ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ:
মধুপুরের জলছত্র হরিসভা মন্দিরে চুরি। নরসিংদীতে তাঁত বোর্ডের উদ্যোগে জব ফেয়ার উদ্বোধন। বিয়ের প্রতিশ্রুতি ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, সাংবাদিক মোরশেদ আলী মারুফের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ। মাদারীপুরের রাজৈরে এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা। বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক আব্দুর রহিমের হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির তথ্য ফাঁস!  বঙ্গভবনের পথে মির্জা ফখরুল: একজন দলীয় নেতার সামনে রাষ্ট্রনায়ক হওয়ার পরীক্ষা। শিক্ষার্থী ফেল করেনি, ফেল করেছে বাংলাদেশ। পরীক্ষার ফলাফলের আয়নায় আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা হুমকি, হয়রানি ও ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ,কুড়িগ্রাম থানায় প্রথম টিভির চেয়ারম্যানের লিখিত অভিযোগ। মিটফোর্ডের সুইপার কলোনির বাসিন্দাদের উচ্ছেদের প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতপাত বিলোপ জোটের আয়োজনে মানববন্ধন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ: ফ্যাসিবাদের দোসর মোঃ শহীদ আতাহার হোসেন এর গ্রাসে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর!

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ভাস্বর নববর্ষের আমেজের নতুন সাজে “মিয়ার হাট”।

  • সারাক্ষণ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • ২০৬ জন সংবাদটি পড়েছেন

বৈশাখী মেলা বা পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন এদেশের সর্বস্তরের মানুষের চিত্তবিনােদন ও অনাবিল আনন্দ উৎসবস্থল। কর্মব্যস্ত মানুষ একঘেয়েমি দূর করতে মেলায় আসে। বিভিন্ন পরিচিত অপরিচিত মানুষের সাক্ষাৎ মেলে মেলায়।

সবার মধ্যে এক অদৃশ্য ভ্রাতৃত্ব বন্ধন গড়ে ওঠে। জাতীয় ঐক্য ও সংহতি দৃঢ় হয়। বৈশাখী মেলার দৃশ্য বড় মনাে মুগ্ধকর। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের মিয়ারহাটে অনুষ্ঠিত হয় বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর অনেক জাঁকজমকভাবে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়।স্থানীয় লোকজনের তথ্যসূত্রে জানা যায় প্রায় ২০০ বছর ধরে এই বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

আর এই মেলার বিশেষত্ব হলো পরিবার পরিজন সবাই একত্রিত হওয়া। বাড়ির বিবাহিত মেয়েরা অনেক আনন্দ উৎসাহ মনে বাবার বাড়ির এই মেলায় ছুটে আসে। যারা দূরদূরান্তে থাকেন তাঁরাও আসার চেষ্টা করেন। গ্রামে মেলার সময় পরিবারগুলোতে ঘরে ঘরে ভাজা হয় মুড়ি, মুড়কি ও বিন্নি ধানের খই। তৈরি করা হয় বিভিন্ন পিঠাপুলি। ফলে বড়উঠান ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার বিভিন্ন বাড়ি যেন ভরে ওঠে আত্মীয়স্বজনে।

বৈশাখী মেলা বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান লোকজ উৎসব, যা বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখে আয়োজিত হয়।গ্রামীণ মেলায় মাটির শিল্প, বাঁশ ও বেতের সামগ্রী, রকমারি মিষ্টি, জিলাপি, বাতাসা এবং খেলনার দোকান থাকে। এই মেলায় শিশুদের কেনাকাটার ভীড় জমে সবচেয়ে বেশি। চারদিকে পে পো শব্দে মুখরিত হয়ে উঠে। কেনাকাটার যেন বিরাম নেই এই মেলায়। এ যেন বাঙালির প্রাণের মেলা।

জাতি-ধর্ম,বর্ণ ,ছােট-বড় নির্বিশেষে সব শ্রেণীর মানুষ মনের টানে এ মেলায় আসে এবং আনন্দ উল্লাস করে।এ যেন বাঁধাহীন,গন্ডিহীন অসাম্প্রদায়িক চেতনার মিশেলে জমে ওঠা ক্ষণিকের স্বপ্নালয়।

 

Tag :
About Author Information

GOURANGA BOSE

জনপ্রিয় সংবাদ

মধুপুরের জলছত্র হরিসভা মন্দিরে চুরি।

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ভাস্বর নববর্ষের আমেজের নতুন সাজে “মিয়ার হাট”।

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

বৈশাখী মেলা বা পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন এদেশের সর্বস্তরের মানুষের চিত্তবিনােদন ও অনাবিল আনন্দ উৎসবস্থল। কর্মব্যস্ত মানুষ একঘেয়েমি দূর করতে মেলায় আসে। বিভিন্ন পরিচিত অপরিচিত মানুষের সাক্ষাৎ মেলে মেলায়।

সবার মধ্যে এক অদৃশ্য ভ্রাতৃত্ব বন্ধন গড়ে ওঠে। জাতীয় ঐক্য ও সংহতি দৃঢ় হয়। বৈশাখী মেলার দৃশ্য বড় মনাে মুগ্ধকর। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের মিয়ারহাটে অনুষ্ঠিত হয় বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর অনেক জাঁকজমকভাবে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়।স্থানীয় লোকজনের তথ্যসূত্রে জানা যায় প্রায় ২০০ বছর ধরে এই বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

আর এই মেলার বিশেষত্ব হলো পরিবার পরিজন সবাই একত্রিত হওয়া। বাড়ির বিবাহিত মেয়েরা অনেক আনন্দ উৎসাহ মনে বাবার বাড়ির এই মেলায় ছুটে আসে। যারা দূরদূরান্তে থাকেন তাঁরাও আসার চেষ্টা করেন। গ্রামে মেলার সময় পরিবারগুলোতে ঘরে ঘরে ভাজা হয় মুড়ি, মুড়কি ও বিন্নি ধানের খই। তৈরি করা হয় বিভিন্ন পিঠাপুলি। ফলে বড়উঠান ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার বিভিন্ন বাড়ি যেন ভরে ওঠে আত্মীয়স্বজনে।

বৈশাখী মেলা বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান লোকজ উৎসব, যা বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখে আয়োজিত হয়।গ্রামীণ মেলায় মাটির শিল্প, বাঁশ ও বেতের সামগ্রী, রকমারি মিষ্টি, জিলাপি, বাতাসা এবং খেলনার দোকান থাকে। এই মেলায় শিশুদের কেনাকাটার ভীড় জমে সবচেয়ে বেশি। চারদিকে পে পো শব্দে মুখরিত হয়ে উঠে। কেনাকাটার যেন বিরাম নেই এই মেলায়। এ যেন বাঙালির প্রাণের মেলা।

জাতি-ধর্ম,বর্ণ ,ছােট-বড় নির্বিশেষে সব শ্রেণীর মানুষ মনের টানে এ মেলায় আসে এবং আনন্দ উল্লাস করে।এ যেন বাঁধাহীন,গন্ডিহীন অসাম্প্রদায়িক চেতনার মিশেলে জমে ওঠা ক্ষণিকের স্বপ্নালয়।