ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
সারাক্ষণ বার্তায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ লিপি। তারাকান্দায় প্রবাসীর স্ত্রীকে পিটিয়ে আহত, স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ। ঘুসকান্ডে চুড়ান্তভাবে চাকরী থেকে বরখাস্ত হলেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের। প্রতিবাদও কি ‘ম্যানেজড’? গণপূর্তের কায়কোবাদকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন : এক পত্রিকার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জবাব অন্য মাধ্যমে—‘গৃহপালিত সাংবাদিকতা’র অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন ?   ৩ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, কোটালীপাড়ায় আদালতে মামলা। এমডি’র অব্যবস্থাপনায় ডুবছে অগ্রণী ব্যাংক! ভাঙ্গুড়ায় শহীদ মিনারের জায়গা অবৈধ দখলমুক্ত করলেন বিএনপি নেতৃবৃন্দ। আলীগের সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে যশোরে হত্যাচেষ্টা মামলা। শিশু খাদ্যে ভেজালে পুলেরহাটে তানসীপ ট্রেডার্সকে লক্ষ টাকা জরিমানা। কুমিল্লা বুড়িচং প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে খোরশেদ সভাপতি, বাবু সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির।

স্মৃতির ক্যানভাসে কবি কাজী কাদের নওয়াজের বাড়ি।

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩৮৪ জন সংবাদটি পড়েছেন

বাংলাদেশের অন্যতম কবি কাজী কাদের নওয়াজ এর বাড়ি শ্রীপুর উপজেলাধীন মুজদিয়া গ্রামে। কবির বাড়িটির অংশবিশেষ এখনো টিকে রয়েছে। কবি ও শিক্ষাবিদ কাজী কাদের নওয়াজ ১৯০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি মুর্শিদাবাদের তালেবপুরে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট গ্রামে। তিনি বর্ধমানের মাথরুন উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়থেকে এন্ট্রান্স (১৯২৩), বহরম কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্সসহ বিএ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়থেকে এমএ (১৯২৯) পাস করেন। ১৯৩২ সালে তিনি বিটি পাস করে সাব-ইন্সপেক্টর অব স্কুল পদে যোগদান করেন। ১৯৪৬ সালে তিনি সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন।

দেশবিভাগের পর কবি কাজী কাদের নওয়াজ ঢাকায় এসে প্রথমে নবাবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং পরে ১৯৫১ সালে দিনাজপুর জেলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিযুক্ত হন। তিনি ১৯৬৬ সালে অবসর গ্রহণ করে মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার মুজদিয়াগ্রামে বসবাস করেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেছিলেন।

কবি কাজী কাদের নওয়াজের গুরুত্বপূর্ণ রচনাবলি হলো: মরাল (১৯৩৬), দাদুর বৈঠক (১৯৪৭), নীল কুমুদী (১৯৬০), মণিদীপ, কালের হাওয়া, মরুচন্দ্রিকা, দুটি পাখি দুটি তারা (১৯৬৬), উতলা সন্ধ্যা ইত্যাদি। তিনি প্রেসিডেন্ট পুরস্কার, শিশুসাহিত্যের জন্য বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬৩) এবং মাদার বক্স পুরষ্কার লাভ করেন। ১৯৮৩ সালের ৩ জানুয়ারি নিজ গ্রামে তাঁর জীবনাবসান ঘটে। প্রতি বছর কবির মৃত্যু বার্ষিকীতে কবির বাড়ি প্রাঙ্গণে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ছবি ২০২৫

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাক্ষণ বার্তায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ লিপি।

স্মৃতির ক্যানভাসে কবি কাজী কাদের নওয়াজের বাড়ি।

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশের অন্যতম কবি কাজী কাদের নওয়াজ এর বাড়ি শ্রীপুর উপজেলাধীন মুজদিয়া গ্রামে। কবির বাড়িটির অংশবিশেষ এখনো টিকে রয়েছে। কবি ও শিক্ষাবিদ কাজী কাদের নওয়াজ ১৯০৯ সালের ১৫ জানুয়ারি মুর্শিদাবাদের তালেবপুরে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট গ্রামে। তিনি বর্ধমানের মাথরুন উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়থেকে এন্ট্রান্স (১৯২৩), বহরম কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্সসহ বিএ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়থেকে এমএ (১৯২৯) পাস করেন। ১৯৩২ সালে তিনি বিটি পাস করে সাব-ইন্সপেক্টর অব স্কুল পদে যোগদান করেন। ১৯৪৬ সালে তিনি সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন।

দেশবিভাগের পর কবি কাজী কাদের নওয়াজ ঢাকায় এসে প্রথমে নবাবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং পরে ১৯৫১ সালে দিনাজপুর জেলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিযুক্ত হন। তিনি ১৯৬৬ সালে অবসর গ্রহণ করে মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার মুজদিয়াগ্রামে বসবাস করেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেছিলেন।

কবি কাজী কাদের নওয়াজের গুরুত্বপূর্ণ রচনাবলি হলো: মরাল (১৯৩৬), দাদুর বৈঠক (১৯৪৭), নীল কুমুদী (১৯৬০), মণিদীপ, কালের হাওয়া, মরুচন্দ্রিকা, দুটি পাখি দুটি তারা (১৯৬৬), উতলা সন্ধ্যা ইত্যাদি। তিনি প্রেসিডেন্ট পুরস্কার, শিশুসাহিত্যের জন্য বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬৩) এবং মাদার বক্স পুরষ্কার লাভ করেন। ১৯৮৩ সালের ৩ জানুয়ারি নিজ গ্রামে তাঁর জীবনাবসান ঘটে। প্রতি বছর কবির মৃত্যু বার্ষিকীতে কবির বাড়ি প্রাঙ্গণে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ছবি ২০২৫