১. ভৌগোলিক স্বাধিকার: আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি জনপদের মানুষের অধিকার আছে তাদের নিজস্ব মাটির ভাগ্য নিজে নির্ধারণ করার। কোনো বৃহৎ শক্তির মোড়লী বা চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত আমরা মানি না।
২. শোষণমুক্ত রাষ্ট্র: আমাদের সংগ্রাম এমন এক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যেখানে এক দেশ অন্য দেশকে, বা এক মানুষ অন্য মানুষকে শোষণ করে। আমরা প্রতিটি সীমানায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই।
৩. নাগরিকের সম-অধিকার: রাষ্ট্র হবে মানুষের জন্য। জাতি, গোষ্ঠী বা বিশ্বাসের ঊর্ধ্বে উঠে প্রতিটি নাগরিক যাতে তার ভৌগোলিক সীমানায় পূর্ণ মানবিক মর্যাদা ও নিরাপত্তা পায়, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
৪. প্রতিবেশী সুলভ সহাবস্থান: আমরা যুদ্ধ বা ঘৃণা চাই না। আমরা চাই এমন এক অঞ্চল যেখানে ছোট-বড় প্রতিটি দেশ একে অপরের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করবে এবং পারস্পরিক ভালোবাসার ভিত্তিতে শান্তিতে বাস করবে।
৫. আধিপত্যের অবসান: আমরা সেই দিনটির স্বপ্ন দেখি যখন কোনো মানচিত্র অন্য কোনো মানচিত্রের দাসে পরিণত হবে না এবং প্রতিটি মানুষ তার নিজ ভূমিতে নিজ শাসন প্রতিষ্ঠার স্বাদ পাবে।
মাটির অধিকার—মানুষের মুক্তি
“শিকল ছিঁড়ুক মোড়লীর, মুক্তি পাক মানচিত্র—নিজ ভূমিতে নিজ শাসন, শোষণহীন এক নতুন দিগন্ত।
আমাদের অঙ্গীকার:
কোনো অপশক্তির মোড়লী আর সহ্য করা হবে না।
প্রতিটি ভৌগোলিক সীমানায় প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার।
বাইরের শাসন নয়, নিজ ভূখণ্ডে মাটির মানুষের শাসন চলবে।
ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার ভিত্তিতে গড়ে উঠবে আগামীর সমাজ।
আসুন, আধিপত্যের শৃঙ্খল ভেঙে আমরা নিজেদের ভাগ্য নিজেরা গড়ি!
সারাক্ষণ ডেস্ক 


















