি এর সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ! কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের অভিযানে ১৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার-১ ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়া রেল স্টেশনে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের জোরালো দাবি: চরম দুর্ভোগে ট্রেন যাত্রীরা। ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারকেল চাষে ডুমুরিয়ায় বিপ্লব: আড়াই বছরেই ফলন, বছরে মিলছে ৩৫০ নারকেল। কুড়িগ্রাম ভূরুঙ্গামারী সোনাহাট স্থলবন্দরে মাদক বিরোধী মানববন্ধন।  কুমিল্লা দাউদ কান্দিতে পৃথক অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্যসহ ৩ আসামি গ্রেপ্তার। বরগুনা জেলার পাথরঘাটায় হত্যা মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক অভিযুক্ত আল আমিন’কে র‌্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প কর্তৃক গ্রেফতার। বিদেশি সিগারেটসহ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার, ৩০ কার্টুন সিগারেট উদ্ধার। কালীগঞ্জ পৌর এলাকায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত রাস্তায় নিম্ন মানের নির্মান সামগ্রী। ১৭ বছর যাবত যুবলীগ নেতা সাঈদ মীরের দখলে মাগুরা জেলা বাস মিনিবাস মালিক মালিক গ্রুপের কর্তৃত্ব! জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা।

বিআইডব্লিউটি এর সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ!

বিআইডব্লিউটিএ সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা ( বিভাগীয় মামলা সেল) আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাওয়াগেছে। অভিযোগের ভাষ্যমতে বিআইডব্লিউটিএ ভবনের ষষ্ঠ তালায় তার তার অফিস। অভিযোগ রয়েছে যে, দীর্ঘ ১৫ বছর তিনি একই চেয়ারে থেকে কর্মচারী এবং কর্মকর্তাদের নামে বেনামি চিঠি লেখা তাদের নামে বিভাগীয়় মামলা দেওয়ার় পরে তাদের ডেকে এনে বদলী ও সাসপেন্ডের ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।

 

অভিযোগ মতে চাকরি দেওয়া, বদলি বাণিজ্য করা, ঘাটের টেন্ডার ইজারা দেওয়া- সব জায়গায় হস্তক্ষেপ তরেন তিনি। বিআইডব্লিউটিএর সাবেক সচিব ওয়াকিল নেওয়াজেকে না হলেও দশ কোটি টাকা ইনকাম করে দিয়েছেন এ পথে। নিজেও হাতিয়েছেন প্রায় ২০ কোটি টাকা। তিনি একই চেয়ারে দীর্ঘ ১৫ বছর চাকুরী করছেন। তার কোন বদলী হয়না এ বিষয়ে কোন সদুত্তোর দিতে পারেননি বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, কুমিল্লার গোমতী নদীর ওই পারে তিনি কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে বিশাল একটি বাংলো বাড়ী নির্মাণ করেছেন। এলাকায় তিনি দানবীর হিসেবে পরিচিত। কুমিল্লা শহরে কোতোয়ালি থানার পাশে মুগলটুলিতে জামে মসজিদের পাশে সাততলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। তার নামে দুটো প্রাইভেট কার কার আছে। সেগুলো তিনি বাড়েিত গেলে ব্যবহার করেন। এলাকায় তার বিশাল মাছের ঘের ও গরুর খামার রয়েছে। এলাকায় সবাই জানেন যে, তিনি সচিব পদমর্যাদায় চাকরি করেন । ঢাকায় তিনি আলিশান ফ্লাটে থাকেন এবং একাধিক ফ্ল্যাটের ক্রয় করে ভাড়া দিয়েছেন। সব মিলিয়ে় তার বেতন ৬০ হাজার টাকা। সেখানে এত সম্পদ কিভাবে করলেন সেটাই এখন সকলের প্রশ্ন।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, আমার সকল সম্পদ বৈধ। আমি কোন অনিয়ম,দুর্নীতি করি না। একই কর্মস্থেেল ১৫ বছর চাকুরী করার বিষয়ে বলেন, আমার কর্তৃপক্ষ আমার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে একই কর্মন্থলে রেখে দিয়েছেন। এটা কোন অপরাধ নয়।

 

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগি এই কর্মকর্তা দীর্ঘ ১৫ বছর কিভাবে একই কর্মস্থলে রয়েছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তারা বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান ও আয়ের সাথে সংগতিহীন সম্পদ অর্জনের বিষয়ে দুদকের তদন্ত প্রার্থনা করেছেন।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

বিআইডব্লিউটি এর সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ!

বিআইডব্লিউটি এর সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ!

আপডেট সময় : ১১:৫১:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

বিআইডব্লিউটিএ সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা ( বিভাগীয় মামলা সেল) আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পাওয়াগেছে। অভিযোগের ভাষ্যমতে বিআইডব্লিউটিএ ভবনের ষষ্ঠ তালায় তার তার অফিস। অভিযোগ রয়েছে যে, দীর্ঘ ১৫ বছর তিনি একই চেয়ারে থেকে কর্মচারী এবং কর্মকর্তাদের নামে বেনামি চিঠি লেখা তাদের নামে বিভাগীয়় মামলা দেওয়ার় পরে তাদের ডেকে এনে বদলী ও সাসপেন্ডের ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।

 

অভিযোগ মতে চাকরি দেওয়া, বদলি বাণিজ্য করা, ঘাটের টেন্ডার ইজারা দেওয়া- সব জায়গায় হস্তক্ষেপ তরেন তিনি। বিআইডব্লিউটিএর সাবেক সচিব ওয়াকিল নেওয়াজেকে না হলেও দশ কোটি টাকা ইনকাম করে দিয়েছেন এ পথে। নিজেও হাতিয়েছেন প্রায় ২০ কোটি টাকা। তিনি একই চেয়ারে দীর্ঘ ১৫ বছর চাকুরী করছেন। তার কোন বদলী হয়না এ বিষয়ে কোন সদুত্তোর দিতে পারেননি বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, কুমিল্লার গোমতী নদীর ওই পারে তিনি কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে বিশাল একটি বাংলো বাড়ী নির্মাণ করেছেন। এলাকায় তিনি দানবীর হিসেবে পরিচিত। কুমিল্লা শহরে কোতোয়ালি থানার পাশে মুগলটুলিতে জামে মসজিদের পাশে সাততলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। তার নামে দুটো প্রাইভেট কার কার আছে। সেগুলো তিনি বাড়েিত গেলে ব্যবহার করেন। এলাকায় তার বিশাল মাছের ঘের ও গরুর খামার রয়েছে। এলাকায় সবাই জানেন যে, তিনি সচিব পদমর্যাদায় চাকরি করেন । ঢাকায় তিনি আলিশান ফ্লাটে থাকেন এবং একাধিক ফ্ল্যাটের ক্রয় করে ভাড়া দিয়েছেন। সব মিলিয়ে় তার বেতন ৬০ হাজার টাকা। সেখানে এত সম্পদ কিভাবে করলেন সেটাই এখন সকলের প্রশ্ন।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, আমার সকল সম্পদ বৈধ। আমি কোন অনিয়ম,দুর্নীতি করি না। একই কর্মস্থেেল ১৫ বছর চাকুরী করার বিষয়ে বলেন, আমার কর্তৃপক্ষ আমার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে একই কর্মন্থলে রেখে দিয়েছেন। এটা কোন অপরাধ নয়।

 

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগি এই কর্মকর্তা দীর্ঘ ১৫ বছর কিভাবে একই কর্মস্থলে রয়েছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তারা বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান ও আয়ের সাথে সংগতিহীন সম্পদ অর্জনের বিষয়ে দুদকের তদন্ত প্রার্থনা করেছেন।