ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন। রাষ্ট্রপতির আগমন ঘিরে নতুন সাজে ঠাকুরগাঁও, রাঙিয়ে তোলা হয়েছে শহর। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব: দুষ্টের দমন, শিষ্টের পালন ও সমকালীন পৃথিবীতে কৃষ্ণের প্রাসঙ্গিকতা। ভাঙ্গার আলগীর ঝালডাঙ্গা বিলে শতাধিক নৌকার মহারণ, সেরা রাজৈরের ‘বৈতরণী’। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের বার্তা: অশুভের বিরুদ্ধে শুভবোধের জাগরণ- অপর্ণা রায় দাস। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আউট সোর্সিং এর কাজ শতভাগ আওয়ামী প্রতিষ্ঠানের দখলে! এনআরবিসি ব্যাংকে চিহ্নিত লুটেরা চক্রের অপতৎপরতা! শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের বরিশাল শাখার ম্যানেজার হিসেবে যোগ দিলেন আবুল কালাম আজাদ নজরুল বর্ষ ও আমাদের সাংস্কৃতিক উন্নয়ন: বিদ্রোহী কবির প্রাসঙ্গিকতা ও উত্তরাধিকার। যেভাবে বিএনপির প্রতিষ্ঠা , সংকটের ধ্বংসস্তূপ থেকে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক অভিযাত্রা।

গোপালগঞ্জ শহরের কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুতের তার চুরি, রাতে আতঙ্ক।

গোপালগঞ্জ শহরের নবীনবাগ, পাঁচুড়িয়া, মার্কাজ মহল্লা, শিশুবন রোড ও মিয়াবাড়ি এলাকায় বিদ্যুতের তার চুরির ঘটনা বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, গভীর রাতে বাড়িঘর ও বিদ্যুতের খুঁটির সংযোগ লাইনের তার কেটে নিয়ে যাচ্ছে চোরেরা। এতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে ভোগান্তির পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর মানুষের চলাচল কমে গেলে বিভিন্ন এলাকায় অপরিচিত ও সন্দেহজনক ব্যক্তিদের চলাচল দেখা যায়। পরে সকালে বিভিন্ন বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগের তার কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। কয়েক দিন ধরে এমন ঘটনায় রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আতঙ্ক বাড়ছে বাসিন্দাদের মধ্যে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বিদ্যুতের তার কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আবার কেটে নেওয়া তার ছিঁড়ে রাস্তায় বা বাড়ির আশপাশে পড়ে থাকলে সাধারণ মানুষও দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন। তাই বিষয়টি শুধু চুরির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, জননিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ।

মার্কাজ মহল্লার এক বাসিন্দা বলেন, ‘রাত হলেই এখন বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় থাকতে হয়। কখন কোন বাড়ির বিদ্যুতের তার কেটে নিয়ে যায়, তা নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।’

নবীনবাগ, পাঁচুড়িয়া, শিশুবন রোড ও মিয়াবাড়ি এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, চুরি ঠেকাতে রাতের পুলিশি টহল বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের চলাচলের ওপর নজরদারি এবং বিদ্যুতের তার চুরির ঘটনাগুলো তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

সচেতন নাগরিকদের মতে, এসব এলাকায় নিয়মিত পুলিশি টহল ও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সতর্ক থাকতে হবে। কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে আইন নিজের হাতে না নিয়ে দ্রুত পুলিশকে জানানো প্রয়োজন।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, বিদ্যুতের তার চুরির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এতে চুরি বন্ধের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও নিরাপত্তাবোধ ফিরবে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

চার শিক্ষাব্যবস্থা, চার বাংলাদেশ: রাষ্ট্রের নীরব আত্মবিভাজন।

গোপালগঞ্জ শহরের কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুতের তার চুরি, রাতে আতঙ্ক।

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

গোপালগঞ্জ শহরের নবীনবাগ, পাঁচুড়িয়া, মার্কাজ মহল্লা, শিশুবন রোড ও মিয়াবাড়ি এলাকায় বিদ্যুতের তার চুরির ঘটনা বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, গভীর রাতে বাড়িঘর ও বিদ্যুতের খুঁটির সংযোগ লাইনের তার কেটে নিয়ে যাচ্ছে চোরেরা। এতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে ভোগান্তির পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর মানুষের চলাচল কমে গেলে বিভিন্ন এলাকায় অপরিচিত ও সন্দেহজনক ব্যক্তিদের চলাচল দেখা যায়। পরে সকালে বিভিন্ন বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগের তার কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। কয়েক দিন ধরে এমন ঘটনায় রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আতঙ্ক বাড়ছে বাসিন্দাদের মধ্যে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বিদ্যুতের তার কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আবার কেটে নেওয়া তার ছিঁড়ে রাস্তায় বা বাড়ির আশপাশে পড়ে থাকলে সাধারণ মানুষও দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন। তাই বিষয়টি শুধু চুরির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, জননিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ।

মার্কাজ মহল্লার এক বাসিন্দা বলেন, ‘রাত হলেই এখন বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় থাকতে হয়। কখন কোন বাড়ির বিদ্যুতের তার কেটে নিয়ে যায়, তা নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।’

নবীনবাগ, পাঁচুড়িয়া, শিশুবন রোড ও মিয়াবাড়ি এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, চুরি ঠেকাতে রাতের পুলিশি টহল বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের চলাচলের ওপর নজরদারি এবং বিদ্যুতের তার চুরির ঘটনাগুলো তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার ব্যবস্থা নিতে হবে।

সচেতন নাগরিকদের মতে, এসব এলাকায় নিয়মিত পুলিশি টহল ও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সতর্ক থাকতে হবে। কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে আইন নিজের হাতে না নিয়ে দ্রুত পুলিশকে জানানো প্রয়োজন।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, বিদ্যুতের তার চুরির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এতে চুরি বন্ধের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও নিরাপত্তাবোধ ফিরবে।