ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলিতে আরসা কমান্ডার নিহত, সন্দেহ আরএসওর সশস্ত্র সদস্যদের। চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হান দোজখ দেখে ফেলেছে : এসপি মাসুদ। নোয়াখালী ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, একই পরিবারের ৫ জন আহত। টয়লেটের ট্যাংকিতে মিলল স্কুলশিক্ষিকার লাশ। ভাঙ্গুড়ায় মন্ডলমোড়-নৌবাড়ীয়া চৌরাস্তা সড়কের বেহাল দশা, দুর্ভোগে লাখো মানুষ। বিআইডব্লিউটি এর সহকারী সমন্বয় কর্মকর্তা আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ! কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের অভিযানে ১৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার-১ ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়া রেল স্টেশনে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের জোরালো দাবি: চরম দুর্ভোগে ট্রেন যাত্রীরা। ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারকেল চাষে ডুমুরিয়ায় বিপ্লব: আড়াই বছরেই ফলন, বছরে মিলছে ৩৫০ নারকেল।

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হান দোজখ দেখে ফেলেছে : এসপি মাসুদ।

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:২১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ৩০ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

চট্টগ্রামের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ‘বড় সাজ্জাদ’-এর প্রধান সহযোগী ও নির্দেশদাতা রায়হানকে গ্রেপ্তারে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে বসতঘরের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে সে পালিয়ে গেলেও তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা ১১টায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়ির শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, ‘চতুর রায়হান অলৌকিকভাবে সাময়িকভাবে পালাতে সক্ষম হলেও সে ইতোমধ্যে দোজখ দেখে ফেলেছে। অপরাধী যত শক্তিশালী বা চতুরই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

তিনি জানান, চট্টগ্রাম অঞ্চলে অপরাধ সংঘটনের পর অনেক সন্ত্রাসী বিদেশে অবস্থানরত গ্যাং লিডার বড় সাজ্জাদের সহায়তায় ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এলাকায় আধিপত্য বজায় রাখতে তারা কিশোর গ্যাং সদস্যদের ব্যবহার করে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি এড়াতে স্থানীয় মোবাইল নেটওয়ার্কের পরিবর্তে বিদেশি ভার্চুয়াল নম্বর ও বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করে।

সংবাদ সম্মেলনে ডেভিড ইমনের গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে এসপি বলেন, কুমিল্লা ও ঢাকার একাধিক পুলিশ চেকপোস্ট এড়িয়ে ইমন সীমান্তবর্তী এলাকায় চলে যায়। পরে জেলা পুলিশের বিশেষ টিম ঝিনাইদহ সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের আরও চারজন শীর্ষ শুটারকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

তিনি আরও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার ও ধারাবাহিক নজরদারির মাধ্যমে চট্টগ্রাম জেলার সব সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলিতে আরসা কমান্ডার নিহত, সন্দেহ আরএসওর সশস্ত্র সদস্যদের।

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হান দোজখ দেখে ফেলেছে : এসপি মাসুদ।

আপডেট সময় : ০৫:২১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

 

চট্টগ্রামের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ‘বড় সাজ্জাদ’-এর প্রধান সহযোগী ও নির্দেশদাতা রায়হানকে গ্রেপ্তারে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে বসতঘরের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে সে পালিয়ে গেলেও তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বেলা ১১টায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়ির শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, ‘চতুর রায়হান অলৌকিকভাবে সাময়িকভাবে পালাতে সক্ষম হলেও সে ইতোমধ্যে দোজখ দেখে ফেলেছে। অপরাধী যত শক্তিশালী বা চতুরই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

তিনি জানান, চট্টগ্রাম অঞ্চলে অপরাধ সংঘটনের পর অনেক সন্ত্রাসী বিদেশে অবস্থানরত গ্যাং লিডার বড় সাজ্জাদের সহায়তায় ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এলাকায় আধিপত্য বজায় রাখতে তারা কিশোর গ্যাং সদস্যদের ব্যবহার করে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি এড়াতে স্থানীয় মোবাইল নেটওয়ার্কের পরিবর্তে বিদেশি ভার্চুয়াল নম্বর ও বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করে।

সংবাদ সম্মেলনে ডেভিড ইমনের গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে এসপি বলেন, কুমিল্লা ও ঢাকার একাধিক পুলিশ চেকপোস্ট এড়িয়ে ইমন সীমান্তবর্তী এলাকায় চলে যায়। পরে জেলা পুলিশের বিশেষ টিম ঝিনাইদহ সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের আরও চারজন শীর্ষ শুটারকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

তিনি আরও বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার ও ধারাবাহিক নজরদারির মাধ্যমে চট্টগ্রাম জেলার সব সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।