ঢাকা ০১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের! অসীম ক্ষমতাধর মাসুদুল ইসলাম একসাথে পাঁচ পদের দায়িত্বে।  বিআইডব্লিউটিএ’ র বিতর্কিত কর্মকাণ্ড। দেশের জ্বালানী ও অর্থনীতি সংকটেও বিআইডব্লিউটিএতে বিলাসী বনভোজনের নামে অর্থ ও জ্বালানি অপচয়ে মনোরঞ্জন।  বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির ফ্যামিলি ডে ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন। “যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত”—মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্বাধীনতা পদক–২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা প্রদান। চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া রসুলবাগ ‘চাক্তাই ডাইভারশন খালটি’ সংস্কার জরুরী। আমতলীতে জ্বালানি সংকট তীব্র আকারে, বিপাকে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকরা। বাংলাদেশ সনাতন ধর্ম সুরক্ষা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক বর্ধিত সভা অনুষ্টিত। অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত। ফ্যাস্টিট হাসিনা সরকারের দোসর আবু সাঈদ মোল্লা এখন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের উপসচিব হলেন কিভাবে? কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ।

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ভাস্বর নববর্ষের আমেজের নতুন সাজে “মিয়ার হাট”।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৭ জন সংবাদটি পড়েছেন

বৈশাখী মেলা বা পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন এদেশের সর্বস্তরের মানুষের চিত্তবিনােদন ও অনাবিল আনন্দ উৎসবস্থল। কর্মব্যস্ত মানুষ একঘেয়েমি দূর করতে মেলায় আসে। বিভিন্ন পরিচিত অপরিচিত মানুষের সাক্ষাৎ মেলে মেলায়।

সবার মধ্যে এক অদৃশ্য ভ্রাতৃত্ব বন্ধন গড়ে ওঠে। জাতীয় ঐক্য ও সংহতি দৃঢ় হয়। বৈশাখী মেলার দৃশ্য বড় মনাে মুগ্ধকর। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের মিয়ারহাটে অনুষ্ঠিত হয় বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর অনেক জাঁকজমকভাবে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়।স্থানীয় লোকজনের তথ্যসূত্রে জানা যায় প্রায় ২০০ বছর ধরে এই বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

আর এই মেলার বিশেষত্ব হলো পরিবার পরিজন সবাই একত্রিত হওয়া। বাড়ির বিবাহিত মেয়েরা অনেক আনন্দ উৎসাহ মনে বাবার বাড়ির এই মেলায় ছুটে আসে। যারা দূরদূরান্তে থাকেন তাঁরাও আসার চেষ্টা করেন। গ্রামে মেলার সময় পরিবারগুলোতে ঘরে ঘরে ভাজা হয় মুড়ি, মুড়কি ও বিন্নি ধানের খই। তৈরি করা হয় বিভিন্ন পিঠাপুলি। ফলে বড়উঠান ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার বিভিন্ন বাড়ি যেন ভরে ওঠে আত্মীয়স্বজনে।

বৈশাখী মেলা বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান লোকজ উৎসব, যা বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখে আয়োজিত হয়।গ্রামীণ মেলায় মাটির শিল্প, বাঁশ ও বেতের সামগ্রী, রকমারি মিষ্টি, জিলাপি, বাতাসা এবং খেলনার দোকান থাকে। এই মেলায় শিশুদের কেনাকাটার ভীড় জমে সবচেয়ে বেশি। চারদিকে পে পো শব্দে মুখরিত হয়ে উঠে। কেনাকাটার যেন বিরাম নেই এই মেলায়। এ যেন বাঙালির প্রাণের মেলা।

জাতি-ধর্ম,বর্ণ ,ছােট-বড় নির্বিশেষে সব শ্রেণীর মানুষ মনের টানে এ মেলায় আসে এবং আনন্দ উল্লাস করে।এ যেন বাঁধাহীন,গন্ডিহীন অসাম্প্রদায়িক চেতনার মিশেলে জমে ওঠা ক্ষণিকের স্বপ্নালয়।

 

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

মাগুরায় শালিখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বনি আমিন সহ ৪ জনের নামে সাংবাদিকের মামলা দায়ের!

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ভাস্বর নববর্ষের আমেজের নতুন সাজে “মিয়ার হাট”।

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

বৈশাখী মেলা বা পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন এদেশের সর্বস্তরের মানুষের চিত্তবিনােদন ও অনাবিল আনন্দ উৎসবস্থল। কর্মব্যস্ত মানুষ একঘেয়েমি দূর করতে মেলায় আসে। বিভিন্ন পরিচিত অপরিচিত মানুষের সাক্ষাৎ মেলে মেলায়।

সবার মধ্যে এক অদৃশ্য ভ্রাতৃত্ব বন্ধন গড়ে ওঠে। জাতীয় ঐক্য ও সংহতি দৃঢ় হয়। বৈশাখী মেলার দৃশ্য বড় মনাে মুগ্ধকর। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের মিয়ারহাটে অনুষ্ঠিত হয় বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর অনেক জাঁকজমকভাবে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়।স্থানীয় লোকজনের তথ্যসূত্রে জানা যায় প্রায় ২০০ বছর ধরে এই বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

আর এই মেলার বিশেষত্ব হলো পরিবার পরিজন সবাই একত্রিত হওয়া। বাড়ির বিবাহিত মেয়েরা অনেক আনন্দ উৎসাহ মনে বাবার বাড়ির এই মেলায় ছুটে আসে। যারা দূরদূরান্তে থাকেন তাঁরাও আসার চেষ্টা করেন। গ্রামে মেলার সময় পরিবারগুলোতে ঘরে ঘরে ভাজা হয় মুড়ি, মুড়কি ও বিন্নি ধানের খই। তৈরি করা হয় বিভিন্ন পিঠাপুলি। ফলে বড়উঠান ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার বিভিন্ন বাড়ি যেন ভরে ওঠে আত্মীয়স্বজনে।

বৈশাখী মেলা বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান লোকজ উৎসব, যা বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখে আয়োজিত হয়।গ্রামীণ মেলায় মাটির শিল্প, বাঁশ ও বেতের সামগ্রী, রকমারি মিষ্টি, জিলাপি, বাতাসা এবং খেলনার দোকান থাকে। এই মেলায় শিশুদের কেনাকাটার ভীড় জমে সবচেয়ে বেশি। চারদিকে পে পো শব্দে মুখরিত হয়ে উঠে। কেনাকাটার যেন বিরাম নেই এই মেলায়। এ যেন বাঙালির প্রাণের মেলা।

জাতি-ধর্ম,বর্ণ ,ছােট-বড় নির্বিশেষে সব শ্রেণীর মানুষ মনের টানে এ মেলায় আসে এবং আনন্দ উল্লাস করে।এ যেন বাঁধাহীন,গন্ডিহীন অসাম্প্রদায়িক চেতনার মিশেলে জমে ওঠা ক্ষণিকের স্বপ্নালয়।